কেয়া চৌধুরীকে লাঞ্ছিতের চেষ্টা, পাল্টাপাল্টি হামলায় সাংবাদিকসহ আহত ৫
jugantor
কেয়া চৌধুরীকে লাঞ্ছিতের চেষ্টা, পাল্টাপাল্টি হামলায় সাংবাদিকসহ আহত ৫

  হবিগঞ্জ প্রতিনিধি  

২৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১৮:২৩:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জে সাবেক এমপি আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরীকে লাঞ্ছিত করার চেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে। এ সময় পাল্টাপাল্টি হামলায় সাংবাদিকসহ ৫ জন আহত হন।

গুরুতর আহত অবস্থায় সাংবাদিক জাকারিয়া চৌধুরীকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ সময় জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে সাবেক এমপি কেয়া চৌধুরীর পক্ষ নেয়া স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকর্মীদের অবরুদ্ধ করে জেলা যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। পরে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যার মধ্যস্থতায় বুধবার রাত ৮টার দিকে তাদের নিরাপদে বের করে আনা হয়।

জেলা যুবলীগ সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছেন। যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সরিয়ে দিয়ে তিনি চলে যান।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান জানান, শায়েস্তাগঞ্জের সাবেক এমপি কেয়া চৌধুরীর ওপর হামলার প্রতিবাদে স্বেচ্ছাসেবক লীগ বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিলে যুবলীগ পাল্টা অবস্থান নেয়। তবে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার রাতে শায়েস্তাগঞ্জে পৌর আওয়ামী লীগের সভায় সাবেক এমপি আমাতুল কিবরিয়া চৌধুরী কেয়ার বক্তৃতা দেয়ার সময় যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা হট্টগোল সৃষ্টি করে তাকে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করে। এর প্রতিবাদে বুধবার বিকালে কেয়া চৌধুরীর পক্ষে বিক্ষোভ মিছিল আহ্বান করে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ। এজন্য তারা জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে জড়ো হয়।

এ খবর পেয়ে পাল্টা মিছিল করার প্রস্তুতি নেয় জেলা যুবলীগ ও ছাত্রলীগ। তারা অবস্থান নেয় জেলা পরিষদের সামনে মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে। এ সময় উভয়পক্ষ একপক্ষ আরেক পক্ষকে ডাকাডাকি শুরু করে। তখন তাদের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাসুক আলীর নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। কিন্তু কোনো পক্ষই পিছু হটেনি। শেষপর্যন্ত সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে ছুটে যান আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা সাবেক পৌর চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব দাশ পুরকায়স্থ ও শামসুদ্দিন মো. রেজা।

তারাও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি। রাতে সেখানে যান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা। তারা উভয়পক্ষকে শান্ত করে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকর্মীদের নিরাপদে বের করে দেন।

কেয়া চৌধুরীকে লাঞ্ছিতের চেষ্টা, পাল্টাপাল্টি হামলায় সাংবাদিকসহ আহত ৫

 হবিগঞ্জ প্রতিনিধি 
২৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৬:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জে সাবেক এমপি আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরীকে লাঞ্ছিত করার চেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে। এ সময় পাল্টাপাল্টি হামলায় সাংবাদিকসহ ৫ জন আহত হন।

গুরুতর আহত অবস্থায় সাংবাদিক জাকারিয়া চৌধুরীকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ সময় জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে সাবেক এমপি কেয়া চৌধুরীর পক্ষ নেয়া স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকর্মীদের অবরুদ্ধ করে জেলা যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। পরে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যার মধ্যস্থতায় বুধবার রাত ৮টার দিকে তাদের নিরাপদে বের করে আনা হয়।

জেলা যুবলীগ সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছেন। যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সরিয়ে দিয়ে তিনি চলে যান।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান জানান, শায়েস্তাগঞ্জের সাবেক এমপি কেয়া চৌধুরীর ওপর হামলার প্রতিবাদে স্বেচ্ছাসেবক লীগ বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিলে যুবলীগ পাল্টা অবস্থান নেয়। তবে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার রাতে শায়েস্তাগঞ্জে পৌর আওয়ামী লীগের সভায় সাবেক এমপি আমাতুল কিবরিয়া চৌধুরী কেয়ার বক্তৃতা দেয়ার সময় যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা হট্টগোল সৃষ্টি করে তাকে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করে। এর প্রতিবাদে বুধবার বিকালে কেয়া চৌধুরীর পক্ষে বিক্ষোভ মিছিল আহ্বান করে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ। এজন্য তারা জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে জড়ো হয়।

এ খবর পেয়ে পাল্টা মিছিল করার প্রস্তুতি নেয় জেলা যুবলীগ ও ছাত্রলীগ। তারা অবস্থান নেয় জেলা পরিষদের সামনে মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে। এ সময় উভয়পক্ষ একপক্ষ আরেক পক্ষকে ডাকাডাকি শুরু করে। তখন তাদের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাসুক আলীর নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। কিন্তু কোনো পক্ষই পিছু হটেনি। শেষপর্যন্ত সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে ছুটে যান আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা সাবেক পৌর চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব দাশ পুরকায়স্থ ও শামসুদ্দিন মো. রেজা।

তারাও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি। রাতে সেখানে যান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা। তারা উভয়পক্ষকে শান্ত করে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকর্মীদের নিরাপদে বের করে দেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন