প্রকৌশলীকে মারধর, উপজেলা চেয়ারম্যান শিশিরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত
jugantor
প্রকৌশলীকে মারধর, উপজেলা চেয়ারম্যান শিশিরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত

  কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি  

২৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১৮:২৮:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

চাঁদপুরের কচুয়ার শহীদ স্মৃতি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন কাজে অনিয়মের ঘটনায় উপজেলা চেয়ারম্যান (সাময়িক বহিষ্কার হওয়া) শাহজাহান শিশিরের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চাঁদপুরের শিক্ষা প্রকৌশলের সাবেক উপসহকারী প্রকৌশলী নুরে আলমকে মারধর ও মামলার ঘটনায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বৃহস্পতিবার কচুয়ায় ইউএনওর কার্যালয়ে তদন্ত শুনানি শেষে সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এ সময় মামলার বিবাদী উপজেলা চেয়ারম্যান (সাময়িক বরখাস্ত) শাহজাহান শিশির, প্রত্যক্ষদর্শী, সাংবাদিক ও ইউএনও কার্যালয়ের কর্মচারীসহ ৮ জনের সাক্ষ্য ও লিখিত মৌখিক বক্তব্য গ্রহণ করেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর কর্তৃক ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬ তলাবিশিষ্ট কচুয়া শহীদ স্মৃতি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন দরপত্রের মাধ্যমে পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অনন্ত ট্রেডার্স (জেবি)। এ কাজের তত্ত্বাবধান করে আসছেন ঠিকাদারের লোক আশরাফুল আলম।

রোববার ইঞ্জিনিয়ার নূর আলম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিপায়ন দাস শুভকে সঙ্গে নিয়ে স্কুলটির দ্বিতীয়তলার ছাদ ঢালাইয়ের প্রস্তুতি পরিদর্শনে যান। দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশির ১৫-২০ জনের একটি দল নিয়ে সেখানে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সামনেই ইঞ্জিনিয়ার নূর আলমকে গালিগালাজ করে নাক-মুখে এলোপাতাড়ি ঘুষি এবং বাঁশ দিয়ে ডান পায়ের হাঁটুতে আঘাত করেন।

চেয়ারম্যানের দেখাদেখি অন্যরাও নূর আলমের পিঠে ও পায়ে মেরে জখম করে। এ ঘটনায় ৩ জনের নাম উল্লেখ করে ২০-২৫ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়। মামলায় চাঁদপুরের কচুয়ায় শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগের ইঞ্জিনিয়ারকে মারধরের ঘটনায় উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাহান শিশিরকে প্রধান আসামি করা হয়।

প্রকৌশলীকে মারধর, উপজেলা চেয়ারম্যান শিশিরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত

 কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি 
২৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৬:২৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চাঁদপুরের কচুয়ার শহীদ স্মৃতি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন কাজে অনিয়মের ঘটনায় উপজেলা চেয়ারম্যান (সাময়িক বহিষ্কার হওয়া) শাহজাহান শিশিরের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চাঁদপুরের শিক্ষা প্রকৌশলের সাবেক উপসহকারী প্রকৌশলী নুরে আলমকে মারধর ও মামলার ঘটনায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বৃহস্পতিবার কচুয়ায় ইউএনওর কার্যালয়ে তদন্ত শুনানি শেষে সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এ সময় মামলার বিবাদী উপজেলা চেয়ারম্যান (সাময়িক বরখাস্ত) শাহজাহান শিশির, প্রত্যক্ষদর্শী, সাংবাদিক ও ইউএনও কার্যালয়ের কর্মচারীসহ ৮ জনের সাক্ষ্য ও লিখিত মৌখিক বক্তব্য গ্রহণ করেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর কর্তৃক ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬ তলাবিশিষ্ট কচুয়া শহীদ স্মৃতি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন দরপত্রের মাধ্যমে পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অনন্ত ট্রেডার্স (জেবি)। এ কাজের তত্ত্বাবধান করে আসছেন ঠিকাদারের লোক আশরাফুল আলম।

রোববার ইঞ্জিনিয়ার নূর আলম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিপায়ন দাস শুভকে সঙ্গে নিয়ে স্কুলটির দ্বিতীয়তলার ছাদ ঢালাইয়ের প্রস্তুতি পরিদর্শনে যান। দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশির ১৫-২০ জনের একটি দল নিয়ে সেখানে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সামনেই ইঞ্জিনিয়ার নূর আলমকে গালিগালাজ করে নাক-মুখে এলোপাতাড়ি ঘুষি এবং বাঁশ দিয়ে ডান পায়ের হাঁটুতে আঘাত করেন।

চেয়ারম্যানের দেখাদেখি অন্যরাও নূর আলমের পিঠে ও পায়ে মেরে জখম করে। এ ঘটনায় ৩ জনের নাম উল্লেখ করে ২০-২৫ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়। মামলায় চাঁদপুরের কচুয়ায় শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগের ইঞ্জিনিয়ারকে মারধরের ঘটনায় উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাহান শিশিরকে প্রধান আসামি করা হয়।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন