ঘুষের অভিযোগে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম স্থগিত
jugantor
ঘুষের অভিযোগে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম স্থগিত

  রাজশাহী ব্যুরো  

২৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১৮:৩২:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীর বাগমারায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় বেশ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য সচিব উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এতে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার আলী খাজা এমএ মজিদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও অবৈধ আর্থিক সুবিধা নেয়ার অভিযোগ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করেন ইউএনও শরিফ আহম্মেদ।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বাগমারায় গত ১৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রম। এরই মধ্যে প্রায় সাড়ে তিন শতাধিক ব্যক্তির যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, নতুনভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার আশ্বাস দিয়ে অনেকের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে।

আবার টাকা না দিলে যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে তালিকা থেকে বাদ দেয়ারও হুমকি দেয়া হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে অনেকে টাকা দিচ্ছেন। বিষয়টি অনেকে মেনে নিতে পারেননি। তাই সভাপতির ব্যাপারে স্থানীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হককে মৌখিকভাবে অভিযোগ করেন তারা। পরে ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।

অভিযোগের ব্যাপারে কথা বলতে যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী খাজা এমএ মজিদের মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

ইউএনও শরিফ আহম্মেদ বলেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। নতুন কমিটির মাধ্যমে আগামীতে আবারও যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু হবে।

ঘুষের অভিযোগে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম স্থগিত

 রাজশাহী ব্যুরো 
২৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৬:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীর বাগমারায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় বেশ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য সচিব উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এতে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার আলী খাজা এমএ মজিদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও অবৈধ আর্থিক সুবিধা নেয়ার অভিযোগ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করেন ইউএনও শরিফ আহম্মেদ।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বাগমারায় গত ১৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রম। এরই মধ্যে প্রায় সাড়ে তিন শতাধিক ব্যক্তির যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। 

অভিযোগ উঠেছে, নতুনভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার আশ্বাস দিয়ে অনেকের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে।

আবার টাকা না দিলে যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে তালিকা থেকে বাদ দেয়ারও হুমকি দেয়া হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে অনেকে টাকা দিচ্ছেন। বিষয়টি অনেকে মেনে নিতে পারেননি। তাই সভাপতির ব্যাপারে স্থানীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হককে মৌখিকভাবে অভিযোগ করেন তারা। পরে ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।

অভিযোগের ব্যাপারে কথা বলতে যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী খাজা এমএ মজিদের মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। 

ইউএনও শরিফ আহম্মেদ বলেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। নতুন কমিটির মাধ্যমে আগামীতে আবারও যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু হবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন