জন্মগত ত্রুটিসম্পন্ন দেড় বছরের শিশুকে রেখে পালাল মা
jugantor
জন্মগত ত্রুটিসম্পন্ন দেড় বছরের শিশুকে রেখে পালাল মা

  রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি  

২৯ ডিসেম্বর ২০২০, ১৯:৪৫:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

ঝালকাঠির রাজাপুরে জন্মগত ত্রুটিসম্পন্ন দেড় বছরের শিশুকে রেখে পালিয়ে গেছে মা নাসরিন বেগম (২০)। একই সঙ্গে ঘরের মূল্যবান মালামালসহ নগদ টাকা-পয়সা নিয়ে পালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার শুক্তগড় ইউনিয়নের জগইরহাট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে নাসরিনের শ্বশুর মো. তৈয়ব আলী হাওলাদার বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। নাসরিন বেগম উপজেলার কেওতা গ্রামের আবদুল লতিফের মেয়ে।

নাসরিনের শ্বশুর মো. তৈয়ব আলী হাওলাদার অভিযোগে জানায়, তিন বছর পূর্বে কেওতা গ্রামের আবদুল লতিফের মেয়ে নাসরিনের সঙ্গে তার ছেলে মো. রবিউল হাওলাদারের বিয়ে হয়। দেড় বছর পূর্বে নাসরিনের কোল আলো করে একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। কিন্তু ওই সন্তানের পায়ুপথ ছিল না।

এদিকে ওই পরিবার দরিদ্র হওয়ায় জন্মগত ত্রুটিসম্পন্ন শিশুটির ঠিকমতো চিকিৎসা করাতে পারেননি। তবে গ্রাম্য এক চিকিৎসক বিশেষ ব্যবস্থায় শিশুটির পায়খানা করান। তবে তা কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নয়।

স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসক ও অবসরপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মাহবুবুর রহমান জানান, অপারেশন করা হলে শিশুটি স্বাভাবিক হতো। কিন্তু এ অপারেশন রাজাপুরে সম্ভব নয়। তাকে বরিশাল নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছিল।

এদিকে ত্রুটি নিয়ে জন্ম নেয়ায় এর দায় স্বামীর ওপর চাপিয়ে প্রায়ই কথা কাটাকাটি করতো নাসরিন। ঘটনার দিন সোমবার সকালে ঘরে কেউ না থাকায় ঘরের মূল্যবান মালামালসহ নগদ টাকা-পয়সা নিয়ে কাউকে কিছু না বলে দেড় বছরের শিশু সন্তান রেখে পালিয়ে যায় নাসরিন। অনেক খোঁজাখুঁজির পরে মঙ্গলবার তার বাবার বাড়িতে খোঁজ মিললেও না এসে উল্টো তৈয়ব আলীসহ তার পরিবারকে মিথ্যা মামলা জড়িয়ে হয়রানির হুমকি দেয় নাসরিন। তৈয়ব আলী নিরুপায় হয়ে পুলিশের আশ্রয় নেয়।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত নাসরিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার সাক্ষাৎ পাওয়া যায়নি।

রাজাপুর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জন্মগত ত্রুটিসম্পন্ন দেড় বছরের শিশুকে রেখে পালাল মা

 রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি 
২৯ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঝালকাঠির রাজাপুরে জন্মগত ত্রুটিসম্পন্ন দেড় বছরের শিশুকে রেখে পালিয়ে গেছে মা নাসরিন বেগম (২০)। একই সঙ্গে ঘরের মূল্যবান মালামালসহ নগদ টাকা-পয়সা নিয়ে পালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার শুক্তগড় ইউনিয়নের জগইরহাট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে নাসরিনের শ্বশুর মো. তৈয়ব আলী হাওলাদার বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। নাসরিন বেগম উপজেলার কেওতা গ্রামের আবদুল লতিফের মেয়ে।

নাসরিনের শ্বশুর মো. তৈয়ব আলী হাওলাদার অভিযোগে জানায়, তিন বছর পূর্বে কেওতা গ্রামের আবদুল লতিফের মেয়ে নাসরিনের সঙ্গে তার ছেলে মো. রবিউল হাওলাদারের বিয়ে হয়। দেড় বছর পূর্বে নাসরিনের কোল আলো করে একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। কিন্তু ওই সন্তানের পায়ুপথ ছিল না।

এদিকে ওই পরিবার দরিদ্র হওয়ায় জন্মগত ত্রুটিসম্পন্ন শিশুটির ঠিকমতো চিকিৎসা করাতে পারেননি। তবে গ্রাম্য এক চিকিৎসক বিশেষ ব্যবস্থায় শিশুটির পায়খানা করান। তবে তা কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নয়।

স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসক ও অবসরপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মাহবুবুর রহমান জানান, অপারেশন করা হলে শিশুটি স্বাভাবিক হতো। কিন্তু এ অপারেশন রাজাপুরে সম্ভব নয়। তাকে বরিশাল নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছিল।

এদিকে ত্রুটি নিয়ে জন্ম নেয়ায় এর দায় স্বামীর ওপর চাপিয়ে প্রায়ই কথা কাটাকাটি করতো নাসরিন। ঘটনার দিন সোমবার সকালে ঘরে কেউ না থাকায় ঘরের মূল্যবান মালামালসহ নগদ টাকা-পয়সা নিয়ে কাউকে কিছু না বলে দেড় বছরের শিশু সন্তান রেখে পালিয়ে যায় নাসরিন। অনেক খোঁজাখুঁজির পরে মঙ্গলবার তার বাবার বাড়িতে খোঁজ মিললেও না এসে উল্টো তৈয়ব আলীসহ তার পরিবারকে মিথ্যা মামলা জড়িয়ে হয়রানির হুমকি দেয় নাসরিন। তৈয়ব আলী নিরুপায় হয়ে পুলিশের আশ্রয় নেয়।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত নাসরিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার সাক্ষাৎ পাওয়া যায়নি।

রাজাপুর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন