মেয়র পদে বাবা-মেয়ের মনোনয়নপত্র দাখিল
jugantor
মেয়র পদে বাবা-মেয়ের মনোনয়নপত্র দাখিল

  যুগান্তর রিপোর্ট, বরগুনা  

৩১ ডিসেম্বর ২০২০, ২১:৩৪:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

বাবা-মেয়ে

বরগুনা পৌরসভায় মেয়র পদে ১০ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে বর্তমান মেয়র শাহাদাত হোসেন ও তার মেয়ে মহাসিনা মিতু স্বতন্ত্র পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

এছাড়া সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৫ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদের ১৪ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার নয়জন মেয়র পদে মনোনয়ন দাখিল করেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের মো. কামরুল আহসান মহারাজ, জাতীয় পার্টির আবদুল জলিল হাওলাদার, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন বাংলাদেশ মো. জালাল উদ্দিন, স্বতন্ত্র শাহাবুদ্দিন, স্বতন্ত্র মো. জসীম উদ্দিন, স্বতন্ত্র মো. ছিদ্দিকুর রহমান পান্না, বিএনপি মো. আবদুল হালিম, স্বতন্ত্র নিজাম উদ্দিন ও মহাসিনা মিতু।

এর দুই দিন আগে স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান মেয়র শাহাদাত হোসেন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম সরোয়ার টুকু বলেন, মেয়র শাহাদাত হোসেন বরগুনা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। গত ২০১৫ সালেও মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে দলীয় প্রার্থী কামরুল আহসান মহারাজকে টাকার জোরে নির্বাচনের দিন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দলীয় প্রার্থীকে আহত করে ভোট কেটে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। এবারও শাহাদাত হোসেন দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে নিজে স্বতন্ত্র, মেয়ে মিতু ও তার সমর্থক নিজাম উদ্দিনকে দিয়ে স্বতন্ত্র মনোনয়ন দাখিল করিয়েছেন।

তিনি বলেন, দল করবেন, দলের সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন, নিজের লোকজন নিয়ে লুটপাট করবেন; আর নির্বাচন আসলে টাকার জোরে নির্বাচন করবেন। এবার দলের সব নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধ। তার (শাহাদাত) সব ষড়যন্ত্র এবার মোকাবেলা করা হবে।

মনোনয়ন বঞ্চিত শাহাদাত হোসেন যুগান্তরকে বলেন, আমাকে যে কোনো সময় মেরে ফেলতে পারে। এ কারণে আমার মেয়েকে দিয়ে মনোনয়ন দাখিল করাতে বাধ্য হয়েছি।

আপনি দলের বিরুদ্ধে কেন মনোনয়ন দাখিল করেছেন- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, জনগণের চোখের পানি মোছার জন্য আবারও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি।

দলের সভাপতি শেখ হাসিনার কথা অমান্য করে নির্বাচন করেন কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি নৌকাকে ভালোবাসি। তারপরও জনগণের কথা চিন্তা করে আমাকে নির্বাচন করতে হচ্ছে। জনগণ আমাকে চায়। জনগণ আমার জন্য নীরবে কাঁদে। বড়িয়ালপাড়ার লোকজনের ঘরবাড়ি যখন ডিসি ভেঙে ফেলে তখন তো দলের লোকজন তাদের রক্ষা করেনি। আমি ঢাকা থেকে এসে ঘরবাড়ি রক্ষা করেছি।

উল্লেখ্য, ৩ জানুয়ারি প্রার্থিতা বাছাই। ১০ জানুয়ারি প্রত্যাহার ও ৩১ জানুয়ারি ভোটগ্রহণ হবে। ভোটার সংখ্যা ২৫ হাজার।

মেয়র পদে বাবা-মেয়ের মনোনয়নপত্র দাখিল

 যুগান্তর রিপোর্ট, বরগুনা 
৩১ ডিসেম্বর ২০২০, ০৯:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বাবা-মেয়ে
বাবা-মেয়ে। ছবি: সংগৃহীত

বরগুনা পৌরসভায় মেয়র পদে ১০ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে বর্তমান মেয়র শাহাদাত হোসেন ও তার মেয়ে মহাসিনা মিতু স্বতন্ত্র পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

এছাড়া সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৫ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদের ১৪ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার নয়জন মেয়র পদে মনোনয়ন দাখিল করেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের মো. কামরুল আহসান মহারাজ, জাতীয় পার্টির আবদুল জলিল হাওলাদার, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন বাংলাদেশ মো. জালাল উদ্দিন, স্বতন্ত্র শাহাবুদ্দিন, স্বতন্ত্র মো. জসীম উদ্দিন, স্বতন্ত্র মো. ছিদ্দিকুর রহমান পান্না, বিএনপি মো. আবদুল হালিম, স্বতন্ত্র নিজাম উদ্দিন ও মহাসিনা মিতু। 

এর দুই দিন আগে স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান মেয়র শাহাদাত হোসেন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। 

বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম সরোয়ার টুকু বলেন, মেয়র শাহাদাত হোসেন বরগুনা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। গত ২০১৫ সালেও মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে দলীয় প্রার্থী কামরুল আহসান মহারাজকে টাকার জোরে নির্বাচনের দিন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দলীয় প্রার্থীকে আহত করে ভোট কেটে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। এবারও শাহাদাত হোসেন দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে নিজে স্বতন্ত্র, মেয়ে মিতু ও তার সমর্থক নিজাম উদ্দিনকে দিয়ে স্বতন্ত্র মনোনয়ন দাখিল করিয়েছেন। 

তিনি বলেন, দল করবেন, দলের সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন, নিজের লোকজন নিয়ে লুটপাট করবেন; আর নির্বাচন আসলে টাকার জোরে নির্বাচন করবেন। এবার দলের সব নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধ। তার (শাহাদাত) সব ষড়যন্ত্র এবার মোকাবেলা করা হবে। 

মনোনয়ন বঞ্চিত শাহাদাত হোসেন যুগান্তরকে বলেন, আমাকে যে কোনো সময় মেরে ফেলতে পারে। এ কারণে আমার মেয়েকে দিয়ে মনোনয়ন দাখিল করাতে বাধ্য হয়েছি। 

আপনি দলের বিরুদ্ধে কেন মনোনয়ন দাখিল করেছেন- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, জনগণের চোখের পানি মোছার জন্য আবারও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি। 

দলের সভাপতি শেখ হাসিনার কথা অমান্য করে নির্বাচন করেন কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি নৌকাকে ভালোবাসি। তারপরও জনগণের কথা চিন্তা করে আমাকে নির্বাচন করতে হচ্ছে। জনগণ আমাকে চায়। জনগণ আমার জন্য নীরবে কাঁদে। বড়িয়ালপাড়ার লোকজনের ঘরবাড়ি যখন ডিসি ভেঙে ফেলে তখন তো দলের লোকজন তাদের রক্ষা করেনি। আমি ঢাকা থেকে এসে ঘরবাড়ি রক্ষা করেছি।

উল্লেখ্য, ৩ জানুয়ারি প্রার্থিতা বাছাই। ১০ জানুয়ারি প্রত্যাহার ও ৩১ জানুয়ারি ভোটগ্রহণ হবে। ভোটার সংখ্যা ২৫ হাজার।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন