স্ত্রী-সন্তানের জন্য আশ্রয় চান ক্যান্সার আক্রান্ত দপ্তরি অধীর
jugantor
স্ত্রী-সন্তানের জন্য আশ্রয় চান ক্যান্সার আক্রান্ত দপ্তরি অধীর

  নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

০৪ জানুয়ারি ২০২১, ২০:১০:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

দপ্তরি শ্রী অধীর চন্দ্র দাস।

সততা ও ন্যায়নিষ্ঠার সাথে চাকরি জীবনের ৩৮টি বর কাটিয়ে দিলেন দপ্তরি শ্রী অধীর চন্দ্র দাস। জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে নানান নির্যাতন ও অসহায়ত্বের শিকার হয়ে আজ তিনি দূরারোগ্য ক্যান্সার রোগে ভুগছেন।

ক্যান্সার রোগই তার জীবনের একমাত্র শত্রু হয়ে দাড়িয়েছে। বর্তমানে নিজের চিকিৎসার কথা চিন্তা না করে স্ত্রী-সন্তানের জন্য বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে একটু আশ্রয় ও সহযোগিতা চান।

রেজমিন দেখা যায়, ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার রাজগাতী ইউনিয়নের বড়াইল মহব্বতনগর গ্রামের স্বর্গীয় অরণী চন্দ্র দাসের পুত্র কমল চন্দ্র দাসের বাড়িতে একটি ভাঙ্গা ছাপড়া ঘরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন শ্রী অধীর চন্দ্র দাস।

পুত্র সন্তানহীন দপ্তরি অধীর চন্দ্র দাস ৪ কন্যাসন্তানকে বিয়ে দেওয়াসহ ঘরে এক কন্যা ও স্ত্রীকে নিয়ে সংসারটুকুই ছিল তার সম্বল। নিজের অর্থ ও সহায় সম্পদ না থাকায় মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে হতাশগ্রস্ত হয়ে দিন কাটাচ্ছেন। তিনি ১৯৮৩ সাল থেকে তাড়াইল উপজেলার পুরুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরি (পিন) পদে চাকরি করে আসছে। তবে এক বছর আগে দূরারোগ্য ক্যান্সার রোগটি তার দেহে ধরা পড়ায় স্কুল থেকে তাকে বের করে দেয়া হয়।

স্কুলের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর দিলেও স্বাক্ষর মুছে ফেলাসহ তার বেতন-ভাতা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জোর করে অব্যাহতির খাতায় তার স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। পেনশন ভাতার নামে আজ চরম দর্দিনে তাকে দিনকে দিন ঘোরানো হচ্ছে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক মুজিরুল হক ভুইয়া জানান, ‘অধীরের বিষয়টি আমরা জ্ঞাত। তাকে বলেছি দ্রুত কাগজপত্রগুলো নিয়ে আসতে। ব্যবস্থা করে দিবো।' স্থানীয় বাসিন্দা মহিউদ্দিন ও মুজিবুর রহমান নামে দুইজন স্কুল শিক্ষক তার চিকিৎসার জন্য বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে টাকা তুলে সাহায্য-সহযোগিতা করেছে

বর্তমানে সুধীর মানুষের সাহায্য-সহযোগিতায় কষ্টে দিন পা করছেন। তবে এভাবে আর কতদিন চলবে? তাই পেনশন ভাতাটুকু প্রাপ্ত হলে কিছুটা দুঃখ লাঘব হতো বলে জানান অধীর চন্দ দাস। নিজের চিকিৎসার কথা না ভেবে মেয়েটিকে বিবাহ ও স্ত্রীর জন্য কিছু করতে চা

তাই কোনো উপায় না পেয়ে এ ব্যাপারে সুধীর চন্দ্র দাস কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, মুজিববর্ষে মমতাময়ী মা জননেত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয় প্রকল্পের আওতায় আমার স্ত্রী-সন্তানের জন্য একটু আশ্রয় পেতে চাই।

স্ত্রী-সন্তানের জন্য আশ্রয় চান ক্যান্সার আক্রান্ত দপ্তরি অধীর

 নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
০৪ জানুয়ারি ২০২১, ০৮:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
দপ্তরি শ্রী অধীর চন্দ্র দাস।
দপ্তরি শ্রী অধীর চন্দ্র দাস।

সততা ও ন্যায়নিষ্ঠার সাথে চাকরি জীবনের ৩৮টি বর কাটিয়ে দিলেন দপ্তরি শ্রী অধীর চন্দ্র দাস। জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে নানান নির্যাতন ও অসহায়ত্বের শিকার হয়ে আজ তিনি দূরারোগ্য ক্যান্সার রোগে ভুগছেন।

 

ক্যান্সার রোগই তার জীবনের একমাত্র শত্রু হয়ে দাড়িয়েছে। বর্তমানে নিজের চিকিৎসার কথা চিন্তা না করে স্ত্রী-সন্তানের জন্য বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে একটু আশ্রয় ও সহযোগিতা চান।

 

রেজমিন দেখা যায়, ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার রাজগাতী ইউনিয়নের বড়াইল মহব্বতনগর গ্রামের স্বর্গীয় অরণী চন্দ্র দাসের পুত্র কমল চন্দ্র দাসের বাড়িতে একটি ভাঙ্গা ছাপড়া ঘরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন শ্রী অধীর চন্দ্র দাস।

 

পুত্র সন্তানহীন দপ্তরি অধীর চন্দ্র দাস ৪ কন্যাসন্তানকে বিয়ে দেওয়াসহ ঘরে এক কন্যা ও স্ত্রীকে নিয়ে সংসারটুকুই ছিল তার সম্বল। নিজের অর্থ ও সহায় সম্পদ না থাকায় মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে হতাশগ্রস্ত হয়ে দিন কাটাচ্ছেন। তিনি ১৯৮৩ সাল থেকে তাড়াইল উপজেলার পুরুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরি (পিন) পদে চাকরি করে আসছে। তবে এক বছর আগে দূরারোগ্য ক্যান্সার রোগটি তার দেহে ধরা পড়ায় স্কুল থেকে তাকে বের করে দেয়া হয়।

 

স্কুলের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর দিলেও স্বাক্ষর মুছে ফেলাসহ তার বেতন-ভাতা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জোর করে অব্যাহতির খাতায় তার স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। পেনশন ভাতার নামে আজ চরম দর্দিনে তাকে দিনকে দিন ঘোরানো হচ্ছে।

 

স্কুলের প্রধান শিক্ষক মুজিরুল হক ভুইয়া জানান, ‘অধীরের বিষয়টি আমরা জ্ঞাত। তাকে বলেছি দ্রুত কাগজপত্রগুলো নিয়ে আসতে। ব্যবস্থা করে দিবো।' স্থানীয় বাসিন্দা মহিউদ্দিন ও মুজিবুর রহমান নামে দুইজন স্কুল শিক্ষক তার চিকিৎসার জন্য বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে টাকা তুলে সাহায্য-সহযোগিতা করেছে

 

বর্তমানে সুধীর মানুষের সাহায্য-সহযোগিতায় কষ্টে দিন পা করছেন। তবে এভাবে আর কতদিন চলবে? তাই পেনশন ভাতাটুকু প্রাপ্ত হলে কিছুটা দুঃখ লাঘব হতো বলে জানান অধীর চন্দ দাস। নিজের চিকিৎসার কথা না ভেবে মেয়েটিকে বিবাহ ও স্ত্রীর জন্য কিছু করতে চা

তাই কোনো উপায় না পেয়ে এ ব্যাপারে সুধীর চন্দ্র দাস কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, মুজিববর্ষে মমতাময়ী মা জননেত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয় প্রকল্পের আওতায় আমার স্ত্রী-সন্তানের জন্য একটু আশ্রয় পেতে চাই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন