প্রবাসে থেকেও স্ত্রীর মামলায় আসামি স্বামী
jugantor
প্রবাসে থেকেও স্ত্রীর মামলায় আসামি স্বামী

  চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০৫ জানুয়ারি ২০২১, ১৯:৩৯:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে থেকেও স্ত্রীর নির্যাতন মামলায় স্বামী প্রধান আসামি হয়েছে। এ ঘটনায় তোলপাড় চলছে এলাকায়।

স্ত্রীর পিতা বাদী হয়ে জামাতাসহ ৩ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ইনাতাবাদ গ্রামে।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার ইনাতাবাদ গ্রামের মৃত আ. সহিদের ছেলে প্রবাসী মো. কাজল মিয়া প্রায় ৬ বছর আগে উপজেলার চেগানাগর গ্রামের আবদুল হক তালুকদারের মেয়ে নিলুফা আক্তার তালুকদারকে বিয়ে করেন। ২০১৮ সালের ১৭ অক্টোবর স্বামী কাজল মিয়া কাতার থেকে দেশে আসেন এবং ওই বছরের ১৬ ডিসেম্বর তিনি পুনরায় কাতার চলে যান। বর্তমানেও সেখানে অবস্থান করছেন কাজল মিয়া।

কিন্তু কাজল মিয়ার শ্বশুর আবদুল হক তালুকদার বাদী হয়ে সম্প্রতি তার জামাতা কাজল মিয়াকে প্রধান আসামি ও তার এক ভাই ও মামাকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে হবিগঞ্জ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় তিনি তার মেয়েকে কাজল মিয়া ও তার ভাই এবং মামা মিলে যৌতুকের জন্য মারধোর করেন বলে অভিযোগ করেন।

অথচ কাজল মিয়া প্রবাসে অবস্থান করছে। গত ৩ বছরে সে বাড়িতেই আসেনি। প্রবাসে থেকেও সে কিভাবে তার স্ত্রীকে মারধোর করেছে এ নিয়ে এলাকায় চলছে নানা আলোচনা সমালোচনা।

কাজল মিয়ার পরিবার অভিযোগ করেছে, জামাই বিদেশ থেকে শ্বশুরের কাছে টাকা পয়সা না দেয়ার কারণে এ মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। তারা এর সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।

প্রবাসে থেকেও স্ত্রীর মামলায় আসামি স্বামী

 চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০৫ জানুয়ারি ২০২১, ০৭:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে থেকেও স্ত্রীর নির্যাতন মামলায় স্বামী প্রধান আসামি হয়েছে। এ ঘটনায় তোলপাড় চলছে এলাকায়।

স্ত্রীর পিতা বাদী হয়ে জামাতাসহ ৩ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ইনাতাবাদ গ্রামে।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার ইনাতাবাদ গ্রামের মৃত আ. সহিদের ছেলে প্রবাসী মো. কাজল মিয়া প্রায় ৬ বছর আগে উপজেলার চেগানাগর গ্রামের আবদুল হক তালুকদারের মেয়ে নিলুফা আক্তার তালুকদারকে বিয়ে করেন। ২০১৮ সালের ১৭ অক্টোবর স্বামী কাজল মিয়া কাতার থেকে দেশে আসেন এবং ওই বছরের ১৬ ডিসেম্বর তিনি পুনরায় কাতার চলে যান। বর্তমানেও সেখানে অবস্থান করছেন কাজল মিয়া।

কিন্তু কাজল মিয়ার শ্বশুর আবদুল হক তালুকদার বাদী হয়ে সম্প্রতি তার জামাতা কাজল মিয়াকে প্রধান আসামি ও তার এক ভাই ও মামাকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে হবিগঞ্জ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় তিনি তার মেয়েকে কাজল মিয়া ও তার ভাই এবং মামা মিলে যৌতুকের জন্য মারধোর করেন বলে অভিযোগ করেন।

অথচ কাজল মিয়া প্রবাসে অবস্থান করছে। গত ৩ বছরে সে বাড়িতেই আসেনি। প্রবাসে থেকেও সে কিভাবে তার স্ত্রীকে মারধোর করেছে এ নিয়ে এলাকায় চলছে নানা আলোচনা সমালোচনা।

কাজল মিয়ার পরিবার অভিযোগ করেছে, জামাই বিদেশ থেকে শ্বশুরের কাছে টাকা পয়সা না দেয়ার কারণে এ মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। তারা এর সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন