ছেলের মা হলেন মানসিক ভারসাম্যহীন সেই নারী
jugantor
ছেলের মা হলেন মানসিক ভারসাম্যহীন সেই নারী

  কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি   

০৫ জানুয়ারি ২০২১, ২২:১৩:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ছেলের মা হলেন মানসিক ভারসাম্যহীন সেই নারী

ফুটফুটে সুন্দর এক ছেলে সন্তান প্রসব করে মা হলেন নাম পরিচয়হীন মানসিক ভারসাম্যহীন সেই নারী। সোমবার রাতে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার খারনৈ ইউনিয়নের রানীগাঁও এলাকার বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলামের বাড়ির পাশে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ওই নারী এ সন্তান প্রসব করেন।

স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সী মানসিক ভারসাম্যহীন ওই নারী উপজেলার খারনৈ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর খেলার মাঠ এলাকায় ঘোরাঘুরি করতো। আর তার নাম, ঠিকানা সম্পর্কে স্থানীয়দের কেউই অবগত ছিলেন না। তবে স্থানীয় লোকজনের সাহায্য সহযোগিতায় তার খাওয়া পরা চলতো। আর ওই নারীর একমাত্র আশ্রয়স্থল ছিল গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের বারান্দা।

এনিয়ে গত ২১ ডিসেম্বর ‘স্কুলের বারান্দায় অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীর মানবেতর জীবন’ শিরোনামে যুগান্তরে একটি সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা পপি রানী তালুকদার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রেজাউল করীম ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা বেগম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই নারীর জন্য একটি কম্বল, কিছু ওষুধ ও খাবারসহ তাকে দেখাশুনার জন্য ওই এলাকার এক স্বাস্থ্যকর্মীকে দায়িত্ব দেয়া হয়।

এ ব্যাপারে উপজেলা মহিলাবিয়ষক কর্মকর্তা পপি রানী তালুকদার যুগান্তরকে বলেন, মঙ্গলবার সকালে সন্তান প্রসবের খবর শুনে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাই। সেখানে গিয়ে জানতে পারি মানসিক ভারসাম্যহীন নারী তার সন্তান রেখে ওই জায়গা থেকে পালিয়েছে। আর সন্তানটি ওই এলাকার সাইফুল ইসলামের মেয়ে হাসনা খাতুনের কাছে রয়েছে। হাসনা খাতুনের দুই বছরের একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। সেই সুবাদে হাসনা খাতুন মানসিক ভারসাম্যহীন ওই নারীর ছেলেকে বুকের দুধ পান করানোসহ লালন পালন করছেন।

তিনি আরও বলেন, হাসনা খাতুন ওই ছেলে সন্তানটিকে পেতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করবেন। নবজাতক বর্তমানে সুস্থ এবং হাসনা খাতুনের কাছে নিরাপদে রয়েছে। আমরা তার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রেজাউল করীমের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি যুগান্তরকে বলেন, শিশুটি সুস্থ আছে। বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

ছেলের মা হলেন মানসিক ভারসাম্যহীন সেই নারী

 কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  
০৫ জানুয়ারি ২০২১, ১০:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ছেলের মা হলেন মানসিক ভারসাম্যহীন সেই নারী
মানসিক ভারসাম্যহীন নারী পালিয়েছে যাওয়ায় সন্তানটি ওই এলাকার সাইফুল ইসলামের মেয়ে হাসনা খাতুনের কোলে

ফুটফুটে সুন্দর এক ছেলে সন্তান প্রসব করে মা হলেন নাম পরিচয়হীন মানসিক ভারসাম্যহীন সেই নারী। সোমবার রাতে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার খারনৈ ইউনিয়নের রানীগাঁও এলাকার বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলামের বাড়ির পাশে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ওই নারী এ সন্তান প্রসব করেন।

স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সী মানসিক ভারসাম্যহীন ওই নারী উপজেলার খারনৈ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর খেলার মাঠ এলাকায় ঘোরাঘুরি করতো। আর তার নাম, ঠিকানা সম্পর্কে স্থানীয়দের কেউই অবগত ছিলেন না। তবে স্থানীয় লোকজনের সাহায্য সহযোগিতায় তার খাওয়া পরা চলতো। আর ওই নারীর একমাত্র আশ্রয়স্থল ছিল গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের বারান্দা।

এনিয়ে গত ২১ ডিসেম্বর ‘স্কুলের বারান্দায় অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীর মানবেতর জীবন’ শিরোনামে যুগান্তরে একটি সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা পপি রানী তালুকদার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রেজাউল করীম ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা বেগম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই নারীর জন্য একটি কম্বল, কিছু ওষুধ ও খাবারসহ তাকে দেখাশুনার জন্য ওই এলাকার এক স্বাস্থ্যকর্মীকে দায়িত্ব দেয়া হয়।

এ ব্যাপারে উপজেলা মহিলাবিয়ষক কর্মকর্তা পপি রানী তালুকদার যুগান্তরকে বলেন, মঙ্গলবার সকালে সন্তান প্রসবের খবর শুনে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাই। সেখানে গিয়ে জানতে পারি মানসিক ভারসাম্যহীন নারী তার সন্তান রেখে ওই জায়গা থেকে পালিয়েছে। আর সন্তানটি ওই এলাকার সাইফুল ইসলামের মেয়ে হাসনা খাতুনের কাছে রয়েছে। হাসনা খাতুনের দুই বছরের একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। সেই সুবাদে হাসনা খাতুন মানসিক ভারসাম্যহীন ওই নারীর ছেলেকে বুকের দুধ পান করানোসহ লালন পালন করছেন।

তিনি আরও বলেন, হাসনা খাতুন ওই ছেলে সন্তানটিকে পেতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করবেন। নবজাতক বর্তমানে সুস্থ এবং হাসনা খাতুনের কাছে নিরাপদে রয়েছে। আমরা তার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রেজাউল করীমের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি যুগান্তরকে বলেন, শিশুটি সুস্থ আছে। বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন