বাবুগঞ্জে ছাত্রলীগের কমিটি নেই ১৭ বছর, হতাশায় কর্মীরা
jugantor
বাবুগঞ্জে ছাত্রলীগের কমিটি নেই ১৭ বছর, হতাশায় কর্মীরা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৬ জানুয়ারি ২০২১, ১৩:৩৩:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

বাবুগঞ্জে ছাত্রলীগের কমিটি নেই ১৭ বছর, হতাশায় কর্মীরা

প্রায় দুই দশক ধরে ছাত্রলীগের কমিটি দেয়া হচ্ছে না বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায়। এতে হতাশায় ভুগছেন ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনটির স্থানীয় কর্মীরা।

সামাজিকমাধ্যমেও ‘কমিটি চাই–বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ’ কালো ব্যাকগ্রাউন্ডের মিম বানিয়ে অভিনব প্রতিবাদ করতে দেখা গেছে তাদের। স্থানীয় কর্মীরা বলেন, ৭৪ বছরে পা দিয়েছে ছাত্রলীগ। আর গত ১৭ বছর ধরেই এখানে কমিটি দেয়া হচ্ছে না।

এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে উপজেলা আওয়ামী লীগের ‘কমিটিতে অনাগ্রহের’ কথা বলছে জেলা ছাত্রলীগ। আর স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বলছেন, ‘এটি জেলা ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দায়িত্ব। এতে আমাদের কোনো হাত নেই।’

শনিবার থেকে উপজেলা ছাত্রলীগকর্মীরা একযোগে নিজ নিজ ফেসবুক আইডির মাধ্যমে এই অভিনব প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। দীর্ঘদিন কমিটি না হওয়ায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বেড়ে ওঠা উদ্বিগ্ন কর্মীরা কমিটির দাবিতে আন্দোলনমুখী হতে শুরু করেছেন।

জানা যায়, পদপ্রত্যাশী প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী বিগত দিনের আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে এলেও নতুন কমিটি না হওয়ায় অনেকেই ঝরে পড়ছেন। ফলে নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি হচ্ছে না এই উপজেলায়। পরিচয়হীন ছাত্ররাজনীতি থেকে অনেকেই ঘরমুখী হচ্ছেন বলে দেখা গেছে।

উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, ২০০৩ সালে বাবুগঞ্জ ছাত্রলীগের সম্মেলনের মাধ্যমে তৎকালীন বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মিলন ভূঁইয়ার উপস্থিতিতে আক্তার উজ জামান মিলন মৃধাকে সভাপতি ও মো. রোমানকে সাধারণ সস্পাদক করে দুই বছর মেয়াদি উপজেলা ছাত্রলীগের ৫১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

তিনি বলেন, কমিটিতে আমি সহসভাপতি ছিলাম। পরে সভাপতি মূল আওয়ামী লীগে সক্রিয় হলে আমি ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পাই। আমাদের বয়স হয়েছে। ১৫ বছর আগে ছাত্রত্ব হারিয়েছি। আমারও চাওয়া কমিটি হোক।

কমিটি কেন দেয়া হচ্ছে না প্রশ্নে তিনি বলেন, স্থানীয় মূল সংগঠন ও ছাত্রলীগের জেলার নেতাকর্মীরা বলতে পারবেন। তারাই দায়ী।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খালিদ হোসেন স্বপন বলেন, আওয়ামী লীগের মূলশক্তি হচ্ছে ছাত্রলীগ। কিন্তু কমিটির না হওয়ার জন্য স্থানীয় ছাত্রলীগের সর্বশেষ কমিটির সভাপতিই দায়ী। কারণ যখনই কমিটি দেয়ার প্রশ্ন ওঠে, তখনই তিনি বাগড়া দেন। বলেন, ‘সম্মেলনের মাধ্যমে আমাকে বিদায় দিতে হবে’। কিন্তু এই করোনাকালে সম্মেলন আয়োজন তো কঠিন কাজ।

কমিটি দিতে না পারা নিজেদেরই ব্যর্থতা দাবি করে তিনি বলেন, এখানে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ছাত্রলীগের কমিটি নেই। এতে আমাদেরও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে কষ্ট হয়।

বাবুগঞ্জ আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমদাদুল হক দুলাল বলেন, অচিরেই কমিটি হওয়া বাঞ্ছনীয়। আমরা কমিটি চাই। জেলা ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কাছে সেই অনুরোধ জানাচ্ছি। কমিটি না হওয়ার জন্য আমরা দায়ী না। এটা ছাত্রলীগের কাজ।

তবে ছাত্রলীগের স্থানীয় কর্মীদের অভিযোগ, উপজেলা কমিটি না হওয়ার জন্য এখানের মূল আওয়ামী লীগই দায়ী। কমিটি বন্ধ রাখতে তারাই সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছেন। জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাজ্জাকের বক্তব্যেও সেই কথা ফুটে উঠেছে।

আবদুর রাজ্জাক বলেন, যে কোনো মুহূর্তে আমরা কমিটি দিতে পারি। কমিটির তালিকা প্রস্তুত। কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে সম্মেলন বা প্রতিনিধি সভা ডেকে আমরা এ কমিটি ঘোষণা করব।

কবে নাগাদ এই কমিটি ঘোষণা করবেন; তার সুনির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করতে পারেননি তিনি। কমিটি না হওয়ায় সামাজিকমাধ্যমে প্রতিবাদকারীদের নিয়ে বিব্রত প্রকাশ করে আবদুর রাজ্জাক বলেন, যারা এভাবে শোকের আবহ তৈরির চেষ্টা করছেন, তাদের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। ছাত্রলীগের জন্য এটি বিব্রতকর।

‘কমিটি না হলে তারা স্থানীয় আওয়ামী লীগকে বলবেন, আমাদের জানাবেন। কিন্তু তা না করে ফেসবুকে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এভাবে প্রতিবাদ করলে কিছু আসবে যাবে না। বরিশালে প্রতিবাদ করে কিছু হবে না।’

‘বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগও কমিটি চায় না’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, তারা কখনও আমাদের কমিটি করতে বলেননি। একটিবারের জন্যও না।

‘অথচ তাদের উচিত ছিল– আমাদের একটি খসড়া তালিকা দেয়া; সেখান থেকে যারা আওয়ামী লীগ ও স্বাধীনতাযুদ্ধে অবদান আছে এমন পরিবার থেকে আসা কর্মীদের একটি সম্মেলনের মাধ্যমে বেছে নিতাম।’

গত ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে কমিটি প্রসঙ্গে পদপ্রত্যাশীরা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী ইমদাদুল হক দুলাল ও সাধারণ সম্পাদক সরদার খালেদ হোসেন স্বপনের দারস্থ হলে তারা দলীয় বর্ধিতসভা ডেকে বিষয়টি সমাধান করার আশ্বাস দেন।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সুমন সেরনিয়াবাত স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে। অচিরেই নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করে কমিটি গঠন করা হবে।

বাবুগঞ্জ ছাত্রলীগের সর্বশেষ কমিটির সভাপতি আক্তার উজ জামান মিলন বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের ২০১২ সালে সম্মেলনে আমি সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ পেয়েছি। দ্বিতীয় সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হিসেবে আছি। আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুসারে এক ব্যক্তি একই সময়ে দুই পদে থাকতে পারেন না। কাজেই আমি ছাত্রলীগের কোনো দায়িত্বে এখন নেই।

তিনি বলেন, উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি গঠনে আমার হাত নেই। এটা জেলা ছাত্রলীগের কাজ। আবু সুফিয়ান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে অনেক বৈঠকে অংশ নেন।

মিলন মৃধা বলেন, ছাত্রলীগের সম্মেলনে আমার যে দায়দায়িত্ব পালন করার কথা আমি সেটি করব। জেলা যদি বলে সম্মেলনের আয়োজন করতে, তবে সেটি করব।

বাবুগঞ্জে ছাত্রলীগের কমিটি নেই ১৭ বছর, হতাশায় কর্মীরা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৬ জানুয়ারি ২০২১, ০১:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বাবুগঞ্জে ছাত্রলীগের কমিটি নেই ১৭ বছর, হতাশায় কর্মীরা
ছবি: সংগৃহীত

প্রায় দুই দশক ধরে ছাত্রলীগের কমিটি দেয়া হচ্ছে না বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায়। এতে হতাশায় ভুগছেন ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনটির স্থানীয় কর্মীরা।

সামাজিকমাধ্যমেও ‘কমিটি চাই–বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ’ কালো ব্যাকগ্রাউন্ডের মিম বানিয়ে অভিনব প্রতিবাদ করতে দেখা গেছে তাদের। স্থানীয় কর্মীরা বলেন, ৭৪ বছরে পা দিয়েছে ছাত্রলীগ। আর গত ১৭ বছর ধরেই এখানে কমিটি দেয়া হচ্ছে না।

এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে উপজেলা আওয়ামী লীগের ‘কমিটিতে অনাগ্রহের’ কথা বলছে জেলা ছাত্রলীগ। আর স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বলছেন, ‘এটি জেলা ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দায়িত্ব। এতে আমাদের কোনো হাত নেই।’ 

শনিবার থেকে উপজেলা ছাত্রলীগকর্মীরা একযোগে নিজ নিজ ফেসবুক আইডির মাধ্যমে এই অভিনব প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। দীর্ঘদিন কমিটি না হওয়ায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বেড়ে ওঠা উদ্বিগ্ন কর্মীরা কমিটির দাবিতে আন্দোলনমুখী হতে শুরু করেছেন।

জানা যায়, পদপ্রত্যাশী প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী বিগত দিনের আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে এলেও নতুন কমিটি না হওয়ায় অনেকেই ঝরে পড়ছেন। ফলে নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি হচ্ছে না এই উপজেলায়। পরিচয়হীন ছাত্ররাজনীতি থেকে অনেকেই ঘরমুখী হচ্ছেন বলে দেখা গেছে।

উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, ২০০৩ সালে বাবুগঞ্জ ছাত্রলীগের সম্মেলনের মাধ্যমে তৎকালীন বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মিলন ভূঁইয়ার উপস্থিতিতে আক্তার উজ জামান মিলন মৃধাকে সভাপতি ও মো. রোমানকে সাধারণ সস্পাদক করে দুই বছর মেয়াদি উপজেলা ছাত্রলীগের ৫১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

তিনি বলেন, কমিটিতে আমি সহসভাপতি ছিলাম। পরে সভাপতি মূল আওয়ামী লীগে সক্রিয় হলে আমি ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পাই। আমাদের বয়স হয়েছে। ১৫ বছর আগে ছাত্রত্ব হারিয়েছি। আমারও চাওয়া কমিটি হোক।

কমিটি কেন দেয়া হচ্ছে না প্রশ্নে তিনি বলেন, স্থানীয় মূল সংগঠন ও ছাত্রলীগের জেলার নেতাকর্মীরা বলতে পারবেন। তারাই দায়ী।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খালিদ হোসেন স্বপন বলেন, আওয়ামী লীগের মূলশক্তি হচ্ছে ছাত্রলীগ। কিন্তু কমিটির না হওয়ার জন্য স্থানীয় ছাত্রলীগের সর্বশেষ কমিটির সভাপতিই দায়ী। কারণ যখনই কমিটি দেয়ার প্রশ্ন ওঠে, তখনই তিনি বাগড়া দেন। বলেন, ‘সম্মেলনের মাধ্যমে আমাকে বিদায় দিতে হবে’। কিন্তু এই করোনাকালে সম্মেলন আয়োজন তো কঠিন কাজ।

কমিটি দিতে না পারা নিজেদেরই ব্যর্থতা দাবি করে তিনি বলেন, এখানে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ছাত্রলীগের কমিটি নেই। এতে আমাদেরও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে কষ্ট হয়।

বাবুগঞ্জ আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমদাদুল হক দুলাল বলেন, অচিরেই কমিটি হওয়া বাঞ্ছনীয়। আমরা কমিটি চাই। জেলা ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কাছে সেই অনুরোধ জানাচ্ছি। কমিটি না হওয়ার জন্য আমরা দায়ী না। এটা ছাত্রলীগের কাজ।

তবে ছাত্রলীগের স্থানীয় কর্মীদের অভিযোগ, উপজেলা কমিটি না হওয়ার জন্য এখানের মূল আওয়ামী লীগই দায়ী। কমিটি বন্ধ রাখতে তারাই সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছেন। জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাজ্জাকের বক্তব্যেও সেই কথা ফুটে উঠেছে।

আবদুর রাজ্জাক বলেন, যে কোনো মুহূর্তে আমরা কমিটি দিতে পারি। কমিটির তালিকা প্রস্তুত। কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে সম্মেলন বা প্রতিনিধি সভা ডেকে আমরা এ কমিটি ঘোষণা করব।

কবে নাগাদ এই কমিটি ঘোষণা করবেন; তার সুনির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করতে পারেননি তিনি। কমিটি না হওয়ায় সামাজিকমাধ্যমে প্রতিবাদকারীদের নিয়ে বিব্রত প্রকাশ করে আবদুর রাজ্জাক বলেন, যারা এভাবে শোকের আবহ তৈরির চেষ্টা করছেন, তাদের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। ছাত্রলীগের জন্য এটি বিব্রতকর।

‘কমিটি না হলে তারা স্থানীয় আওয়ামী লীগকে বলবেন, আমাদের জানাবেন। কিন্তু তা না করে ফেসবুকে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এভাবে প্রতিবাদ করলে কিছু আসবে যাবে না। বরিশালে প্রতিবাদ করে কিছু হবে না।’

‘বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগও কমিটি চায় না’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, তারা কখনও আমাদের কমিটি করতে বলেননি। একটিবারের জন্যও না।

‘অথচ তাদের উচিত ছিল– আমাদের একটি খসড়া তালিকা দেয়া; সেখান থেকে যারা আওয়ামী লীগ ও স্বাধীনতাযুদ্ধে অবদান আছে এমন পরিবার থেকে আসা কর্মীদের একটি সম্মেলনের মাধ্যমে বেছে নিতাম।’

গত ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে কমিটি প্রসঙ্গে পদপ্রত্যাশীরা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী ইমদাদুল হক দুলাল ও সাধারণ সম্পাদক সরদার খালেদ হোসেন স্বপনের দারস্থ হলে তারা দলীয় বর্ধিতসভা ডেকে বিষয়টি সমাধান করার আশ্বাস দেন।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সুমন সেরনিয়াবাত স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে। অচিরেই নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করে কমিটি গঠন করা হবে।

বাবুগঞ্জ ছাত্রলীগের সর্বশেষ কমিটির সভাপতি আক্তার উজ জামান মিলন বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের ২০১২ সালে সম্মেলনে আমি সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ পেয়েছি। দ্বিতীয় সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হিসেবে আছি। আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুসারে এক ব্যক্তি একই সময়ে দুই পদে থাকতে পারেন না। কাজেই আমি ছাত্রলীগের কোনো দায়িত্বে এখন নেই।

তিনি বলেন, উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি গঠনে আমার হাত নেই। এটা জেলা ছাত্রলীগের কাজ। আবু সুফিয়ান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে অনেক বৈঠকে অংশ নেন।

মিলন মৃধা বলেন, ছাত্রলীগের সম্মেলনে আমার যে দায়দায়িত্ব পালন করার কথা আমি সেটি করব। জেলা যদি বলে সম্মেলনের আয়োজন করতে, তবে সেটি করব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন