ফুলপুরে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানসহ ৫ পরিবার গৃহবন্দি
jugantor
ফুলপুরে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানসহ ৫ পরিবার গৃহবন্দি

  ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

০৯ জানুয়ারি ২০২১, ২১:০১:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ফুলপুরে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানসহ ৫ পরিবারের গৃহবন্দি অবস্থা।

ময়মনসিংহের ফুলপুরে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানসহ ৫ পরিবারের গৃহবন্দি অবস্থা নিয়ে গত ৬ দিন ধরে এলাকায় তোলপাড় চলছে। বিভিন্নজনের কাছে ধরনা দিয়েও সুরাহা পাচ্ছে না পরিবারগুলো।

জানা যায়, ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দক্ষিণ সীমানা প্রাচীর ঘেঁষা ৫৬ শতাংশ জমি নিয়ে সুরুজ ডাক্তারের পরিবার ১৯৮৪ সাল থেকে বসবাস করছেন। সুরুজ ডাক্তারের মুত্যুর পর পুত্রবধূ বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আলীর কন্যা ইফফাত আরা সাথীসহ তাদের ৫টি পরিবার বসবাস করছে। পৌর আইন ভঙ্গ করে ৩ ফুট জায়গা না রেখে আশপাশের বাসিন্দারা চারিদিকে বাসাবাড়ি করায় পরিবারটি দিনদিনই অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। এতে পরিবারগুলো বাধ্য হয়ে হাসপাতালের ভাঙা দেওয়ালের উপর দিয়ে যাতায়াত করছিল। এছাড়া স্থানীয়ভাবে রাস্তা চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন-নিবেদনসহ প্রতিবেশীদের কাছে ধরনা দিচ্ছিল। সোমবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঠিকাদার দেওয়াল মেরামত করে সেই পথটিও বন্ধ করে দেন। এতে পরিবারগুলো সম্পূর্ণ গৃহবন্দি হয়ে পড়ে।

ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা কন্যা ইফফাত আরা সাথী ফুলপুর হাসপাতালের হারবাল অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে কর্মরত। তিনিও পথের অনুরোধ জানিয়ে ব্যর্থ হন। পরিবারটি অবরুদ্ধ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কয়েকটি ইট সরিয়ে পরিবারটিকে দেওয়াল টপকিয়ে ১৫ দিনের জন্য চলাচলের সুযোগ দেয়া হয়।

পৌরসভার মেয়র মো. আমিনুল ইসলাম জানান, জমি নিয়ে বিরোধ থাকায় বহু চেষ্টা করেও রাস্তা করা সম্ভব হয়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাশিদুজ্জামান খান জানান, আরো ৪টি পথ ছিল; যা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এদিক দিয়ে খোলা রাখলে অন্যরাও খোলা রাখার দাবি উঠাবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তার স্বার্থে এভাবে রাস্তা খোলা রাখা সম্ভব নয়।

ফুলপুরে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানসহ ৫ পরিবার গৃহবন্দি

 ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
০৯ জানুয়ারি ২০২১, ০৯:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ফুলপুরে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানসহ ৫ পরিবারের গৃহবন্দি অবস্থা।
ফুলপুরে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানসহ ৫ পরিবারের গৃহবন্দি অবস্থা।

ময়মনসিংহের ফুলপুরে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানসহ ৫ পরিবারের গৃহবন্দি অবস্থা নিয়ে গত ৬ দিন ধরে এলাকায় তোলপাড় চলছে। বিভিন্নজনের কাছে ধরনা দিয়েও সুরাহা পাচ্ছে না পরিবারগুলো।

 

জানা যায়, ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দক্ষিণ সীমানা প্রাচীর ঘেঁষা ৫৬ শতাংশ জমি নিয়ে সুরুজ ডাক্তারের পরিবার ১৯৮৪ সাল থেকে বসবাস করছেন। সুরুজ ডাক্তারের মুত্যুর পর পুত্রবধূ বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আলীর কন্যা ইফফাত আরা সাথীসহ তাদের ৫টি পরিবার বসবাস করছে। পৌর আইন ভঙ্গ করে ৩ ফুট জায়গা না রেখে আশপাশের বাসিন্দারা চারিদিকে বাসাবাড়ি করায় পরিবারটি দিনদিনই অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। এতে পরিবারগুলো বাধ্য হয়ে হাসপাতালের ভাঙা দেওয়ালের উপর দিয়ে যাতায়াত করছিল। এছাড়া স্থানীয়ভাবে রাস্তা চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন-নিবেদনসহ প্রতিবেশীদের কাছে ধরনা দিচ্ছিল। সোমবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঠিকাদার দেওয়াল মেরামত করে সেই পথটিও বন্ধ করে দেন। এতে পরিবারগুলো সম্পূর্ণ গৃহবন্দি হয়ে পড়ে।

 

ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা কন্যা ইফফাত আরা সাথী ফুলপুর হাসপাতালের হারবাল অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে কর্মরত। তিনিও পথের অনুরোধ জানিয়ে ব্যর্থ হন। পরিবারটি অবরুদ্ধ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কয়েকটি ইট সরিয়ে পরিবারটিকে দেওয়াল টপকিয়ে ১৫ দিনের জন্য চলাচলের সুযোগ দেয়া হয়। 

 

পৌরসভার মেয়র মো. আমিনুল ইসলাম জানান, জমি নিয়ে বিরোধ থাকায় বহু চেষ্টা করেও রাস্তা করা সম্ভব হয়নি।

 

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাশিদুজ্জামান খান জানান, আরো ৪টি পথ ছিল; যা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এদিক দিয়ে খোলা রাখলে অন্যরাও খোলা রাখার দাবি উঠাবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তার স্বার্থে এভাবে রাস্তা খোলা রাখা সম্ভব নয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন