চারঘাটে সংঘর্ষের ঘটনায় ২ মামলা, গ্রেফতার ১৩
jugantor
চারঘাটে সংঘর্ষের ঘটনায় ২ মামলা, গ্রেফতার ১৩

  চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধি  

১০ জানুয়ারি ২০২১, ১৪:৪৩:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

গ্রেফতার

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় রেজাউল করিম (৫০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১৩ আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার রাতে নিহত রেজাউল করিমের ছেলে আব্দুল্লাহ মণ্ডল বাদী হয়ে ৪৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে চারঘাট মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।

অন্যদিকে পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধাদানসহ বিভিন্ন অপরাধে আরও ৩০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন পুঠিয়া থানা পুলিশ।

চারঘাট মডেল থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, শনিবার দুপুরে উপজেলার শিবপুর ও পুঠিয়া থানার দীঘলকান্দী দুই গ্রামবাসীর মধ্যে তুচ্ছ ঘটনা কেন্দ্র করে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় শিবপুর এলাকার হালিমের ছেলে রেজাউল করিম মারা যান।

এ ঘটনায় শনিবার রাতেই নিহত রেজাউল করিমের ছেলে আব্দুল্লাহ মণ্ডল বাদী হয়ে ৪৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেছেন।

অন্যদিকে ওই ঘটনায় পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধাদানসহ বিভিন্ন অপরাধে পুলিশ বাদী হয়ে পুঠিয়া থানায় ৩০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতানামাদের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা করা হয়েছে।

ঘটনার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চারঘাট ও পুঠিয়া থানার বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে দীঘলকান্দি গ্রামের ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এদিকে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষে রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ডের পর থেকে পুলিশের গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কায় এলাকার পরিবেশ থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

উল্লেখ্য, আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে চারঘাট উপজেলার শিবপুর ও পুঠিয়া উপজেলার দীঘলকান্দি গ্রামবাসীর মধ্যে গত কয়েক দিন ধরেই ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে আসছিল।

এ নিয়ে শনিবার দুপুরের দিকে চারঘাট সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নুরে আলম সিদ্দিকী, উপজেলা চেয়ারম্যান ফকরুল ইসলাম, চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম পুঠিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান জিএম হীরা বাচ্চু, পুঠিয়া থানা পুলিশ সমঝোতার চেষ্টার সময় অতর্কিতভাবে দীঘলকান্দি গ্রামের কয়েকজন যুবক শিবপুর গ্রামবাসীর ওপর হামলা চালায়।

এতে শিবপুর গ্রামের হালিমের ছেলে রেজাউল করিম মারা যান।

ওসি বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত রয়েছেন, আমরা তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনতে সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রেখেছি।

চারঘাটে সংঘর্ষের ঘটনায় ২ মামলা, গ্রেফতার ১৩

 চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধি 
১০ জানুয়ারি ২০২১, ০২:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
গ্রেফতার
ফাইল ছবি

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় রেজাউল করিম (৫০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১৩ আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার রাতে নিহত রেজাউল করিমের ছেলে আব্দুল্লাহ মণ্ডল বাদী হয়ে ৪৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে চারঘাট মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।

অন্যদিকে পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধাদানসহ বিভিন্ন অপরাধে আরও ৩০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন পুঠিয়া থানা পুলিশ।

চারঘাট মডেল থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, শনিবার দুপুরে উপজেলার শিবপুর ও পুঠিয়া থানার দীঘলকান্দী দুই গ্রামবাসীর মধ্যে তুচ্ছ ঘটনা কেন্দ্র করে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় শিবপুর এলাকার হালিমের ছেলে রেজাউল করিম মারা যান। 

এ ঘটনায় শনিবার রাতেই নিহত রেজাউল করিমের ছেলে আব্দুল্লাহ মণ্ডল বাদী হয়ে ৪৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেছেন।

অন্যদিকে ওই ঘটনায় পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধাদানসহ বিভিন্ন অপরাধে পুলিশ বাদী হয়ে পুঠিয়া থানায় ৩০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতানামাদের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা করা হয়েছে। 

ঘটনার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চারঘাট ও পুঠিয়া থানার বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে দীঘলকান্দি গ্রামের ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এদিকে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষে রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ডের পর থেকে পুলিশের গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কায় এলাকার পরিবেশ থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

উল্লেখ্য, আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে চারঘাট উপজেলার শিবপুর ও পুঠিয়া উপজেলার দীঘলকান্দি গ্রামবাসীর মধ্যে গত কয়েক দিন ধরেই ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে আসছিল। 

এ নিয়ে শনিবার দুপুরের দিকে চারঘাট সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নুরে আলম সিদ্দিকী, উপজেলা চেয়ারম্যান ফকরুল ইসলাম, চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম পুঠিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান জিএম হীরা বাচ্চু, পুঠিয়া থানা পুলিশ সমঝোতার চেষ্টার সময় অতর্কিতভাবে দীঘলকান্দি গ্রামের কয়েকজন যুবক শিবপুর গ্রামবাসীর ওপর হামলা চালায়। 

এতে শিবপুর গ্রামের হালিমের ছেলে রেজাউল করিম মারা যান।

ওসি বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত রয়েছেন, আমরা তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনতে সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রেখেছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন