গ্রামে বাঘের পায়ের ছাপ! মানুষ আতঙ্ক
jugantor
গ্রামে বাঘের পায়ের ছাপ! মানুষ আতঙ্ক

  শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি  

১০ জানুয়ারি ২০২১, ২১:৫০:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

গ্রামে বাঘের পায়ের ছাপ

শরণখোলার লোকালয়ে আবারো বাঘ আতঙ্ক! শনিবার রাতে সুন্দরবন থেকে একটি বাঘ উপজেলার দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামে ঢুকে পড়ে। বাঘটি ওই গ্রামের প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিচরণ শেষে আবার বনে ফিরে যায়।

বাঘের পায়ের অসংখ্য ছাপ পড়ে রয়েছে গ্রামের ফসলের মাঠ, মাছের ঘের, নদীর চরে। রোববার সকালে বাঘের পায়ের ছাপ নজরে আসে গ্রামবাসীর।

বনবিভাগ জানায়, গত শুক্রবার রাতে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দাসের ভারাণী টহল ফাঁড়ি সংলগ্ন খাল সাঁতরে বাঘটি গ্রামে চলে আসে। রাতে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে শনিবার সকালে নাংলী টহল ফাঁড়ির কাছ দিয়ে বাঘটি আবার বনে ফিরে যায়। এর তিন মাস আগে আরও একটি বাঘ পশ্চিম রাজাপুর গ্রামে এসেছিল।

এদিকে বাঘ আসার খবরে দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছেন।

গ্রামের বাসিন্দা ইব্রাহীম খান, সোবাহন হাওলাদার জানান, তাদের গরু-মহিষ রক্ষায় গোয়ালে শক্ত ঘেরা দিয়ে রাতে আলো জ্বালিয়ে রাখার ব্যবস্থা করেছেন।

ওয়াইল্ড টিমরে শরণখোলার মাঠ কর্মকর্তা আলম হাওলাদার ও ভিটিআরটির দাসের ভারাণী ইউনিটের সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমীন সুমন জানান, প্রায় দেড় কিলোমিটার ঘুরে বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য পায়ের ছাপ দেখতে পান। পরিমাপ করে দেখা গেছে পায়ের ছাপের ব্যাসার্ধ ৯ সেন্টিমিটার। ছাপের আকৃতি দেখে বাঘটি ‘মাদি’ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বনবিভাগের দাসের ভারাণী টহল ফাঁড়ি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম জানান, বনরক্ষীরা গ্রামবাসীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক (এসিএফ) মো. জয়নাল আবেদীন জানান, রোববার বিকালে শরণখোলা স্টেশন কর্মকর্তার নেতৃত্বে বনরক্ষীদের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।

গ্রামে বাঘের পায়ের ছাপ! মানুষ আতঙ্ক

 শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি 
১০ জানুয়ারি ২০২১, ০৯:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
গ্রামে বাঘের পায়ের ছাপ
গ্রামে বাঘের পায়ের ছাপ

শরণখোলার লোকালয়ে আবারো বাঘ আতঙ্ক! শনিবার রাতে সুন্দরবন থেকে একটি বাঘ উপজেলার দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামে ঢুকে পড়ে। বাঘটি ওই গ্রামের প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিচরণ শেষে আবার বনে ফিরে যায়।

বাঘের পায়ের অসংখ্য ছাপ পড়ে রয়েছে গ্রামের ফসলের মাঠ, মাছের ঘের, নদীর চরে। রোববার সকালে বাঘের পায়ের ছাপ নজরে আসে গ্রামবাসীর।

বনবিভাগ জানায়, গত শুক্রবার রাতে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দাসের ভারাণী টহল ফাঁড়ি সংলগ্ন খাল সাঁতরে বাঘটি গ্রামে চলে আসে। রাতে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে শনিবার সকালে নাংলী টহল ফাঁড়ির কাছ দিয়ে বাঘটি আবার বনে ফিরে যায়। এর তিন মাস আগে আরও একটি বাঘ পশ্চিম রাজাপুর গ্রামে এসেছিল।

এদিকে বাঘ আসার খবরে দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছেন।

গ্রামের বাসিন্দা ইব্রাহীম খান, সোবাহন হাওলাদার জানান, তাদের গরু-মহিষ রক্ষায় গোয়ালে শক্ত ঘেরা দিয়ে রাতে আলো জ্বালিয়ে রাখার ব্যবস্থা করেছেন।

ওয়াইল্ড টিমরে শরণখোলার মাঠ কর্মকর্তা আলম হাওলাদার ও ভিটিআরটির দাসের ভারাণী ইউনিটের সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমীন সুমন জানান, প্রায় দেড় কিলোমিটার ঘুরে বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য পায়ের ছাপ দেখতে পান। পরিমাপ করে দেখা গেছে পায়ের ছাপের ব্যাসার্ধ ৯ সেন্টিমিটার। ছাপের আকৃতি দেখে বাঘটি ‘মাদি’ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বনবিভাগের দাসের ভারাণী টহল ফাঁড়ি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম জানান, বনরক্ষীরা গ্রামবাসীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক (এসিএফ) মো. জয়নাল আবেদীন জানান, রোববার বিকালে শরণখোলা স্টেশন কর্মকর্তার নেতৃত্বে বনরক্ষীদের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন