এতিম শিশুদের পিঠা উৎসব
jugantor
এতিম শিশুদের পিঠা উৎসব

  নড়াইল প্রতিনিধি  

১১ জানুয়ারি ২০২১, ২১:০২:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

এতিম শিশুদের নিয়ে আয়োজিত আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেজুর রসের পিঠা উৎসব।

দেশব্যাপী জেঁকে বসেছে শীত। আর এই শীতকে উপভোগ্য করতে নড়াইলে দেড় শতাধিক এতিম শিশুদের নিয়ে আয়োজন করা হলো আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেজুর রসের পিঠা উৎসব। এ উৎসবকে ঘিরে মা-বাবা হারা এসব এতিম শিশুদের যেন আনন্দের শেষ ছিল না। নিজেদের হাতে তৈরি পিঠা ভাগাভাগি করে খেয়েছেন তারা। এ যেন এক অন্যরকম অনুভূতি।

সদর উপজেলার সীমানন্দপুর গ্রামে ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত আজিজুর রহমান বালিকা সমাজসেবা এতিমখানা দুই শতাধিক এতিম শিশুদের বসবাস। সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত এতিম সদস্যের সংখ্যা ১৪০ জন। মা-বাবা হারা এসব এতিম শিশুদের কষ্ট লাঘবে আয়োজন করা হয় খেজুর রসে ভেজানো পিঠা উৎসব।

এতিমখানা নিবাসী মদিনা খানম, মাহমুদা খানম, নাঈমা সুলতানা, রূপালী খানম, সুমাইয়া, শান্তা, সাদিয়া, মাসুরা, জাকিয়া, কুলসম, লাবনীসহ অনেকেই জানায়, আমরা বিভিন্ন এলাকার বোনেরা সবাই একসাথে এতিমখানায় বাস করি। আমাদের কারও মা আবার কারও আব্বা নেই। আমরা একলাইনে বসে একসাথে খেয়েছি।

এতিমখানার তত্ত্বাবধায়ক মো. আব্দুল কাদের বলেন, নড়াইলসহ দেশের বিভিন্ন জেলার শিশুরা এই এতিমখানায় বসবাস করে। এখানে দুই শতাধিক মেয়ে রয়েছে। আমরা ১৪০ জন এতিম শিশুর জন্য সরকারি অনুদান পেয়ে থাকি।

এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা চন্ডিবরপুর ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে খরচ বহন করা অনেকটা কঠিন হয়ে পড়েছে। বাকি সব এতিমদের ভরণ-পোষণ বিত্তবানদের সহযোগিতায় চলে। এতিম শিশুদের লালন-পালন ও জীবনমান উন্নয়নে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

এতিম শিশুদের পিঠা উৎসব

 নড়াইল প্রতিনিধি 
১১ জানুয়ারি ২০২১, ০৯:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
এতিম শিশুদের নিয়ে আয়োজিত আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেজুর রসের পিঠা উৎসব।
এতিম শিশুদের নিয়ে আয়োজিত আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেজুর রসের পিঠা উৎসব।

দেশব্যাপী জেঁকে বসেছে শীত। আর এই শীতকে উপভোগ্য করতে নড়াইলে দেড় শতাধিক এতিম শিশুদের নিয়ে আয়োজন করা হলো আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেজুর রসের পিঠা উৎসব। এ উৎসবকে ঘিরে মা-বাবা হারা এসব এতিম শিশুদের যেন আনন্দের শেষ ছিল না। নিজেদের হাতে তৈরি পিঠা ভাগাভাগি করে খেয়েছেন তারা। এ যেন এক অন্যরকম অনুভূতি।

সদর উপজেলার সীমানন্দপুর গ্রামে ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত আজিজুর রহমান বালিকা সমাজসেবা এতিমখানা দুই শতাধিক এতিম শিশুদের বসবাস। সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত এতিম সদস্যের সংখ্যা ১৪০ জন। মা-বাবা হারা এসব এতিম শিশুদের কষ্ট লাঘবে আয়োজন করা হয় খেজুর রসে ভেজানো পিঠা উৎসব।

 

এতিমখানা নিবাসী মদিনা খানম, মাহমুদা খানম, নাঈমা সুলতানা, রূপালী খানমসুমাইয়া, শান্তা, সাদিয়া, মাসুরা, জাকিয়া, কুলসম, লাবনীসহ অনেকেই জানায়, আমরা বিভিন্ন এলাকার বোনেরা সবাই একসাথে এতিমখানায় বাস করি। আমাদের কারও মা আবার কারও আব্বা নেই। আমরা একলাইনে বসে একসাথে খেয়েছি।

এতিমখানার তত্ত্বাবধায়ক মো. আব্দুল কাদের বলেন, নড়াইলসহ দেশের বিভিন্ন জেলার শিশুরা এই এতিমখানায় বসবাস করে। এখানে দুই শতাধিক মেয়ে রয়েছে। আমরা ১৪০ জন এতিম শিশুর জন্য সরকারি অনুদান পেয়ে থাকি।

এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা চন্ডিবরপুর ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে খরচ বহন করা অনেকটা কঠিন হয়ে পড়েছে। বাকি সব এতিমদের ভরণ-পোষণ বিত্তবানদের সহযোগিতায় চলে। এতিম শিশুদের লালন-পালন ও জীবনমান উন্নয়নে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন