বানর-কুকুরের খুনসুটি!
jugantor
বানর-কুকুরের খুনসুটি!

  খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি  

১২ জানুয়ারি ২০২১, ১৫:০০:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

বানর-কুকুরের খুনসুটি!

কুকুর দেখলে বানর যেখানে দৌড় পালায়, সেখানে তারা গড়ে তুলেছে সখ্যতা। তারা একসঙ্গে পুরো বাড়ি চষে বেড়ায়। বিস্কুট, ভাতসহ নানান খাবার তারা একসঙ্গে খায়।

খাগড়াছড়ির পানছড়ির ঝর্ণাটিলায় বানর-কুকুরের এমন খুনসুটি দেখে মুগ্ধ স্থানীয়রা। খবর পেয়ে দূরদূরান্ত থেকে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন দর্শনার্থীরাও।

জানা যায়, পানছড়ি-মাটিরাঙ্গা উপজেলার সীমান্তবর্তী ঝর্ণাটিলায় নানান জাতের ফলদ ও বনজ বাগান সাজিয়েছেন রেজাউল করিম ও আবদুল খালেক। তাদের বাগানের পরিচর্যা করেন মো. হারুণ-অর রশিদ। একটি কালো কুকুর বাগানের পাহারাদার।

হারুণ-অর রশিদ বলেন, লিচু, বড়ই, কলাসহ বিভিন্ন ফলবাগানে প্রায়ই বানর উপদ্রব চালায়। গত মাস সাতেক আগে বানরের একটি বাচ্চা বাগানে পড়ে থাকতে দেখে বাড়ির সবাই মিলে তাকে সুস্থ করে তুলি। এর পর থেকেই বানরটি পরিবারের সদস্যের মতো।

তবে এরই মধ্যে বাগানের পাহারাদার কালো কুকুরটির সঙ্গে গড়ে ওঠে ওই বানরের সখ্যতা। বর্তমানে দুজন দুজনার। তাদের সঙ্গে রয়েছে গৃহপালিত প্রায় ২০-২৫টি মুরগি।

বাড়ির সদস্য জুয়েল ও সোহেল জানান, বানর, কুকুর ও বাড়ির পালিত মুরগিগুলো একসঙ্গে পুরো বাড়ি চষে বেড়ায়। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো– দুপুরে কুকুর, বানর, হাঁস-মুরগি মিলে একসঙ্গে খাওয়ার দৃশ্যটি মন কেড়ে নেয় সবার।

কুকুর-বানরের সখ্যতার ব্যাপারে জানতে চাইলে পানছড়ি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ভাস্কর তালুকদার বলেন, এ ব্যাপারে আমার কোনো ধারণা নেই। তাই কিছু বলা যাচ্ছে না।

বানর-কুকুরের খুনসুটি!

 খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি 
১২ জানুয়ারি ২০২১, ০৩:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বানর-কুকুরের খুনসুটি!
ছবি: যুগান্তর

কুকুর দেখলে বানর যেখানে দৌড় পালায়, সেখানে তারা গড়ে তুলেছে সখ্যতা। তারা একসঙ্গে পুরো বাড়ি চষে বেড়ায়। বিস্কুট, ভাতসহ নানান খাবার তারা একসঙ্গে খায়। 

খাগড়াছড়ির পানছড়ির ঝর্ণাটিলায় বানর-কুকুরের এমন খুনসুটি দেখে মুগ্ধ স্থানীয়রা। খবর পেয়ে দূরদূরান্ত থেকে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন দর্শনার্থীরাও। 

জানা যায়, পানছড়ি-মাটিরাঙ্গা উপজেলার সীমান্তবর্তী ঝর্ণাটিলায় নানান জাতের ফলদ ও বনজ বাগান সাজিয়েছেন রেজাউল করিম ও আবদুল খালেক। তাদের বাগানের পরিচর্যা করেন মো. হারুণ-অর রশিদ। একটি কালো কুকুর বাগানের পাহারাদার। 

হারুণ-অর রশিদ বলেন, লিচু, বড়ই, কলাসহ বিভিন্ন ফলবাগানে প্রায়ই বানর উপদ্রব চালায়। গত মাস সাতেক আগে বানরের একটি বাচ্চা বাগানে পড়ে থাকতে দেখে বাড়ির সবাই মিলে তাকে সুস্থ করে তুলি। এর পর থেকেই বানরটি পরিবারের সদস্যের মতো। 

তবে এরই মধ্যে বাগানের পাহারাদার কালো কুকুরটির সঙ্গে গড়ে ওঠে ওই বানরের সখ্যতা। বর্তমানে দুজন দুজনার। তাদের সঙ্গে রয়েছে গৃহপালিত প্রায় ২০-২৫টি মুরগি। 

বাড়ির সদস্য জুয়েল ও সোহেল জানান, বানর, কুকুর ও বাড়ির পালিত মুরগিগুলো একসঙ্গে পুরো বাড়ি চষে বেড়ায়। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো– দুপুরে কুকুর, বানর, হাঁস-মুরগি মিলে একসঙ্গে খাওয়ার দৃশ্যটি মন কেড়ে নেয় সবার। 

কুকুর-বানরের সখ্যতার ব্যাপারে জানতে চাইলে পানছড়ি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ভাস্কর তালুকদার বলেন, এ ব্যাপারে আমার কোনো ধারণা নেই। তাই কিছু বলা যাচ্ছে না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন