‘আল্লামা শফীর লাশ উত্তোলনের প্রয়োজন হবে না’
jugantor
‘আল্লামা শফীর লাশ উত্তোলনের প্রয়োজন হবে না’

  হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি  

১২ জানুয়ারি ২০২১, ১৯:৩৭:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

‘আল্লামা শফীর লাশ উত্তোলনের প্রয়োজন হবে না’

আল্লামা শাহ আহমদ শফী হত্যার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার তদন্তে লাশ উত্তোলনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার হাটহাজারী মাদ্রাসা পরিদর্শন করেছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন পিবিআইয়ের তদন্ত দল।

সেখানে পিবিআইয়ের চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. ইকবাল সাংবাদিকদের বলেন, যে আর্জি করা হয়েছে সেখানে লাশ তোলার মতো কিছু নেই। অবহেলাজনিত মৃত্যু ৩০৪ ধারায় মামলা, সেখানে দেহে আঘাত থাকার মতো কিছু নাই।

এদিন বেলা ১১টার দিকে হাটহাজারী মাদ্রাসার পরিদর্শনে আসেন পিবিআইয়ের তদন্ত টিমসহ সিনিয়র কর্মকর্তারা। তারা সেখানে তিন ঘণ্টা ধরে অবস্থান করেন।

পিবিআইয়ের এসপি মোহাম্মদ ইকবাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাটহাজারী সার্কেল আবদুল্লাহ-আল-মাসুম, এএসপি (ডিএসবি) মোহাম্মদ নাজমুল, শফি হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. মনির হোসেন, হাটহাজারী মডেল থানার ওসি রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

হাটহাজারী মাদ্রাসা এবং ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে অন্তত ২৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তারা।

হাটহাজারী মাদ্রাসায় জুনাইদ বাবুনগরীসহ ১৫ জনের এবং বাবুনগর মাদ্রাসায় আরও ১২ জনের সঙ্গে কথা বলে পিবিআই টিম।

হাটহাজারীতে তদন্তকারী কর্মকর্তারা জুনায়েদ বাবুনগরী সঙ্গে মামলার বিষয়ে কথা বলেন।

এ সময় মাদ্রাসার পক্ষ থেকে মাদ্রাসার পরিচালন কমিটির সদস্য মাওলানামা শেখ আহমদ, মাওলানা ইয়াহিয়া, মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী, মাওলানা ওমর মেখলী, বাবুনগরীর খাদেম ইনামুল হাসান ফারুকী, মো. জুনায়েদ ও মাদ্রাসার বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত ১৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিবলু কুমার দে’র আদালতে মামলাটি দায়ের করেন আল্লামা শফীর শ্যালক মোহাম্মদ মাঈনুদ্দিন। আদালত মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেন।

আদালতে এক মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।

এ মামলায় হেফাজত নেতা মাওলানা মামুনুল হক, নাছির উদ্দিন মুনির, আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মীর ইদ্রিস, হাবিব উল্লাহ, আহসান উল্লাহ, জাকারিয়া নোমান ফয়েজীসহ সুনিদিষ্ট নেতাকর্মী ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ৮০-৯০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

‘আল্লামা শফীর লাশ উত্তোলনের প্রয়োজন হবে না’

 হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 
১২ জানুয়ারি ২০২১, ০৭:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
‘আল্লামা শফীর লাশ উত্তোলনের প্রয়োজন হবে না’
হাটহাজারী মাদ্রাসায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন পিবিআইয়ের তদন্ত দল। ছবি: যুগান্তর

আল্লামা শাহ আহমদ শফী হত্যার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার তদন্তে লাশ উত্তোলনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

মঙ্গলবার হাটহাজারী মাদ্রাসা পরিদর্শন করেছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন পিবিআইয়ের তদন্ত দল।

সেখানে পিবিআইয়ের চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. ইকবাল সাংবাদিকদের বলেন, যে আর্জি করা হয়েছে সেখানে লাশ তোলার মতো কিছু নেই। অবহেলাজনিত মৃত্যু ৩০৪ ধারায় মামলা, সেখানে দেহে আঘাত থাকার মতো কিছু নাই।

এদিন বেলা ১১টার দিকে হাটহাজারী মাদ্রাসার পরিদর্শনে আসেন পিবিআইয়ের তদন্ত টিমসহ সিনিয়র কর্মকর্তারা। তারা সেখানে তিন ঘণ্টা ধরে অবস্থান করেন।
 
পিবিআইয়ের এসপি মোহাম্মদ ইকবাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাটহাজারী সার্কেল আবদুল্লাহ-আল-মাসুম, এএসপি (ডিএসবি) মোহাম্মদ নাজমুল, শফি হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. মনির হোসেন, হাটহাজারী মডেল থানার ওসি রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

হাটহাজারী মাদ্রাসা এবং ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে অন্তত ২৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তারা।

হাটহাজারী মাদ্রাসায় জুনাইদ বাবুনগরীসহ ১৫ জনের এবং বাবুনগর মাদ্রাসায় আরও ১২ জনের সঙ্গে কথা বলে পিবিআই টিম। 

হাটহাজারীতে তদন্তকারী কর্মকর্তারা জুনায়েদ বাবুনগরী সঙ্গে মামলার বিষয়ে কথা বলেন।

এ সময় মাদ্রাসার পক্ষ থেকে মাদ্রাসার পরিচালন কমিটির সদস্য মাওলানামা শেখ আহমদ, মাওলানা ইয়াহিয়া, মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী, মাওলানা ওমর মেখলী, বাবুনগরীর খাদেম ইনামুল হাসান ফারুকী, মো. জুনায়েদ ও মাদ্রাসার বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত ১৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিবলু কুমার দে’র আদালতে মামলাটি দায়ের করেন আল্লামা শফীর শ্যালক মোহাম্মদ মাঈনুদ্দিন। আদালত মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেন। 

আদালতে এক মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।

এ মামলায় হেফাজত নেতা মাওলানা মামুনুল হক, নাছির উদ্দিন মুনির, আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মীর ইদ্রিস, হাবিব উল্লাহ, আহসান উল্লাহ, জাকারিয়া নোমান ফয়েজীসহ সুনিদিষ্ট নেতাকর্মী ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ৮০-৯০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : আল্লামা শফী আর নেই

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন