মামলা আমার নামে হয়নি, ওদেরকে জিজ্ঞেস করুন: বাবুনগরী (ভিডিও)
jugantor
মামলা আমার নামে হয়নি, ওদেরকে জিজ্ঞেস করুন: বাবুনগরী (ভিডিও)

  যুগান্তর ডেস্ক  

১২ জানুয়ারি ২০২১, ২০:৫৬:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

হাটহাজারী মাদ্রাসায় পিবিআইয়ের তদন্ত দলের সঙ্গে জুনায়েদ বাবুনগরী। ছবি: সংগৃহীত

আল্লামা আহমদ শফী হত্যার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলা নিয়ে মিডিয়ায় মুখ খুলতে চাননি হেফাজতের বর্তমান আমীর মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী।

মঙ্গলবার হাটহাজারী মাদ্রাসা পরিদর্শন করে পিবিআইয়ের তদন্ত দল বাবুনগরীসহ ১৫ জনের সঙ্গে কথা বলেন। পরে এ বিষয়ে কথা বলতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন হেফাজত আমীর।

সেখানে তিনি বলেন, ‘ওনারা আসছিলেন। সেখানে আমি ছিলাম, শেখ আহমদ সাহেব ছিলেন, মোহাদ্দেস ইয়াহইয়া সাহেব ছিলেন, ওমর সাহেব ছিলেন। যা যা জিজ্ঞেস করছে, আমরা সব বলে ফেলছি।’

কী বিষয়ে কথা হয়েছিল জানতে চাইলে বাবুনগরী বলেন, ‘এগুলো বলা যাবে না। মামলা আমার নামে হয়নি, ওদেরকে জিজ্ঞেস করুন। আপনাদেরকে আমি চিনি। আপনারা আমাকে প্যাঁচাইতে পারবেন না। আমি ১০০ এর বেশি সংবাদ সম্মেলন করেছি। আপনারা যতবার বলবেন আমার কথা একটাই।’

এদিন বেলা ১১টার দিকে হাটহাজারী মাদ্রাসার পরিদর্শনে আসেন পিবিআইয়ের তদন্ত টিমসহ সিনিয়র কর্মকর্তারা। তারা সেখানে তিন ঘণ্টা ধরে অবস্থান করেন।

পিবিআইয়ের এসপি মোহাম্মদ ইকবাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাটহাজারী সার্কেল আবদুল্লাহ-আল-মাসুম, এএসপি (ডিএসবি) মোহাম্মদ নাজমুল, শফি হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. মনির হোসেন, হাটহাজারী মডেল থানার ওসি রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

হাটহাজারী মাদ্রাসা এবং ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে অন্তত ২৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তারা।

হাটহাজারী মাদ্রাসায় জুনাইদ বাবুনগরীসহ ১৫ জনের এবং বাবুনগর মাদ্রাসায় আরও ১২ জনের সঙ্গে কথা বলে পিবিআই টিম।

এ সময় মাদ্রাসার পক্ষ থেকে মাদ্রাসার পরিচালন কমিটির সদস্য মাওলানামা শেখ আহমদ, মাওলানা ইয়াহিয়া, মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী, মাওলানা ওমর মেখলী, বাবুনগরীর খাদেম ইনামুল হাসান ফারুকী, মো. জুনায়েদ ও মাদ্রাসার বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত ১৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিবলু কুমার দে’র আদালতে মামলাটি দায়ের করেন আল্লামা শফীর শ্যালক মোহাম্মদ মাঈনুদ্দিন। আদালত মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেন।

আদালতে এক মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।

এ মামলায় হেফাজত নেতা মাওলানা মামুনুল হক, নাছির উদ্দিন মুনির, আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মীর ইদ্রিস, হাবিব উল্লাহ, আহসান উল্লাহ, জাকারিয়া নোমান ফয়েজীসহ সুনিদিষ্ট নেতাকর্মী ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ৮০-৯০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলা আমার নামে হয়নি, ওদেরকে জিজ্ঞেস করুন: বাবুনগরী (ভিডিও)

 যুগান্তর ডেস্ক 
১২ জানুয়ারি ২০২১, ০৮:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
হাটহাজারী মাদ্রাসায় পিবিআইয়ের তদন্ত দলের সঙ্গে জুনায়েদ বাবুনগরী। ছবি: সংগৃহীত
হাটহাজারী মাদ্রাসায় পিবিআইয়ের তদন্ত দলের সঙ্গে জুনায়েদ বাবুনগরী। ছবি: সংগৃহীত

আল্লামা আহমদ শফী হত্যার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলা নিয়ে মিডিয়ায় মুখ খুলতে চাননি হেফাজতের বর্তমান আমীর মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী।  

মঙ্গলবার হাটহাজারী মাদ্রাসা পরিদর্শন করে পিবিআইয়ের তদন্ত দল বাবুনগরীসহ ১৫ জনের সঙ্গে কথা বলেন। পরে এ বিষয়ে কথা বলতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন হেফাজত আমীর। 

সেখানে তিনি বলেন, ‘ওনারা আসছিলেন। সেখানে আমি ছিলাম, শেখ আহমদ সাহেব ছিলেন, মোহাদ্দেস ইয়াহইয়া সাহেব ছিলেন, ওমর সাহেব ছিলেন। যা যা জিজ্ঞেস করছে, আমরা সব বলে ফেলছি।’

কী বিষয়ে কথা হয়েছিল জানতে চাইলে বাবুনগরী বলেন, ‘এগুলো বলা যাবে না। মামলা আমার নামে হয়নি, ওদেরকে জিজ্ঞেস করুন। আপনাদেরকে আমি চিনি। আপনারা আমাকে প্যাঁচাইতে পারবেন না। আমি ১০০ এর বেশি সংবাদ সম্মেলন করেছি। আপনারা যতবার বলবেন আমার কথা একটাই।’

এদিন বেলা ১১টার দিকে হাটহাজারী মাদ্রাসার পরিদর্শনে আসেন পিবিআইয়ের তদন্ত টিমসহ সিনিয়র কর্মকর্তারা। তারা সেখানে তিন ঘণ্টা ধরে অবস্থান করেন।
 
পিবিআইয়ের এসপি মোহাম্মদ ইকবাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাটহাজারী সার্কেল আবদুল্লাহ-আল-মাসুম, এএসপি (ডিএসবি) মোহাম্মদ নাজমুল, শফি হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. মনির হোসেন, হাটহাজারী মডেল থানার ওসি রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

হাটহাজারী মাদ্রাসা এবং ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে অন্তত ২৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তারা।

হাটহাজারী মাদ্রাসায় জুনাইদ বাবুনগরীসহ ১৫ জনের এবং বাবুনগর মাদ্রাসায় আরও ১২ জনের সঙ্গে কথা বলে পিবিআই টিম। 

এ সময় মাদ্রাসার পক্ষ থেকে মাদ্রাসার পরিচালন কমিটির সদস্য মাওলানামা শেখ আহমদ, মাওলানা ইয়াহিয়া, মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী, মাওলানা ওমর মেখলী, বাবুনগরীর খাদেম ইনামুল হাসান ফারুকী, মো. জুনায়েদ ও মাদ্রাসার বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত ১৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিবলু কুমার দে’র আদালতে মামলাটি দায়ের করেন আল্লামা শফীর শ্যালক মোহাম্মদ মাঈনুদ্দিন। আদালত মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেন। 

আদালতে এক মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।

এ মামলায় হেফাজত নেতা মাওলানা মামুনুল হক, নাছির উদ্দিন মুনির, আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মীর ইদ্রিস, হাবিব উল্লাহ, আহসান উল্লাহ, জাকারিয়া নোমান ফয়েজীসহ সুনিদিষ্ট নেতাকর্মী ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ৮০-৯০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
 

 

ঘটনাপ্রবাহ : আল্লামা শফী আর নেই

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন