যে কারণে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মির্জা ফখরুলের ভাই
jugantor
যে কারণে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মির্জা ফখরুলের ভাই

  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি  

১৩ জানুয়ারি ২০২১, ১৭:৪১:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তার ভাই মির্জা ফয়সল আমিন

ওবায়দুল কাদেরের ভাই আব্দুল কাদের মির্জা মেয়র পদে প্রার্থী থাকলেও নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ভাই মির্জা ফয়সল আমিন। তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণ জানিয়েছেন যুগান্তরের কাছে।

পৌর নাগরিকদের দেয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন বলে এবারের পৌর নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না বিএনপি মহাসচিবের ছোটভাই মির্জা ফয়সল।

ফখরুলের ভাই অনেকটা দুঃখ করে যুগান্তরকে বলেন, ঠাকুরগাঁও পৌরসভার উন্নয়নে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই প্রতিশ্রুতি আজও রক্ষা হয়নি! আর আমিও জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারিনি। আবার যদি মেয়র নির্বাচিত হই একই ঘটনা ঘটবে। এ কারণে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি।

ফখরুলের ভাই আরও বলেন, সরকারি অর্থ বরাদ্দের জন্য আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র রায়ের কাছে গিয়েছি। তিনি আমাকে ডিও লেটার দিয়েছেন। কিন্তু কী এক অদৃশ্য শক্তির কারণে অর্থনৈতিক সহযোগিতা পাইনি। আমি বৈষম্য ও প্রতিবন্ধকতার শিকার!

মেয়র হিসেবে তিনি সফল কিনা- জানতে চাইলে মির্জা ফখরুলের ভাই বলেন, জনগণ তার বিচার করবেন। তিনি আরও বলেন, আমি জনগণকে সেবা দেয়ার চেষ্টা করেছি।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সল আমিন ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জেলা যুব মহিলা লীগের সভানেত্রী তহমিনা আখতার মোল্লাকে ভোটযুদ্ধে পরাজিত করে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচিত হন। এ শ্রেণির এই পৌরসভার ১১তম ক্ষমতার অধিকারী ফখরুলের ভাই।

ফখরুল ও তার বাবা প্রয়াত মন্ত্রী মির্জা রুহুল আমিন ওরফে চোখা মিয়াও ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কনিষ্ঠ ভাইয়ের স্থলে ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম শরিফ।

যে কারণে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মির্জা ফখরুলের ভাই

 ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি 
১৩ জানুয়ারি ২০২১, ০৫:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তার ভাই মির্জা ফয়সল আমিন
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তার ভাই মির্জা ফয়সল আমিন

ওবায়দুল কাদেরের ভাই আব্দুল কাদের মির্জা মেয়র পদে প্রার্থী থাকলেও নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ভাই মির্জা ফয়সল আমিন। তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণ জানিয়েছেন যুগান্তরের কাছে।

পৌর নাগরিকদের দেয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন বলে এবারের পৌর নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না বিএনপি মহাসচিবের ছোটভাই মির্জা ফয়সল।

ফখরুলের ভাই অনেকটা দুঃখ করে যুগান্তরকে বলেন, ঠাকুরগাঁও পৌরসভার উন্নয়নে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই প্রতিশ্রুতি আজও  রক্ষা হয়নি! আর আমিও জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারিনি। আবার যদি মেয়র নির্বাচিত হই একই ঘটনা ঘটবে। এ কারণে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি।

ফখরুলের ভাই আরও বলেন, সরকারি অর্থ বরাদ্দের জন্য আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র রায়ের কাছে গিয়েছি। তিনি আমাকে ডিও লেটার দিয়েছেন। কিন্তু কী এক অদৃশ্য শক্তির কারণে অর্থনৈতিক সহযোগিতা পাইনি। আমি বৈষম্য ও প্রতিবন্ধকতার শিকার!

মেয়র হিসেবে তিনি সফল কিনা- জানতে চাইলে মির্জা ফখরুলের ভাই বলেন, জনগণ তার বিচার করবেন। তিনি আরও  বলেন, আমি জনগণকে সেবা দেয়ার চেষ্টা করেছি।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সল আমিন ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জেলা যুব মহিলা লীগের সভানেত্রী তহমিনা আখতার মোল্লাকে ভোটযুদ্ধে পরাজিত করে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচিত হন। এ শ্রেণির এই পৌরসভার ১১তম ক্ষমতার অধিকারী ফখরুলের ভাই।

ফখরুল ও তার বাবা প্রয়াত মন্ত্রী মির্জা রুহুল আমিন ওরফে চোখা মিয়াও ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কনিষ্ঠ ভাইয়ের স্থলে ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম শরিফ।

 

ঘটনাপ্রবাহ : আবদুল কাদের মির্জা

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন