পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই নেই
jugantor
পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই নেই

  কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৫ জানুয়ারি ২০২১, ১৮:২৭:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

মাচারতারা গ্রামের বৃদ্ধ সূর্যকান্ত রায়।

‘পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই নেই, সবকিছু আগুনের পেটে চলে গেছে। গোয়ালের গরু থেকে গোলার ধান পর্যন্ত কিছুই বাকি নেই। সবই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এখন কী খাবো, কীভাবে বাঁচবো ভেবে পাচ্ছি না’- কান্নাজড়িত কন্ঠে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের মাচারতারা গ্রামের বৃদ্ধ সূর্যকান্ত রায়।

গত মঙ্গলবার বিকালে সূর্যকান্ত রায় (৭০) ও তার ভাই নারায়ণ চন্দ্র রায়ের (৬৫) বসতঘর, পাকের ঘর ও গোয়াল ঘরসহ ৪টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। গত তিন দিন ধরে এ দুটি পরিবারের ১২ জন সদস্য অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বসত করছেন খোলা আকাশের নিচে।

অগ্নিকাণ্ডের পর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান হাওলাদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ, জেলা পরিষদ সদস্য দেব দুলাল বসু পল্টু, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান মুনসহ কিছু মানবিক ব্যক্তি নগদ অর্থ, শাড়ি-লুঙ্গি, শীতবস্ত্র দিয়েছেন। তবে তাদের প্রয়োজনের তুলনায় এসব অপ্রতুল।

নারায়ণ চন্দ্র রায় বলেন, মঙ্গলবার বিকালে আমার ভাই সূর্যকান্ত রায়ের বসত ঘরে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। মূহুর্তের মধ্যে আগুন চারিদিক ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের বাড়িটি বিলের ফাঁকা জায়গায় হওয়ায় অন্য বাড়ির লোকজন ছুটে আসতে আসতে সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আমাদের এখন নতুন করে ঘর তৈরি করার মতো কোনো অর্থ-সম্পদ নেই। কীভাবে এখন জীবনযাপন করব ভেবে পাচ্ছি না।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান মুন বলেন, আমি আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে যতটুকু পেরেছি দিয়েছি। আগামীতে দলীয়ভাবে কিছু করার চেষ্টা করব। আমি এ অসহায় পরিবার দুটির সাহায্যে সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করছি।

পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই নেই

 কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৫ জানুয়ারি ২০২১, ০৬:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মাচারতারা গ্রামের বৃদ্ধ সূর্যকান্ত রায়।
মাচারতারা গ্রামের বৃদ্ধ সূর্যকান্ত রায়।

‘পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই নেই, সবকিছু আগুনের পেটে চলে গেছে। গোয়ালের গরু থেকে গোলার ধান পর্যন্ত কিছুই বাকি নেই। সবই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এখন কী খাবো, কীভাবে বাঁচবো ভেবে পাচ্ছি না’- কান্নাজড়িত কন্ঠে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের মাচারতারা গ্রামের বৃদ্ধ সূর্যকান্ত রায়।

গত মঙ্গলবার বিকালে সূর্যকান্ত রায় (৭০) ও তার ভাই নারায়ণ চন্দ্র রায়ের (৬৫) বসতঘর, পাকের ঘর ও গোয়াল ঘরসহ ৪টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। গত তিন দিন ধরে এ দুটি পরিবারের ১২ জন সদস্য অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বসত করছেন খোলা আকাশের নিচে।

অগ্নিকাণ্ডের পর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান হাওলাদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ, জেলা পরিষদ সদস্য দেব দুলাল বসু পল্টু, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান মুনসহ কিছু মানবিক ব্যক্তি নগদ অর্থ, শাড়ি-লুঙ্গি, শীতবস্ত্র দিয়েছেন। তবে তাদের প্রয়োজনের তুলনায় এসব অপ্রতুল।

নারায়ণ চন্দ্র রায় বলেন, মঙ্গলবার বিকালে আমার ভাই সূর্যকান্ত রায়ের বসত ঘরে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। মূহুর্তের মধ্যে আগুন চারিদিক ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের বাড়িটি বিলের ফাঁকা জায়গায় হওয়ায় অন্য বাড়ির লোকজন ছুটে আসতে আসতে সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আমাদের এখন নতুন করে ঘর তৈরি করার মতো কোনো অর্থ-সম্পদ নেই। কীভাবে এখন জীবনযাপন করব ভেবে পাচ্ছি না।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান মুন বলেন, আমি আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে যতটুকু পেরেছি দিয়েছি। আগামীতে দলীয়ভাবে কিছু করার চেষ্টা করব। আমি এ অসহায় পরিবার দুটির সাহায্যে সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন