না’গঞ্জে দুই শিক্ষার্থী হত্যা মামলায়  ২৪ জনের নামে চার্জশিট
jugantor
না’গঞ্জে দুই শিক্ষার্থী হত্যা মামলায়  ২৪ জনের নামে চার্জশিট

  নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি  

১৫ জানুয়ারি ২০২১, ২০:৩৬:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

স্কুলছাত্র জিসান (১৫) ও  মিনহাজুল ইসলাম মিহাদ (১৮)।

হত্যা মামলা আসামি হয়ে প্যারোলে মুক্তি না পাওয়ায় জেলখানাতেই নিয়ে আসা হয়েছিল আলী আহাম্মদের স্ত্রীর লাশ। শেষ দেখা জেলখানার প্রধান ফটকের সামনে। জানাজা কিংবা কবরে মাটি কোনটিই ভাগ্যে জুটেনি তার। এর চেয়েও বেদনাদায়ক নিয়তি ছিল আলী আহাম্মদের ছেলে কাউসারের। ওই একই মামলায় আসামি হয়ে পলাতক থাকায় নিজের মমতাময়ী মায়ের শেষ দর্শনও ভাগ্যে জুটেনি তার। অবশেষে সেই মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) থেকে বাদ পড়েছেন বাবা-ছেলে দুজনই।

গত বছরের ১০ আগস্ট বিকলে বন্দরের ইস্পাহানী ঘাট এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষে দুই শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার চার্জশিট থেকে বাদ দেয়া হয়েছে আর ৪ জনকে। আর চার্জশিটে আসামি করা হয়েছে মোট ২৪ জনকে। নিহতরা হলো- বন্দরের কাজিমউদ্দিনের ছেলে স্কুলছাত্র জিসান (১৫) ও নাজিমউদ্দিন খানের ছেলে কলেজ পড়ুয়া মিনহাজুল ইসলাম মিহাদ (১৮)।

এ ঘটনায় নিহত জিসানের বাবা বন্দর প্রেস ক্লাবের সাবেক সেক্রেটারি কাজিমউদ্দিন বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃত ৬ আসামিসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা ৮ জনকে আসামি করে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন।

জানা গেছে, মামলাটি প্রথমে বন্দর থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে মামলাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) বদলি করা হয়। ডিবির তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক ফকির হাসানুজ্জামান তদন্ত করে গত ৫ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এতে যে ৮ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয় তারা হলেন- মোক্তার হোসেন, আলী আহাম্মদ, কাশেম, কাউসার, আনোয়ার হোসেন, শিপলু, মনির হোসেন জাকির হোসেন। মামলায় ২৪ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তারা হলো- আলভী, বড় শামীম, ছোট শামীম, শাকিল, সুজন, বাবু ওরফে টিঅ্যান্ডটি বাবু, নাহিদ, দেলোয়ার হোসেন বাবু, রাকিব, রয়েল, জাহান, বাবু, রবিন, সাজ্জাদ, ইমন, জয়, শান্ত, সজীব, রিয়াদ, রনি, রাজন, আবু মুসা পাপ্পু। তাদের সবার বাড়ি বন্দর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে।

না’গঞ্জে দুই শিক্ষার্থী হত্যা মামলায়  ২৪ জনের নামে চার্জশিট

 নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি 
১৫ জানুয়ারি ২০২১, ০৮:৩৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
স্কুলছাত্র জিসান (১৫) ও  মিনহাজুল ইসলাম মিহাদ (১৮)।
স্কুলছাত্র জিসান (১৫) ও মিনহাজুল ইসলাম মিহাদ (১৮)।

হত্যা মামলা আসামি হয়ে প্যারোলে মুক্তি না পাওয়ায় জেলখানাতেই নিয়ে আসা হয়েছিল আলী আহাম্মদের স্ত্রীর লাশ। শেষ দেখা জেলখানার প্রধান ফটকের সামনে। জানাজা কিংবা কবরে মাটি কোনটিই ভাগ্যে জুটেনি তার। এর চেয়েও বেদনাদায়ক নিয়তি ছিল আলী আহাম্মদের ছেলে কাউসারের। ওই একই মামলায় আসামি হয়ে পলাতক থাকায় নিজের মমতাময়ী মায়ের শেষ দর্শনও ভাগ্যে জুটেনি তার। অবশেষে সেই মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) থেকে বাদ পড়েছেন বাবা-ছেলে দুজনই।

 

গত বছরের ১০ আগস্ট বিকলে বন্দরের ইস্পাহানী ঘাট এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষে দুই শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার চার্জশিট থেকে বাদ দেয়া হয়েছে আর ৪ জনকে। আর চার্জশিটে আসামি করা হয়েছে মোট ২৪ জনকে। নিহতরা হলো- বন্দরের কাজিমউদ্দিনের ছেলে স্কুলছাত্র জিসান (১৫) ও নাজিমউদ্দিন খানের ছেলে কলেজ পড়ুয়া মিনহাজুল ইসলাম মিহাদ (১৮)।

 

এ ঘটনায় নিহত জিসানের বাবা বন্দর প্রেস ক্লাবের সাবেক সেক্রেটারি কাজিমউদ্দিন বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃত ৬ আসামিসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা ৮ জনকে আসামি করে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন।

 

জানা গেছে, মামলাটি প্রথমে বন্দর থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে মামলাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) বদলি করা হয়। ডিবির তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক ফকির হাসানুজ্জামান তদন্ত করে গত ৫ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এতে যে ৮ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয় তারা হলেন- মোক্তার হোসেন, আলী আহাম্মদ, কাশেম, কাউসার, আনোয়ার হোসেন, শিপলু, মনির হোসেন জাকির হোসেন। মামলায় ২৪ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তারা হলো- আলভী, বড় শামীম, ছোট শামীম, শাকিল, সুজন, বাবু ওরফে টিঅ্যান্ডটি বাবু, নাহিদ, দেলোয়ার হোসেন বাবু, রাকিব, রয়েল, জাহান, বাবু, রবিন, সাজ্জাদ, ইমন, জয়, শান্ত, সজীব, রিয়াদ, রনি, রাজন, আবু মুসা পাপ্পু। তাদের সবার বাড়ি বন্দর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন