বাসায় ডেকে নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মীকে কোপালেন নারীপ্রার্থী
jugantor
বাসায় ডেকে নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মীকে কোপালেন নারীপ্রার্থী

  যুগান্তর প্রতিবেদন, বরগুনা  

১৫ জানুয়ারি ২০২১, ২২:১২:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

নারী প্রার্থী ও আহত কর্মী

বরগুনা পৌরসভা নির্বাচনে সংরক্ষিত এক নারী কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থককে বাসায় ডেকে নিয়ে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে।

শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে বরগুনার টাউন হল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত দেলোয়ার হোসেন একই ওয়ার্ডের প্রার্থী নিপা আক্তারের সমর্থক ও কর্মী। পরে দেলোয়ারকে গুরুতর অবস্থায় বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সংরক্ষিত ১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নাসরিন নাহার সুমি ও তার স্বামী মাহমুদ হাসান তাপস প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নিপা আকতারের সমর্থক দেলোয়ার হোসেনকে বাসায় ডেকে নিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দেলোয়ার হোসেন বলেন, শহীদ মিনার সংলগ্ন টাউন হল এলাকায় তিনি নিপা আক্তারের টেলিফোন প্রতীকের প্রচার চালাচ্ছিলেন। এ সময় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নাসরিন নাহার সুমি ও তার স্বামী মাহমুদ হাসান তাপস তাকে বাধা দেন। একপর্যায়ে তাকে টেনেহিঁচড়ে তার টাউন হল এলাকার বাসায় নিয়ে মারধর করেন ও দা দিয়ে মাথায় কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নাসরিন নাহার সুমির স্বামী মাহমুদ হাসান তাপস বলেন, আমার ও আমার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট। আমার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আমরা আমাদের নির্বাচনী কার্যালয়ে বসেছিলাম।

হঠাৎ এক ব্যক্তি আমাদের অফিসের সামনে আমাদের দেখে টেলিফোন মার্কার উচ্চস্বরে স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে বিরক্ত হয়ে আমি অফিস থেকে বের হয়ে যাই। তখন আমাকে দেখে ওই ব্যক্তি দৌড়ে পালিয়ে যায়। এছাড়া আর কিছুই ঘটেনি।

টেলিফোন প্রতীকের প্রার্থী নিপা আক্তার দেলোয়ারকে নিজের কর্মী দাবি করে বলেন, তাপস ও প্রার্থী সুমি এলাকায় ভয়ভীতি সৃষ্টির জন্য আমার কর্মীকে আহত করেছেন। আমার প্রতিপক্ষ প্রার্থীরা চান আমি যাতে প্রচার চালাতে না পারি। তারা আমার কর্মী-সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছেন। এটা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন। আমি জেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাচ্ছি।

বরগুনা সদর থানা ওসি কেএম তারিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জেনেছি, আহত ব্যক্তির চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে। কেউ মামলা করলে এ ব্যাপারে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

বাসায় ডেকে নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মীকে কোপালেন নারীপ্রার্থী

 যুগান্তর প্রতিবেদন, বরগুনা 
১৫ জানুয়ারি ২০২১, ১০:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
নারী প্রার্থী ও আহত কর্মী
নারী প্রার্থী ও আহত কর্মী

বরগুনা পৌরসভা নির্বাচনে সংরক্ষিত এক নারী কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থককে বাসায় ডেকে নিয়ে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে।

শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে বরগুনার টাউন হল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত দেলোয়ার হোসেন একই ওয়ার্ডের প্রার্থী নিপা আক্তারের সমর্থক ও কর্মী। পরে দেলোয়ারকে গুরুতর অবস্থায় বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সংরক্ষিত ১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নাসরিন নাহার সুমি ও তার স্বামী মাহমুদ হাসান তাপস প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নিপা আকতারের সমর্থক দেলোয়ার হোসেনকে বাসায় ডেকে নিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। 

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দেলোয়ার হোসেন বলেন, শহীদ মিনার সংলগ্ন টাউন হল এলাকায় তিনি নিপা আক্তারের টেলিফোন প্রতীকের প্রচার চালাচ্ছিলেন। এ সময় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নাসরিন নাহার সুমি ও তার স্বামী মাহমুদ হাসান তাপস তাকে বাধা দেন। একপর্যায়ে তাকে টেনেহিঁচড়ে তার টাউন হল এলাকার বাসায় নিয়ে মারধর করেন ও দা দিয়ে মাথায় কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নাসরিন নাহার সুমির স্বামী মাহমুদ হাসান তাপস বলেন, আমার ও আমার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট। আমার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আমরা আমাদের নির্বাচনী কার্যালয়ে বসেছিলাম। 

হঠাৎ এক ব্যক্তি আমাদের অফিসের সামনে আমাদের দেখে টেলিফোন মার্কার উচ্চস্বরে স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে বিরক্ত হয়ে আমি অফিস থেকে বের হয়ে যাই। তখন আমাকে দেখে ওই ব্যক্তি দৌড়ে পালিয়ে যায়। এছাড়া আর কিছুই ঘটেনি।

টেলিফোন প্রতীকের প্রার্থী নিপা আক্তার দেলোয়ারকে নিজের কর্মী দাবি করে বলেন, তাপস ও প্রার্থী সুমি এলাকায় ভয়ভীতি সৃষ্টির জন্য আমার কর্মীকে আহত করেছেন। আমার প্রতিপক্ষ প্রার্থীরা চান আমি যাতে প্রচার চালাতে না পারি। তারা আমার কর্মী-সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছেন। এটা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন। আমি জেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাচ্ছি।

বরগুনা সদর থানা ওসি কেএম তারিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জেনেছি, আহত ব্যক্তির চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে। কেউ মামলা করলে এ ব্যাপারে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন