ফেনীতে খালে মিলল নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর লাশ
jugantor
ফেনীতে খালে মিলল নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর লাশ

  ছাগলনাইয়া (ফেনী) প্রতিনিধি  

১৬ জানুয়ারি ২০২১, ১৫:০৩:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেনীতে খালে মিলল নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর লাশ

ফেনীর ছাগলনাইয়া ‍উপজেলায় নিখোঁজ এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নিদাকাজি খালে তল্লাশি চালিয়ে ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করে।

নিহত স্কুলছাত্রীর নাম মারজানা আক্তার বাধন (০৭)। সে ছাগলনাইয়ার লক্ষ্মীপুর গ্রামের জাফর আলী মিঝি বাড়ির দুবাই প্রবাসী বাহার মিয়ার বড় মেয়ে।
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় সে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়।

ফারজানা আক্তার বাধনের বাড়িতে গিয়ে জানা যায়, বিকালে নানার বাড়ি থেকে দাওয়াত খেয়ে মা-বাবার সঙ্গে বাড়ি ফিরে বাধন। সন্ধ্যায় তাকে ঘরে না দেখে তার মা-বাবা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। তাদের ঘর ঘেষা নিদাকাজি খালের বাঁশের সাঁকোর ওপর বাধনের পায়ের স্যান্ডেল দেখতে পায় বাড়ির লোকজন।

রাতে বাধনের বাবাসহ কয়েকজন খালে নেমে তল্লাশি শুরু করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। কিন্তু উপজেলায় ডুবুরি দল না থাকায় রাতে তল্লাশি অভিযানে যায়নি ফায়ার সার্ভিস।

শনিবার চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ থেকে ডুবুরি দল এসে সকাল সাড়ে ১০টায় খালে নামে। পরে সাঁকোর বাঁশে আটকা অবস্থায় মারজানা আক্তার বাধনের মরদেহ উদ্ধার করে ডুবুরি খাদেমুল ইসলাম।

তবে ডুবুরিদের ধারণা, হয়তো সাঁকো পার হতে গিয়ে পা ফসকে খালে পড়ে যায় শিশুটির। পরে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নিহত বাধনের মা বিবি তৈয়বা বলেন, আমার কলিজা টুকরো বাধনের ২৮ জানুয়ারি জন্মদিন। সাত বছর শেষ হবে। আমি সব প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কিন্তু আমার বুকের ধন খালি হয়ে গেল।

ফেনীতে খালে মিলল নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর লাশ

 ছাগলনাইয়া (ফেনী) প্রতিনিধি 
১৬ জানুয়ারি ২০২১, ০৩:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ফেনীতে খালে মিলল নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর লাশ
মারজানা আক্তার বাধন। ছবি: যুগান্তর

ফেনীর ছাগলনাইয়া ‍উপজেলায় নিখোঁজ এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নিদাকাজি খালে তল্লাশি চালিয়ে ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করে।

নিহত স্কুলছাত্রীর নাম মারজানা আক্তার বাধন (০৭)।  সে ছাগলনাইয়ার লক্ষ্মীপুর গ্রামের জাফর আলী মিঝি বাড়ির দুবাই প্রবাসী বাহার মিয়ার বড় মেয়ে।
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় সে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়।

ফারজানা আক্তার বাধনের বাড়িতে গিয়ে জানা যায়, বিকালে নানার বাড়ি থেকে দাওয়াত খেয়ে মা-বাবার সঙ্গে বাড়ি ফিরে বাধন।  সন্ধ্যায় তাকে ঘরে না দেখে তার মা-বাবা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।  তাদের ঘর ঘেষা নিদাকাজি খালের বাঁশের সাঁকোর ওপর বাধনের পায়ের স্যান্ডেল দেখতে পায় বাড়ির লোকজন।

রাতে বাধনের বাবাসহ কয়েকজন খালে নেমে তল্লাশি শুরু করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।  কিন্তু উপজেলায় ডুবুরি দল না থাকায় রাতে তল্লাশি অভিযানে যায়নি ফায়ার সার্ভিস।

শনিবার চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ থেকে ডুবুরি দল এসে সকাল সাড়ে ১০টায় খালে নামে।  পরে সাঁকোর বাঁশে আটকা অবস্থায় মারজানা আক্তার বাধনের মরদেহ উদ্ধার করে ডুবুরি খাদেমুল ইসলাম।

তবে ডুবুরিদের ধারণা, হয়তো সাঁকো পার হতে গিয়ে পা ফসকে খালে পড়ে যায় শিশুটির। পরে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নিহত বাধনের মা বিবি তৈয়বা বলেন, আমার কলিজা টুকরো বাধনের ২৮ জানুয়ারি জন্মদিন। সাত বছর শেষ হবে। আমি সব প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কিন্তু আমার বুকের ধন খালি হয়ে গেল।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন