গুরুদাসপুরে বিএনপি প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
jugantor
গুরুদাসপুরে বিএনপি প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

  গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি  

১৭ জানুয়ারি ২০২১, ২০:৩৯:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

নাটোরের গুরুদাসপুর পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী অ্যাডভোকেট আজমুল হক বুলবুলের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তার প্রাপ্ত ভোট ৬৯২।

বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, দলের দুঃসময়েও টাকার বিনিময়ে নেতারা মনোনয়ন বাণিজ্য করেছেন। পৌরসভায় তিন ভাগের দুই ভাগ ভোট বিএনপির। বিগত ২০ বছরের মধ্যে গুরুদাসপুরে এত সুন্দর অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়নি। অথচ অযোগ্য প্রার্থী দেয়ায় মানুষ বিএনপির ওপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। নেতাদের কারণে আস্তে আস্তে একদিন বিএনপি হারিয়ে যাবে।

বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আজমুল হক বুলবুল বলেন, রাস্তাঘাটে ভোটারদের বাধা দেয়া হয়েছে। তবে কেন্দ্রে কোনো সমস্যা হয়নি। তিনি আরও বলেন, একা একা নির্বাচন করেছেন তিনি। কোনো নেতাই তাকে সহযোগিতা করেননি।

এ পৌরসভায় পরপর তিনবার বিজয়ী হলেন আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী মো. শাহনেওয়াজ আলী মোল্লা। তিনি পেয়েছেন ৭ হাজার ৬৪০ ভোট।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আরিফুল ইসলাম বিপ্লব। তিনি নারিকেল গাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৪৫ ভোট।

তৃতীয় অবস্থানে আছেন আওয়ামী লীগের অপর বিদ্রোহী প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ আলী। তিনি জগ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৬৪ ভোট। বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী আমজাদ হোসেন পেয়েছেন ২ হাজার ২৫৪ ভোট ও আব্দুস সালাম রনি পেয়েছেন ৪১৪ ভোট।

এসব তথ্য জানিয়েছেন রিটার্নিং অফিসার মো. তমাল হোসেন। তিনি জানান, মোট প্রদানকৃত ভোটের ৮ ভাগের এক অংশের নিচে পেলে যে কোনো প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই হিসাবে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আজমুল হক বুলবুলের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

গুরুদাসপুরে বিএনপি প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

 গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি 
১৭ জানুয়ারি ২০২১, ০৮:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নাটোরের গুরুদাসপুর পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী অ্যাডভোকেট আজমুল হক বুলবুলের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তার প্রাপ্ত ভোট ৬৯২।

বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, দলের দুঃসময়েও টাকার বিনিময়ে নেতারা মনোনয়ন বাণিজ্য করেছেন। পৌরসভায় তিন ভাগের দুই ভাগ ভোট বিএনপির। বিগত ২০ বছরের মধ্যে গুরুদাসপুরে এত সুন্দর অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়নি। অথচ অযোগ্য প্রার্থী দেয়ায় মানুষ বিএনপির ওপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। নেতাদের কারণে আস্তে আস্তে একদিন বিএনপি হারিয়ে যাবে।

বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আজমুল হক বুলবুল বলেন, রাস্তাঘাটে ভোটারদের বাধা দেয়া হয়েছে। তবে কেন্দ্রে কোনো সমস্যা হয়নি। তিনি আরও বলেন, একা একা নির্বাচন করেছেন তিনি। কোনো নেতাই তাকে সহযোগিতা করেননি।

এ পৌরসভায় পরপর তিনবার বিজয়ী হলেন আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী মো. শাহনেওয়াজ আলী মোল্লা। তিনি পেয়েছেন ৭ হাজার ৬৪০ ভোট।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আরিফুল ইসলাম বিপ্লব। তিনি নারিকেল গাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৪৫ ভোট। 

তৃতীয় অবস্থানে আছেন আওয়ামী লীগের অপর বিদ্রোহী প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ আলী। তিনি জগ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৬৪ ভোট। বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী আমজাদ হোসেন পেয়েছেন ২ হাজার ২৫৪ ভোট ও আব্দুস সালাম রনি পেয়েছেন ৪১৪ ভোট।

এসব তথ্য জানিয়েছেন রিটার্নিং অফিসার মো. তমাল হোসেন। তিনি জানান, মোট প্রদানকৃত ভোটের ৮ ভাগের এক অংশের নিচে পেলে যে কোনো প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই হিসাবে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আজমুল হক বুলবুলের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন