নিজের ভোটও দেননি, তবে কে দিল এক ভোট?
jugantor
নিজের ভোটও দেননি, তবে কে দিল এক ভোট?

  হবিগঞ্জ প্রতিনিধি  

১৮ জানুয়ারি ২০২১, ২০:০৯:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মাত্র একটি ভোট পেয়ে রেকর্ড করেছেন এক কাউন্সিলর প্রার্থী। তিনি নিজেই নিজেকে ভোট দেননি। তবে কে দিয়েছেন তাকে এই একটি ভোট, তা নিয়ে চলছে আলোচনা।

কেন নিজেকে নিজে ভোট দেননি, কেনইবা তার পরিবারের লোকজন তাকে ভোট দেয়নি? এ প্রশ্ন এখন স্থানীয়দের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। তিনি হচ্ছেন নবীগঞ্জ পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ইসমত আলী।

জেলা রিটার্নিং অফিসার ঘোষিত ভোটের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ওই পৌরসভায় উক্ত ওয়ার্ডে মোট ৫ জন কাউন্সিলর প্রার্থী ছিলেন। এদের মধ্যে ইসমত আলী পেয়েছেন মাত্র একটি ভোট। এই ওয়ার্ডেই জামানত হারানো অপর প্রার্থী মো. আমির হোসেন পেয়েছেন ১৬ ও সুহেলুজ্জামান লিপ্টন পেয়েছেন ২৯ ভোট।

কাউন্সিলর প্রার্থী ইসমত আলী বলেন, আমার প্রতীক ছিল ডালিম। অপর প্রার্থী আমার আপন মামা লুৎফুর রহমান মাখনের প্রতীক ছিল পানির বোতল। তিনি ৭৭২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। আমরা মামা-ভাগ্নে দ্বন্দ্ব করতে গিয়ে অন্যজন পাস করে ফেলতে পারে- তাই আমি নির্বাচনের আগে আমার মামা লুৎফুর রহমান মাখনকে সমর্থন দিয়ে ভোট থেকে সরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এটি প্রত্যাহারের তারিখের পর হওয়ায় আমার প্রতীক ছিল। তবে আমি নিজেও আমাকে ভোট দেইনি। কেউ হয়তো দিয়েছে একটি ভোট।

নিজের ভোটও দেননি, তবে কে দিল এক ভোট?

 হবিগঞ্জ প্রতিনিধি 
১৮ জানুয়ারি ২০২১, ০৮:০৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মাত্র একটি ভোট পেয়ে রেকর্ড করেছেন এক কাউন্সিলর প্রার্থী। তিনি নিজেই নিজেকে ভোট দেননি। তবে কে দিয়েছেন তাকে এই একটি ভোট, তা নিয়ে চলছে আলোচনা।

কেন নিজেকে নিজে ভোট দেননি, কেনইবা তার পরিবারের লোকজন তাকে ভোট দেয়নি? এ প্রশ্ন এখন স্থানীয়দের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। তিনি হচ্ছেন নবীগঞ্জ পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ইসমত আলী।

জেলা রিটার্নিং অফিসার ঘোষিত ভোটের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ওই পৌরসভায় উক্ত ওয়ার্ডে মোট ৫ জন কাউন্সিলর প্রার্থী ছিলেন। এদের মধ্যে ইসমত আলী পেয়েছেন মাত্র একটি ভোট। এই ওয়ার্ডেই জামানত হারানো অপর প্রার্থী মো. আমির হোসেন পেয়েছেন ১৬ ও সুহেলুজ্জামান লিপ্টন পেয়েছেন ২৯ ভোট।

কাউন্সিলর প্রার্থী ইসমত আলী বলেন, আমার প্রতীক ছিল ডালিম। অপর প্রার্থী আমার আপন মামা লুৎফুর রহমান মাখনের প্রতীক ছিল পানির বোতল। তিনি ৭৭২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। আমরা মামা-ভাগ্নে দ্বন্দ্ব করতে গিয়ে অন্যজন পাস করে ফেলতে পারে- তাই আমি নির্বাচনের আগে আমার মামা লুৎফুর রহমান মাখনকে সমর্থন দিয়ে ভোট থেকে সরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এটি প্রত্যাহারের তারিখের পর হওয়ায় আমার প্রতীক ছিল। তবে আমি নিজেও আমাকে ভোট দেইনি। কেউ হয়তো দিয়েছে একটি ভোট।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন