ভাবির সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক জেনে যাওয়ায় স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
jugantor
ভাবির সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক জেনে যাওয়ায় স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

  কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি  

১৯ জানুয়ারি ২০২১, ২০:৫৩:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

কুড়িগ্রামের চর রাজীবপুরে শাহিনা বেগম (২০) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার দায়ে স্বামী বকুলকে (২৫) মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন কুড়িগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে এ রায় দেন জেলা ও দায়রা জজ মো. আব্দুল মান্নান।

আদালত ও কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এসএম আব্রাহাম লিংকন জানান, ২০০৫ সালে জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার কারখানাপাড়া গ্রামের শামসুল হকের মেয়ে শাহিনা বেগমের সঙ্গে কুড়িগ্রামের চর রাজীবপুর উপজেলার চরসাজাই নয়াপাড়া গ্রামের মৃত আজিজুল হকের ছেলে বকুলের বিয়ে হয়। বিয়ের দুই বছর পর ২০০৭ সালের ২ ডিসেম্বর সকালে শাহিনাকে তার স্বামীর ঘরে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। ভাবির সঙ্গে স্বামীর অবৈধ সম্পর্ক জেনে যাওয়ায় শাহিনাকে গলাটিপে হত্যা করে লাশ ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেয়া হয়।

এ ঘটনায় শাহিনার পিতা শামসুল হক ২০০৮ সালের ১৬ জানুয়ারি চর রাজীবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় কুড়িগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ আদালত আসামি বকুলকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি এসএম আব্রাহাম লিংকন এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মুহ. ফকরুল ইসলাম।

অ্যাডভোকেট এসএম আব্রাহাম লিংকন জানান, এ দণ্ডাদেশে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট। এই নৃশংসতার জবাব বিচারের মাধ্যমে হলো। যদিও বিলম্ব হয়েছে তবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়েছে। আমরা মনে করি, অপরাধ দমনে এটি সমাজে দৃষ্টান্ত হিসেবে থাকবে।

ভাবির সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক জেনে যাওয়ায় স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

 কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি 
১৯ জানুয়ারি ২০২১, ০৮:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুড়িগ্রামের চর রাজীবপুরে শাহিনা বেগম (২০) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার দায়ে স্বামী বকুলকে (২৫) মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন কুড়িগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে এ রায় দেন জেলা ও দায়রা জজ মো. আব্দুল মান্নান।

আদালত ও কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এসএম আব্রাহাম লিংকন জানান, ২০০৫ সালে জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার কারখানাপাড়া গ্রামের শামসুল হকের মেয়ে শাহিনা বেগমের সঙ্গে কুড়িগ্রামের চর রাজীবপুর উপজেলার চরসাজাই নয়াপাড়া গ্রামের মৃত আজিজুল হকের ছেলে বকুলের বিয়ে হয়। বিয়ের দুই বছর পর ২০০৭ সালের ২ ডিসেম্বর সকালে শাহিনাকে তার স্বামীর ঘরে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। ভাবির সঙ্গে স্বামীর অবৈধ সম্পর্ক জেনে যাওয়ায় শাহিনাকে গলাটিপে হত্যা করে লাশ ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেয়া হয়।

এ ঘটনায় শাহিনার পিতা শামসুল হক ২০০৮ সালের ১৬ জানুয়ারি চর রাজীবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় কুড়িগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ আদালত আসামি বকুলকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি এসএম আব্রাহাম লিংকন এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মুহ. ফকরুল ইসলাম।

অ্যাডভোকেট এসএম আব্রাহাম লিংকন জানান, এ দণ্ডাদেশে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট। এই নৃশংসতার জবাব বিচারের মাধ্যমে হলো। যদিও বিলম্ব হয়েছে তবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়েছে। আমরা মনে করি, অপরাধ দমনে এটি সমাজে দৃষ্টান্ত হিসেবে থাকবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন