বদলে গেছে মির্জাপুর থানার চিত্র
jugantor
বদলে গেছে মির্জাপুর থানার চিত্র

  মো. সাজ্জাত হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল)  

১৯ জানুয়ারি ২০২১, ২২:৫৪:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলের অনেক থানার মধ্যে একটি মির্জাপুর। থানা মানেই টাকা। টাকা ছাড়া থানায় কোনো কাজ হয় না। এমন ধারণা জনসাধারণের। তবে জনসাধারণের সেই ধারণা পাল্টে দিয়েছেন মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রিজাউল হক।

এ থানায় সেবা নিতে আসা লোকজন টাকা ছাড়াই এখন সাধারণ ডায়েরি (জিডি), অভিযোগ ও মামলা লেখা বা অন্তর্ভুক্ত করতে পারছেন।

পুলিশের আচরণ যেমন পাল্টেছে, তেমন থানার চিত্রও বদলেছে। এতে আগের তুলনায় থানায় সেবার মানও বেড়েছে। থানার মূল ভবনে রং-তুলির আঁচর আর থানা চত্বরে ময়লা পরিষ্কার করায় সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই স্থাপনার সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও দৃষ্টিনন্দন করতে এবং সহজেই মানুষকে সেবা দিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন মির্জাপুর থানার ওসি মোহাম্মদ রিজাউল হক। বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি থানাকে সাজিয়েছেন শৈল্পিক নৈপুণ্যে। ওসি মোহাম্মদ রিজাউল হকের সৃজনশীলতায় বদলে গেছে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানার চিত্র।

ওসি মোহাম্মদ রিজাউল হক এ থানায় যোগদানের প্রায় এক মাসের মধ্যেই সৃজনশীল ও যুগোপযোগী পরিকল্পনার ফলে মির্জাপুর থানা ও পুলিশ হয়ে উঠেছে এ উপজেলার মানুষের আস্থার ঠিকানা।
তিনি এ থানায় যোগদানের পর থেকেই মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ হিসেবে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি করেন।

ওসি মোহাম্মদ রিজাউল হক বলেন, কোনো চাওয়া-পাওয়ার জন্য নয়, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ভালো লাগার জায়গা থেকে কাজগুলো করেছি। মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ হিসেবে জনগণের পাশে দাঁড়াতে সর্বদা কাজ করে যাচ্ছি।
মানবিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি যে কোনো অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সর্বদা তিনি সজাগ আছেন।

উল্লেখ্য, মোহাম্মদ রিজাউল হক ওরফে শেখ দিপু গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া থানার টুঙ্গিপাড়া গ্রামের প্রয়াত প্রধান শিক্ষক শেখ ইকরামুল হক নান্না মিয়ার ছেলে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী শেখ দিপু ২০০১ সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে এসআই পদে যোগদান করেন। তিনি মানিকগঞ্জ সদর, সাটুরিয়া, সোনারগাঁ, মুন্সীগঞ্জের লৌহজং, ধামরাই, আশুলিয়া ও সর্বশেষ মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান থানার ওসি হিসেবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই কন্যাসন্তানের জনক।

বদলে গেছে মির্জাপুর থানার চিত্র

 মো. সাজ্জাত হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) 
১৯ জানুয়ারি ২০২১, ১০:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলের অনেক থানার মধ্যে একটি মির্জাপুর। থানা মানেই টাকা। টাকা ছাড়া থানায় কোনো কাজ হয় না। এমন ধারণা জনসাধারণের। তবে জনসাধারণের সেই ধারণা পাল্টে দিয়েছেন মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রিজাউল হক।

এ থানায় সেবা নিতে আসা লোকজন টাকা ছাড়াই এখন সাধারণ ডায়েরি (জিডি), অভিযোগ ও মামলা লেখা বা অন্তর্ভুক্ত করতে পারছেন।

পুলিশের আচরণ যেমন পাল্টেছে, তেমন থানার চিত্রও বদলেছে। এতে আগের তুলনায় থানায় সেবার মানও বেড়েছে। থানার মূল ভবনে রং-তুলির আঁচর আর থানা চত্বরে ময়লা পরিষ্কার করায় সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই স্থাপনার সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও দৃষ্টিনন্দন করতে এবং সহজেই মানুষকে সেবা দিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন মির্জাপুর থানার ওসি মোহাম্মদ রিজাউল হক। বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি থানাকে সাজিয়েছেন শৈল্পিক নৈপুণ্যে। ওসি মোহাম্মদ রিজাউল হকের সৃজনশীলতায় বদলে গেছে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানার চিত্র।

ওসি মোহাম্মদ রিজাউল হক এ থানায় যোগদানের প্রায় এক মাসের মধ্যেই সৃজনশীল ও যুগোপযোগী পরিকল্পনার ফলে মির্জাপুর থানা ও পুলিশ হয়ে উঠেছে এ উপজেলার মানুষের আস্থার ঠিকানা।
তিনি এ থানায় যোগদানের পর থেকেই মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ হিসেবে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি করেন।

ওসি মোহাম্মদ রিজাউল হক বলেন, কোনো চাওয়া-পাওয়ার জন্য নয়, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ভালো লাগার জায়গা থেকে কাজগুলো করেছি। মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ হিসেবে জনগণের পাশে দাঁড়াতে সর্বদা কাজ করে যাচ্ছি। 
মানবিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি যে কোনো অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সর্বদা তিনি সজাগ আছেন।

উল্লেখ্য, মোহাম্মদ রিজাউল হক ওরফে শেখ দিপু গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া থানার টুঙ্গিপাড়া গ্রামের প্রয়াত প্রধান শিক্ষক শেখ ইকরামুল হক নান্না মিয়ার ছেলে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী শেখ দিপু ২০০১ সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে এসআই পদে যোগদান করেন। তিনি মানিকগঞ্জ সদর, সাটুরিয়া, সোনারগাঁ, মুন্সীগঞ্জের লৌহজং, ধামরাই, আশুলিয়া ও সর্বশেষ মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান থানার ওসি হিসেবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই কন্যাসন্তানের জনক।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন