ফাঁদে আটকা মেছোবাঘটি জাতীয় চিড়িয়াখানায় হস্তান্তর
jugantor
ফাঁদে আটকা মেছোবাঘটি জাতীয় চিড়িয়াখানায় হস্তান্তর

  কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি  

১৯ জানুয়ারি ২০২১, ২২:৫৭:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ফাঁদে আটকা মেছোবাঘটি জাতীয় চিড়িয়াখানায় হস্তান্তর

কেরানীগঞ্জের কাঁঠালতলী গ্রামে একটি মেছোবাঘ আটক হয়েছে। স্থানীয় এক খামারির পেতে রাখা ফাঁদে মঙ্গলবার সকালে মেছোবাঘটি পাওয়া যায়।

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ঘটনাস্থল গিয়ে মেছোবাঘটি উদ্ধার করে উপজেলা পরিষদে নিয়ে আসেন। পরে মেছোবাঘটি জাতীয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পানের খামারি হোসেন ঢালী বলেন, গত কয়েক দিনে আমার ১০টি হাঁস খোয়া যায়। শিকারি শিয়াল হবে ভেবে ধরার জন্য বড় একটা লোহার খাঁচা তৈরি করি। সেখানে একটি মুরগি রেখে ফাঁদ পাতলে মঙ্গলবার সকালে গিয়ে দেখি খাঁচার মধ্যে মেছোবাঘটি আটকে আছে। পরে উপজেলা থেকে কর্মকর্তারা এসে সেটি নিয়ে গেছেন।

এদিকে মেছোবাঘ আটকের খবরে হোসেন আলীর বাড়িতে ভিড় করেন অসংখ্য উৎসুক মানুষ।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জাহির উদ্দিন বলেন, মেছোবাঘ বিড়াল প্রজাতির প্রাণী। এরা বিলুপ্ত প্রায়। মেছোবাঘ গাছে উঠতে পারে, সাঁতারও কাটতে পারে। সাধারণত বড় জলাশয়ের আশপাশে থাকতে এরা পছন্দ করে।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেবনাথ বলেন, মেছোবাঘটি উদ্ধার করে সুচিকিৎসা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ফাঁদে আটকা মেছোবাঘটি জাতীয় চিড়িয়াখানায় হস্তান্তর

 কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি 
১৯ জানুয়ারি ২০২১, ১০:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ফাঁদে আটকা মেছোবাঘটি জাতীয় চিড়িয়াখানায় হস্তান্তর
ফাঁদে আটকা মেছোবাঘটি জাতীয় চিড়িয়াখানায় হস্তান্তর

কেরানীগঞ্জের কাঁঠালতলী গ্রামে একটি মেছোবাঘ আটক হয়েছে। স্থানীয় এক খামারির পেতে রাখা ফাঁদে মঙ্গলবার সকালে মেছোবাঘটি পাওয়া যায়।

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ঘটনাস্থল গিয়ে মেছোবাঘটি উদ্ধার করে উপজেলা পরিষদে নিয়ে আসেন। পরে মেছোবাঘটি জাতীয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পানের খামারি হোসেন ঢালী বলেন, গত কয়েক দিনে আমার ১০টি হাঁস খোয়া যায়। শিকারি শিয়াল হবে ভেবে ধরার জন্য বড় একটা লোহার খাঁচা তৈরি করি। সেখানে একটি মুরগি রেখে ফাঁদ পাতলে মঙ্গলবার সকালে গিয়ে দেখি খাঁচার মধ্যে মেছোবাঘটি আটকে আছে। পরে উপজেলা থেকে কর্মকর্তারা এসে সেটি নিয়ে গেছেন।

এদিকে মেছোবাঘ আটকের খবরে হোসেন আলীর বাড়িতে ভিড় করেন অসংখ্য উৎসুক মানুষ।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জাহির উদ্দিন বলেন, মেছোবাঘ বিড়াল প্রজাতির প্রাণী। এরা বিলুপ্ত প্রায়। মেছোবাঘ গাছে উঠতে পারে, সাঁতারও কাটতে পারে। সাধারণত বড় জলাশয়ের আশপাশে থাকতে এরা পছন্দ করে।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেবনাথ বলেন, মেছোবাঘটি উদ্ধার করে সুচিকিৎসা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন