শিমুলকে ফোনে ডেকে নিয়ে খুনের পর লাশ খালে ফেলে দেয় অমিত
jugantor
শিমুলকে ফোনে ডেকে নিয়ে খুনের পর লাশ খালে ফেলে দেয় অমিত

  যশোর ব্যুরো  

১৯ জানুয়ারি ২০২১, ২৩:০০:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের বাঘারপাড়ার কলেজছাত্র শিমুল বিশ্বাসকে (১৭) রাতে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে গলাটিপে হত্যার পর লাশ খালের পানিতে ফেলে দেয়া হয়। পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিবেশী অমিত গোলদার একাই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মঞ্জুরুল ইসলাম জবানবন্দি গ্রহণ করেন। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ওসি সোমেন দাস।

বাঘারপাড়ার দোগাছি গ্রামের মুকুল বিশ্বাসের ছেলে নিহত শিমুল বিশ্বাস ভাঙ্গুড়া ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিল। রোববার শিমুলের ভাসমান লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন- বাঘারপাড়ার দোগাছি গ্রামের নিমাই গোলদারের ছেলে সৌমিত্র গোলদার (২০) ও অমিত গোলদার (২২), একই গ্রামের পাগলচন্দ্র গোলদারের ছেলে লক্ষ্মীকান্ত গোলদার (৪০), জগবন্ধু গোলদারের ছেলে কৃষ্ণপদ বিশ্বাস (৫০) ও নড়াইল সদরের করলা গ্রামের রাম বিশ্বাসের ছেলে ও যশোর সদরের দোগাছি গ্রামের শক্তি গোলদারের জামাই কৃষ্ণ বিশ্বাস (২৭)।

মঙ্গলবার দুপুরে নিজ দপ্তরে প্রেস বিফ্রিংয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানান, রোববার বাঘারপাড়া উপজেলার রঘুরামপুর বেজিগাড়া মাঠের খাল থেকে শিমুল বিশ্বাসের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় তার পিতা মুকুল বিশ্বাস হত্যার অভিযোগে বাঘারপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর মামলাটি তদন্ত করতে ডিবি পুলিশকে নির্দেশনা দেয়া হয়।

শিমুল বিশ্বাসের মোবাইলের কললিস্ট চেক করে তার প্রতিবেশী এজাহারনামীয় আসামি সৌমিত্র গোলদার ও অমিত গোলদারকে আটক করা হয়। তারা হত্যার দায় স্বীকার করে। একই সঙ্গে হত্যায় জড়িত আরও তিনজনের বিষয়ে তথ্য দেয়। এরপর পুলিশ লক্ষ্মীকান্ত গোলদার, কৃষ্ণপদ বিশ্বাস ও কৃষ্ণ বিশ্বাসকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা জানিয়েছে, শিমুলকে নিয়ে রঘুরামপুর মন্দিরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখতে যায় অমিত গোলদার। সেখান থেকে ফেরার পথে পূর্বের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শিমুলের গলাটিপে ধরে হত্যা করে অমিত গোলদার। এরপর লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে রঘুরামপুর বেজিগাড়া মাঠের খালের মধ্যে ফেলে আসে।

সোমবার তিন আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। বাকি দুই আসামিকে মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানান।

শিমুলকে ফোনে ডেকে নিয়ে খুনের পর লাশ খালে ফেলে দেয় অমিত

 যশোর ব্যুরো 
১৯ জানুয়ারি ২০২১, ১১:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের বাঘারপাড়ার কলেজছাত্র শিমুল বিশ্বাসকে (১৭) রাতে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে গলাটিপে হত্যার পর লাশ খালের পানিতে ফেলে দেয়া হয়। পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিবেশী অমিত গোলদার একাই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মঞ্জুরুল ইসলাম জবানবন্দি গ্রহণ করেন। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ওসি সোমেন দাস।

বাঘারপাড়ার দোগাছি গ্রামের মুকুল বিশ্বাসের ছেলে নিহত শিমুল বিশ্বাস ভাঙ্গুড়া ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিল। রোববার শিমুলের ভাসমান লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন- বাঘারপাড়ার দোগাছি গ্রামের নিমাই গোলদারের ছেলে সৌমিত্র গোলদার (২০) ও অমিত গোলদার (২২), একই গ্রামের পাগলচন্দ্র গোলদারের ছেলে লক্ষ্মীকান্ত গোলদার (৪০), জগবন্ধু গোলদারের ছেলে কৃষ্ণপদ বিশ্বাস (৫০) ও নড়াইল সদরের করলা গ্রামের রাম বিশ্বাসের ছেলে ও যশোর সদরের দোগাছি গ্রামের শক্তি গোলদারের জামাই কৃষ্ণ বিশ্বাস (২৭)।

মঙ্গলবার দুপুরে নিজ দপ্তরে প্রেস বিফ্রিংয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানান, রোববার বাঘারপাড়া উপজেলার রঘুরামপুর বেজিগাড়া মাঠের খাল থেকে শিমুল বিশ্বাসের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় তার পিতা মুকুল বিশ্বাস হত্যার অভিযোগে বাঘারপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর মামলাটি তদন্ত করতে ডিবি পুলিশকে নির্দেশনা দেয়া হয়।

শিমুল বিশ্বাসের মোবাইলের কললিস্ট চেক করে তার প্রতিবেশী এজাহারনামীয় আসামি সৌমিত্র গোলদার ও অমিত গোলদারকে আটক করা হয়। তারা হত্যার দায় স্বীকার করে। একই সঙ্গে হত্যায় জড়িত আরও তিনজনের বিষয়ে তথ্য দেয়। এরপর পুলিশ লক্ষ্মীকান্ত গোলদার, কৃষ্ণপদ বিশ্বাস ও কৃষ্ণ বিশ্বাসকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা জানিয়েছে, শিমুলকে নিয়ে রঘুরামপুর মন্দিরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখতে যায় অমিত গোলদার। সেখান থেকে ফেরার পথে পূর্বের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শিমুলের গলাটিপে ধরে হত্যা করে অমিত গোলদার। এরপর লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে রঘুরামপুর বেজিগাড়া মাঠের খালের মধ্যে ফেলে আসে।

সোমবার তিন আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। বাকি দুই আসামিকে মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানান।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন