ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে বাবা-মেয়েকে কুপিয়ে জখম, ৩৮ বছর কারাদণ্ড
jugantor
ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে বাবা-মেয়েকে কুপিয়ে জখম, ৩৮ বছর কারাদণ্ড

  যুগান্তর প্রতিবেদন, বরগুনা  

২০ জানুয়ারি ২০২১, ১৮:৫৭:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ঘরে ঢুকে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে বাবা-মেয়েকে কুপিয়ে জখম করায় ইয়াসিন (২২) নামে এক যুবককে ৩৮ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তার বিরুদ্ধে তিনটি অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় এ শাস্তি দেয়া হয়।

বুধবার দুপুরে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ইয়াসিন বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার চরলাঠিমারা গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ জানায়, নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে বিভিন্ন সময় উত্ত্যক্তসহ বিয়ে করার প্রস্তাব দিত আসামি। ২০১৮ সালের ২৮ নভেম্বর রাত ২টার দিকে আসামি ইয়াছিন পূর্বপরিকল্পিতভাবে স্কুলছাত্রীর ঘরের জালানার লোহার রড খুলে ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে।

এ সময় স্কুলছাত্রী তার বাবাকে ডাক দেয়। তার বাবা ইয়াছিনকে ধরে ফেলে। এ সময় ইয়াছিন চাকু দিয়ে তার বাবাকে এলোপাতাড়িভাবে কোপ দেয়। বাবাকে রক্ষা করতে এসে জখম হয় মেয়েও।

পাথরঘাটা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ২৫ এপ্রিল আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি আশরাফুল আলম যুগান্তরকে বলেন, একটি মামলায় তিনটি ধারায় ইয়াসিনকে ৩৮ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একসঙ্গে সাজা ভোগ করলে ১৪ বছর কারাভোগ করলেই হবে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী আক্তারুজ্জামান বাবুল বলেন, এ রায়ের বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে যাব।

ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে বাবা-মেয়েকে কুপিয়ে জখম, ৩৮ বছর কারাদণ্ড

 যুগান্তর প্রতিবেদন, বরগুনা 
২০ জানুয়ারি ২০২১, ০৬:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঘরে ঢুকে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে বাবা-মেয়েকে কুপিয়ে জখম করায় ইয়াসিন (২২) নামে এক যুবককে ৩৮ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তার বিরুদ্ধে তিনটি অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় এ শাস্তি দেয়া হয়। 

বুধবার দুপুরে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। 

দণ্ডপ্রাপ্ত ইয়াসিন বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার চরলাঠিমারা গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ জানায়, নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে বিভিন্ন সময় উত্ত্যক্তসহ বিয়ে করার প্রস্তাব দিত আসামি। ২০১৮ সালের ২৮ নভেম্বর রাত ২টার দিকে আসামি ইয়াছিন পূর্বপরিকল্পিতভাবে স্কুলছাত্রীর ঘরের জালানার লোহার রড খুলে ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। 

এ সময় স্কুলছাত্রী তার বাবাকে ডাক দেয়। তার বাবা ইয়াছিনকে ধরে ফেলে। এ সময় ইয়াছিন চাকু দিয়ে তার বাবাকে এলোপাতাড়িভাবে কোপ দেয়। বাবাকে রক্ষা করতে এসে জখম হয় মেয়েও।

পাথরঘাটা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ২৫ এপ্রিল আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন। 

রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি আশরাফুল আলম যুগান্তরকে বলেন, একটি মামলায় তিনটি ধারায় ইয়াসিনকে ৩৮ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একসঙ্গে সাজা ভোগ করলে ১৪ বছর কারাভোগ করলেই হবে। 

আসামিপক্ষের আইনজীবী আক্তারুজ্জামান বাবুল বলেন, এ রায়ের বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে যাব।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন