নির্মাণকাজ শেষ করার আগেই ধসে পড়েছে বাঁধ
jugantor
নির্মাণকাজ শেষ করার আগেই ধসে পড়েছে বাঁধ

  আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি  

২০ জানুয়ারি ২০২১, ১৯:৩৪:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

নির্মাণকাজ শেষ করার আগেই বাঁধ ধসে গেছে।

বরগুনার আমতলী উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের মধ্য সোনাখালী গ্রামের আবুল মেম্বারের বাজারসংলগ্ন স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের নির্মাণকাজ শেষ করার আগেই বাঁধ ধসে গেছে।

জানা গেছে,উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের মধ্য সোনাখালী গ্রামের আবুল মেম্বারের বাজার সংলগ্ন তাফালবাড়িয়া নদী। বর্ষার মৌসুমে নদীর প্রবল স্রোতে বাজার সংলগ্ন ১৩০ মিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে যায়। এতে আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের ৫টি গ্রাম পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে জমির ফসল ও চাষাবাদ নিয়ে বিপাকে পড়েন ওই সকল গ্রামের অন্তত ১০ হাজার মানুষ। ওই ইউনিয়নের ১০ হাজার মানুষ রক্ষায় এবং নদীর ভাঙন রোধে বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড ইমারজেন্সি প্রকল্পের অধীনে বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।

গত বছর নভেম্বর মাসে প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৩০ মিটার বাঁধ নির্মাণকাজের দরপত্র আহবান করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ওই কাজ পায় পটুয়াখালীর আজাদ এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। অভিযোগ রয়েছে ঠিকাদার স্বপন মৃধা বাঁধ নির্মাণকাজের শুরুতেই অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছেন।

স্থানীয় নান্নু প্যাদা বলেন, ঠিকাদার স্বপন মৃধা পাইলিং না করেই জিও ব্যাগ ফেলেছে। ফলে বাঁধে জিও ব্যাগ দেয়ার আট দিনের মধ্যেই বাঁধ দেবে গেছে। তিনি আরো বলেন,ঠিকদার নিম্নমানের কাজ করায় বৃষ্টি এলেই ওই বাঁধ ভেঙে যাবে।

ঠিকাদার স্বপন মৃধার তত্ত্বাবধায়ক সেলিম মিয়া বলেন,ঠিকাদার আমাকে যেভাবে কাজ করতে বলেছে আমি সেভাবেই কাজ করছি।

বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী (এসও) মো. আজিজুর রহমান সুজন বলেন,দেবে যাওয়া স্থানে জিও ব্যাগ ফেলে বাঁধ ঠিক করে দেওয়ার জন্য ঠিকাদার স্বপন মৃধাকে বলা হয়েছে।

বাঁধ দেবে যাওয়া ও নিম্নমানের কাজের বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার স্বপন মৃধা বলেন, প্রয়োজনীয় ও নিয়মমতো জিও ব্যাগ ব্যবহার করেছি। কোনো অনিয়ম করা হয়নি।

আঠারোগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ হাওলাদার বলেন, স্থানীয়দের কাছে অভিযোগ পেয়ে দেবে যাওয়া বাঁধ সরেজমিন দেখেছি। ওই বাঁধ আসছে বর্ষা, মৌসুমে টিকবে কিনা সন্দেহ রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাই।

বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলৗ মো. কায়সার আলম বলেন,বিষয়টি আমি শুনেছি। খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নির্মাণকাজ শেষ করার আগেই ধসে পড়েছে বাঁধ

 আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি 
২০ জানুয়ারি ২০২১, ০৭:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
নির্মাণকাজ শেষ করার আগেই বাঁধ ধসে গেছে।
নির্মাণকাজ শেষ করার আগেই বাঁধ ধসে গেছে।

বরগুনার আমতলী উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের মধ্য সোনাখালী গ্রামের আবুল মেম্বারের বাজারসংলগ্ন স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের নির্মাণকাজ শেষ করার আগেই বাঁধ ধসে গেছে।

জানা গেছে,উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের মধ্য সোনাখালী গ্রামের আবুল মেম্বারের বাজার সংলগ্ন তাফালবাড়িয়া নদী। বর্ষার মৌসুমে নদীর প্রবল স্রোতে বাজার সংলগ্ন ১৩০ মিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে যায়। এতে আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের ৫টি গ্রাম পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে জমির ফসল ও চাষাবাদ নিয়ে বিপাকে পড়েন ওই সকল গ্রামের অন্তত ১০ হাজার মানুষ। ওই ইউনিয়নের ১০ হাজার মানুষ রক্ষায় এবং নদীর ভাঙন রোধে বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড ইমারজেন্সি প্রকল্পের অধীনে বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।

গত বছর নভেম্বর মাসে প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৩০ মিটার বাঁধ নির্মাণকাজের দরপত্র আহবান করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ওই কাজ পায় পটুয়াখালীর আজাদ এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। অভিযোগ রয়েছে ঠিকাদার স্বপন মৃধা বাঁধ নির্মাণকাজের শুরুতেই অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছেন।

স্থানীয় নান্নু প্যাদা বলেন, ঠিকাদার স্বপন মৃধা পাইলিং না করেই জিও ব্যাগ ফেলেছে। ফলে বাঁধে জিও ব্যাগ দেয়ার আট দিনের মধ্যেই বাঁধ দেবে গেছে। তিনি আরো বলেন,ঠিকদার নিম্নমানের কাজ করায় বৃষ্টি এলেই ওই বাঁধ ভেঙে যাবে।

ঠিকাদার স্বপন মৃধার তত্ত্বাবধায়ক সেলিম মিয়া বলেন,ঠিকাদার আমাকে যেভাবে কাজ করতে বলেছে আমি সেভাবেই কাজ করছি।

বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী (এসও) মো. আজিজুর রহমান সুজন বলেন,দেবে যাওয়া স্থানে জিও ব্যাগ ফেলে বাঁধ ঠিক করে দেওয়ার জন্য ঠিকাদার স্বপন মৃধাকে বলা হয়েছে।

বাঁধ দেবে যাওয়া ও নিম্নমানের কাজের বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার স্বপন মৃধা বলেন, প্রয়োজনীয় ও নিয়মমতো জিও ব্যাগ ব্যবহার করেছি। কোনো অনিয়ম করা হয়নি।

আঠারোগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ হাওলাদার বলেন, স্থানীয়দের কাছে অভিযোগ পেয়ে দেবে যাওয়া বাঁধ সরেজমিন দেখেছি। ওই বাঁধ আসছে বর্ষা, মৌসুমে টিকবে কিনা সন্দেহ রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাই।

বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলৗ মো. কায়সার আলম বলেন,বিষয়টি আমি শুনেছি। খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন