পাঙ্গাস মাছের মড়ক রোধ করবে বায়োফিল্ম ভ্যাকসিন
jugantor
পাঙ্গাস মাছের মড়ক রোধ করবে বায়োফিল্ম ভ্যাকসিন

  সিলেট ব্যুরো  

২০ জানুয়ারি ২০২১, ২২:১৭:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

পাঙ্গাস

মানুষের খাদ্য তালিকায় থাকা জনপ্রিয় মাছ পাঙ্গাসের মড়ক রোধ করতে বায়োফিল্ম নামে নতুন ভ্যাকসিন উদ্ভাবিত হয়েছে। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ড. মো. আবদুল্লাহ আল মামুন এ ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছেন বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তর।

বুধবার সকাল ১০টায় মাৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে পিএইচডি গবেষণা ফলাফলের ওপর সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এ সেমিনারে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার তথ্য প্রকাশিত হয়। ডিএনএ বারকোডিংয়ের মাধ্যমে জেনেটিক পদ্ধতিতে একই প্রজাতির মাছ শনাক্তের মাধ্যমে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি চাষাবাদ পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে জানিয়েছে আরেকটি গবেষক দল।

মৎস্য জীববিদ্যা বিভাগের ড. শামীমা নাসরীনের নেতৃত্বে এ গবেষণাটি সম্পন্ন হয়। এছাড়া সয়াগ্রোথ বোস্টারনামক প্রোটিন পরিপূরকের পেটেন্ট পেয়েছেন মৎস্যচাষ বিভাগের ড. মোহাম্মদ এনামুল কবির; যা মৎস্য,ডেইরি ও পোলট্রি শিল্পে প্রোটিনের পরিপূরক হিসেবে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ব্যবহার করে সামুদ্রিক কুয়াশা (সি-ফগ) নির্ধারণ ও স্থানান্তর প্রক্রিয়া নির্ণয়ের মাধ্যমে সামুদ্রিক দুর্ঘটনা রোধ করার আরেকটি কৌশল আবিষ্কার করেছেন জলজ সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের ড. আহমেদ হারুন-আল-রশীদ।

তিনি এ প্রযুক্তির প্যাটেন্ট অর্জন করেছেন বলে সেমিনারে নিশ্চিত করা হয়। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. আবু সাঈদ। সহকারী প্রফেসর আরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন- প্রফেসর ড. শাহাব উদ্দিন, প্রফেসর ড. তরিকুল আলম, সেমিনার আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ড. মোহাম্মদ আবু জাফর ব্যাপারী, ড. তাওহীদ হাসানসহ শিক্ষকরা।

পাঙ্গাস মাছের মড়ক রোধ করবে বায়োফিল্ম ভ্যাকসিন

 সিলেট ব্যুরো 
২০ জানুয়ারি ২০২১, ১০:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পাঙ্গাস
পাঙ্গাস

মানুষের খাদ্য তালিকায় থাকা জনপ্রিয় মাছ পাঙ্গাসের মড়ক রোধ করতে বায়োফিল্ম নামে নতুন ভ্যাকসিন উদ্ভাবিত হয়েছে। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ড. মো. আবদুল্লাহ আল মামুন এ ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছেন বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তর।

 

বুধবার সকাল ১০টায় মাৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে পিএইচডি গবেষণা ফলাফলের ওপর সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এ সেমিনারে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার তথ্য প্রকাশিত হয়। ডিএনএ বারকোডিংয়ের মাধ্যমে জেনেটিক পদ্ধতিতে একই প্রজাতির মাছ শনাক্তের মাধ্যমে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি চাষাবাদ পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে জানিয়েছে আরেকটি গবেষক দল।

 

মৎস্য জীববিদ্যা বিভাগের ড. শামীমা নাসরীনের নেতৃত্বে এ গবেষণাটি সম্পন্ন হয়। এছাড়া সয়াগ্রোথ বোস্টারনামক প্রোটিন পরিপূরকের পেটেন্ট পেয়েছেন মৎস্যচাষ বিভাগের ড. মোহাম্মদ এনামুল কবির; যা মৎস্য,ডেইরি ও পোলট্রি শিল্পে প্রোটিনের পরিপূরক হিসেবে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ব্যবহার করে সামুদ্রিক কুয়াশা (সি-ফগ) নির্ধারণ ও স্থানান্তর প্রক্রিয়া নির্ণয়ের মাধ্যমে সামুদ্রিক দুর্ঘটনা রোধ করার আরেকটি কৌশল আবিষ্কার করেছেন জলজ সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের ড. আহমেদ হারুন-আল-রশীদ।

তিনি এ প্রযুক্তির প্যাটেন্ট অর্জন করেছেন বলে সেমিনারে নিশ্চিত করা হয়। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. আবু সাঈদ। সহকারী প্রফেসর আরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন- প্রফেসর ড. শাহাব উদ্দিন, প্রফেসর ড. তরিকুল আলম, সেমিনার আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ড. মোহাম্মদ আবু জাফর ব্যাপারী, ড. তাওহীদ হাসানসহ শিক্ষকরা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন