ক্রেতা সেজে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের চামড়াসহ শিকারি গ্রেফতার
jugantor
ক্রেতা সেজে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের চামড়াসহ শিকারি গ্রেফতার

  বাগেরহাট ও শরণখোলা প্রতিনিধি  

২০ জানুয়ারি ২০২১, ২২:৩১:১৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ক্রেতা সেজে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের চামড়াসহ শিকারি গ্রেফতার

ক্রেতা সেজে সুন্দরবনের একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের চামড়াসহ মো. গাউস ফকির নামের এক চোরা শিকারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগ ও র‌্যার-৮ সদস্যরা মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে সুন্দরবন সংলগ্ন শরণখোলার রায়েন্দা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে আটক করে।

পূর্ণবয়স্ক বাঘের চামড়াসহ গ্রেফতার মো. গাউস ফকির শরণখোলা উপজেলার দক্ষিণ সাউথখালী গ্রামের রশিদ ফকিরের ছেলে। পরে বাঘ হত্যায় বন আইনে মামলা দিয়ে গ্রেফতার চোরা শিকারিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, পেশাদার চোরা শিকারি গাউস ফকির সুন্দরবন থেকে একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার হত্যা করে চামড়া নিয়ে তা বিক্রির জন্য ক্রেতার জন্য অপেক্ষায় রয়েছে- এমন খবর আসে বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের কাছে। বিশ্বস্ত সূত্রের এ খবর নিশ্চিত হওয়ার পর র‌্যাব-৮ এর সহযোগিতা নিয়ে ক্রেতা সেজে শনিবার থেকে ৪ দিন ধরে গোপনে চোরা শিকারি গাউস ফকিরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

তিনি জানান, বাঘের চামড়াটির দাম ঠিক হয় ১৩ লাখ টাকা। এরপর ফাঁদ পাতেন সুন্দরবন বিভাগ ও র‌্যাব সদস্যরা। চোরা শিকারি গাউস ফকিরকে বাঘের চামড়া হস্তান্তরের সময় পুরো টাকা পরিশোধ করা হবে বলে তাকে আশ্বস্ত করা হয়। গাউস ফকির রাত ৮টার দিকে একটি বস্তায় ভরে চামড়াসহ শরণখোলা বাসন্ট্যান্ড সংলগ্ন তেলের পাম্পের কাছে জলিলের ব্রিজের নিচে আসে।

এ সময়ে সুন্দরবন বিভাগ ও র‌্যাবের যৌথ টিমের সদস্যরা চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে বস্তাবর্তি একটি বাঘের চামড়াসহ চোরা শিকারি গাউস ফকিরকে গ্রেফতার করে। উদ্ধার হওয়া বাঘের চামড়াটি ৮ ফুট ১ ইঞ্চি লম্বা ও ৩ ফুট ১ ইঞ্চি চওড়া বলে নিশ্চিত করেছে সুন্দরবন বিভাগ। বেশ কয়েক মাস আগে বাঘটি চোরা শিকারিরা হত্যা করে লবণ দিয়ে পলিথিনের বস্তায় ভরে রাখে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গাউস ফকির জানায়, সে কয়েক মাস আগে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রামের শহিদুল নামে অপর এক চোরা শিকারিকে সঙ্গে নিয়ে চোরা বাজারে চামড়া বিক্রি করার জন্য পূর্ণবয়স্ক এ বাঘটি হত্যা করে।

বন আইনে বাঘ হত্যা ও বন্যপ্রাণীর চামড়া বেচাকেনায় জড়িত থাকার দায়ে গ্রেফতার চোরা শিকারি গাউস ফকিরের সর্বোচ্চ সাজা ১০ বছর কারাদণ্ড ও ১৫ লাখ টাকা জরিমানা হবে বলে আশা করছে বন বিভাগ।

ক্রেতা সেজে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের চামড়াসহ শিকারি গ্রেফতার

 বাগেরহাট ও শরণখোলা প্রতিনিধি 
২০ জানুয়ারি ২০২১, ১০:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ক্রেতা সেজে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের চামড়াসহ শিকারি গ্রেফতার
ক্রেতা সেজে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের চামড়াসহ শিকারি গ্রেফতার

ক্রেতা সেজে সুন্দরবনের একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের চামড়াসহ মো. গাউস ফকির নামের এক চোরা শিকারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগ ও র‌্যার-৮ সদস্যরা মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে সুন্দরবন সংলগ্ন শরণখোলার রায়েন্দা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে আটক করে।

পূর্ণবয়স্ক বাঘের চামড়াসহ গ্রেফতার মো. গাউস ফকির শরণখোলা উপজেলার দক্ষিণ সাউথখালী গ্রামের রশিদ ফকিরের ছেলে। পরে বাঘ হত্যায় বন আইনে মামলা দিয়ে গ্রেফতার চোরা শিকারিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, পেশাদার চোরা শিকারি গাউস ফকির সুন্দরবন থেকে একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার হত্যা করে চামড়া নিয়ে তা বিক্রির জন্য ক্রেতার জন্য অপেক্ষায় রয়েছে- এমন খবর আসে বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের কাছে। বিশ্বস্ত সূত্রের এ খবর নিশ্চিত হওয়ার পর র‌্যাব-৮ এর সহযোগিতা নিয়ে ক্রেতা সেজে শনিবার থেকে ৪ দিন ধরে  গোপনে চোরা শিকারি গাউস ফকিরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

তিনি জানান, বাঘের চামড়াটির দাম ঠিক হয় ১৩ লাখ টাকা। এরপর ফাঁদ পাতেন সুন্দরবন বিভাগ ও র‌্যাব সদস্যরা। চোরা শিকারি গাউস ফকিরকে বাঘের চামড়া হস্তান্তরের সময় পুরো টাকা পরিশোধ করা হবে বলে তাকে আশ্বস্ত করা হয়। গাউস ফকির রাত ৮টার দিকে একটি বস্তায় ভরে চামড়াসহ শরণখোলা বাসন্ট্যান্ড সংলগ্ন তেলের পাম্পের কাছে জলিলের ব্রিজের নিচে আসে।

এ সময়ে সুন্দরবন বিভাগ ও র‌্যাবের যৌথ টিমের সদস্যরা চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে বস্তাবর্তি একটি বাঘের চামড়াসহ চোরা শিকারি গাউস ফকিরকে গ্রেফতার করে। উদ্ধার হওয়া বাঘের চামড়াটি ৮ ফুট ১ ইঞ্চি লম্বা ও ৩ ফুট ১ ইঞ্চি চওড়া বলে নিশ্চিত করেছে সুন্দরবন বিভাগ। বেশ কয়েক মাস আগে বাঘটি চোরা শিকারিরা হত্যা করে লবণ দিয়ে পলিথিনের বস্তায় ভরে রাখে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গাউস ফকির জানায়, সে কয়েক মাস আগে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রামের শহিদুল নামে অপর এক চোরা শিকারিকে সঙ্গে নিয়ে চোরা বাজারে চামড়া বিক্রি করার জন্য পূর্ণবয়স্ক এ বাঘটি হত্যা করে।

বন আইনে বাঘ হত্যা ও বন্যপ্রাণীর চামড়া বেচাকেনায় জড়িত থাকার দায়ে গ্রেফতার চোরা শিকারি গাউস ফকিরের সর্বোচ্চ সাজা ১০ বছর কারাদণ্ড ও ১৫ লাখ টাকা জরিমানা হবে বলে আশা করছে বন বিভাগ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন