গোপনে তরুণীর ভিডিও ধারণ, ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে
jugantor
গোপনে তরুণীর ভিডিও ধারণ, ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে

  মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি  

২১ জানুয়ারি ২০২১, ১৮:০৫:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গোপন ক্যামেরায় বাড়িওয়ালার মেয়ের গোসলের ভিডিও ধারণ এবং দম্পতির অন্তরঙ্গ ভিডিও ধারণের চেষ্টার অভিযোগে হিমেল সিকদার (২৩) নামে এক ছাত্রলীগ নেতাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার পর বৃহস্পতিবার সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

হিমেল সিকদার উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি ফতেপুর ইউনিয়নের থলপাড়া গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে। বুধবার রাতে উপজেলা সদরের ইউনিয়ন পাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে হিমেল সিকদারকে ফতেপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন খান ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সিয়াম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়। একইসঙ্গে তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটিতে সুপারিশ করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, হিমেল কয়েক দিন ধরে গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে ওই বাসার মালিকের মেয়ের গোসলের ভিডিও ধারণ করেন। তিনি গত মঙ্গলবার রাতে ওই বাসার ভাড়াটিয়া দম্পতির অন্তরঙ্গ মুহূর্তের দৃশ্য ধারণ করতে ঘরের ধরনার সঙ্গে গোপন ক্যামেরা সাটাতে থাকেন; যা দম্পতি দেখে ফেলেন। পরে ভাড়াটিয়া ও বাসার মালিকেরা আসলে প্রথমে হিমেল গোপন ক্যামেরার কথা অস্বীকার করলেও তাদের চাপে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

তার মোবাইলফোন থেকে বাড়ির মালিকের মেয়ের গোসলের পাঁচটি ভিডিও পান ভাড়াটিয়ারা। খবর পেয়ে রাতে পুলিশ তাকে মির্জাপুরের ভাড়া বাসা থেকে গ্রেফতার করে।

এ ব্যাপারে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সাদ্দাম হোসেন খান জানান, কারও ব্যক্তিগত অপরাধের দায় ছাত্রলীগ নেবে না। হিমেলকে ফতেপুর ইউনয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাকে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটিতে সুপারিশ করা হয়েছে।

মির্জাপুর থানার ওসি মোহাম্মদ রিজাউল হক বলেন, হিমেল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তার মোবাইলফোন ও গোপন ক্যামেরা জব্দ করা হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে নিয়মিত মামলা দিয়ে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

গোপনে তরুণীর ভিডিও ধারণ, ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে

 মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি 
২১ জানুয়ারি ২০২১, ০৬:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গোপন ক্যামেরায় বাড়িওয়ালার মেয়ের গোসলের ভিডিও ধারণ এবং দম্পতির অন্তরঙ্গ ভিডিও ধারণের চেষ্টার অভিযোগে হিমেল সিকদার (২৩) নামে এক ছাত্রলীগ নেতাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার পর বৃহস্পতিবার সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

হিমেল সিকদার উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি ফতেপুর ইউনিয়নের থলপাড়া গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে। বুধবার রাতে উপজেলা সদরের ইউনিয়ন পাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে হিমেল সিকদারকে ফতেপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন খান ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সিয়াম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়। একইসঙ্গে তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটিতে সুপারিশ করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, হিমেল কয়েক দিন ধরে গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে ওই বাসার মালিকের মেয়ের গোসলের ভিডিও ধারণ করেন। তিনি গত মঙ্গলবার রাতে ওই বাসার ভাড়াটিয়া দম্পতির অন্তরঙ্গ মুহূর্তের দৃশ্য ধারণ করতে ঘরের ধরনার সঙ্গে গোপন ক্যামেরা সাটাতে থাকেন; যা দম্পতি দেখে ফেলেন। পরে ভাড়াটিয়া ও বাসার মালিকেরা আসলে প্রথমে হিমেল গোপন ক্যামেরার কথা অস্বীকার করলেও তাদের চাপে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

তার মোবাইলফোন থেকে বাড়ির মালিকের মেয়ের গোসলের পাঁচটি ভিডিও পান ভাড়াটিয়ারা। খবর পেয়ে রাতে পুলিশ তাকে মির্জাপুরের ভাড়া বাসা থেকে গ্রেফতার করে।

এ ব্যাপারে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সাদ্দাম হোসেন খান জানান, কারও ব্যক্তিগত অপরাধের দায় ছাত্রলীগ নেবে না। হিমেলকে ফতেপুর ইউনয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাকে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটিতে সুপারিশ করা হয়েছে।

মির্জাপুর থানার ওসি মোহাম্মদ রিজাউল হক বলেন, হিমেল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তার মোবাইলফোন ও গোপন ক্যামেরা জব্দ করা হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে নিয়মিত মামলা দিয়ে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন