সড়কে রক্তাক্ত লাশ, পরিবারের দাবি হত্যাকাণ্ড
jugantor
সড়কে রক্তাক্ত লাশ, পরিবারের দাবি হত্যাকাণ্ড

  নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২১ জানুয়ারি ২০২১, ১৮:২৯:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ-ইনাতগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে মো. আলমগীর মিয়া (৪০) নামে এক যুবকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে নবীগঞ্জ-ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর সামছুদ্দিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে লাশটি উদ্ধার করেন।

মো. আলমগীর মিয়ার মৃত্যুতে তার বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। এদিকে পুলিশ এটাকে দুর্ঘটনা বললেও নিহতের পরিবারের দাবি তাকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ রাস্তায় পাশে ফেলে রেখে দেয়া হয়েছে। পরে এটাকে রোড এক্সিডেন্ট হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার জন্য পরিকল্পনা করা হয়।

পুলিশ লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করেছে। ঘটনার খবর পেয়ে নবীগঞ্জ-বাহুবল উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সার্কেল এএসপি পারভেজ আলম চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

মো. আলমগীর মিয়া ব্যক্তি নবীগঞ্জ উপজেলার বড় ভাকৈর (পূর্ব) ইউনিয়নের ছোট ভাকৈর গ্রামের বড় বাড়ির মৃত আবুল কালাম আজাদের ছেলে।

আলমগীর মিয়ার ভাই রুনেল মিয়া জানান, তার ভাই বেগমপুর গ্রামে একটি বাড়িতে প্রতিদিন যাওয়া আশা করতেন। ওই দিন রাতে তিনি ওই বাড়িতে যান।

রুনেল বলেন, যেভাবে রাস্তায় তার ভাইয়ের লাশকে ফেলে রাখা হয়েছে এবং শুধুমাত্র মাথায় আঘাত করা হয়েছে এটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। যদি সড়ক দুর্ঘটনা হতো তাহলে শুধু মাথায় আঘাত নয় সম্পূর্ণ শরীরে একাধিক স্পট থাকতো। সে তার ভাইয়ের হত্যার বিচার চায়।

ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. সামছুদ্দিন জানান, সম্ভবত রাতে কোনো অজ্ঞাতনামা গাড়ি থাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে সড়ক দুর্ঘটনার চিহ্ন রয়েছে।

তিনি ধারনা করছেন এটি সড়ক দুর্ঘটনা। তবে নিহত পরিবার যদি মামলা দায়ের করে সেটা তাদের একান্ত নিজস্ব ব্যাপার। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে বুঝতে পারবো এটা পরিকল্পিত হত্যা নাকি সড়ক দুর্ঘটনা।

সড়কে রক্তাক্ত লাশ, পরিবারের দাবি হত্যাকাণ্ড

 নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২১ জানুয়ারি ২০২১, ০৬:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ-ইনাতগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে মো. আলমগীর মিয়া (৪০) নামে এক যুবকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে নবীগঞ্জ-ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর সামছুদ্দিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে লাশটি উদ্ধার করেন।

মো. আলমগীর মিয়ার মৃত্যুতে তার বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। এদিকে পুলিশ এটাকে দুর্ঘটনা বললেও নিহতের পরিবারের দাবি তাকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ রাস্তায় পাশে ফেলে রেখে দেয়া হয়েছে। পরে এটাকে রোড এক্সিডেন্ট হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার জন্য পরিকল্পনা করা হয়।

পুলিশ লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করেছে। ঘটনার খবর পেয়ে নবীগঞ্জ-বাহুবল উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সার্কেল এএসপি পারভেজ আলম চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

মো. আলমগীর মিয়া ব্যক্তি নবীগঞ্জ উপজেলার বড় ভাকৈর (পূর্ব) ইউনিয়নের ছোট ভাকৈর গ্রামের বড় বাড়ির মৃত আবুল কালাম আজাদের ছেলে।

আলমগীর মিয়ার ভাই রুনেল মিয়া জানান, তার ভাই বেগমপুর গ্রামে একটি বাড়িতে প্রতিদিন যাওয়া আশা করতেন। ওই দিন রাতে তিনি ওই বাড়িতে যান।

রুনেল বলেন, যেভাবে রাস্তায় তার ভাইয়ের লাশকে ফেলে রাখা হয়েছে এবং শুধুমাত্র মাথায় আঘাত করা হয়েছে এটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। যদি সড়ক দুর্ঘটনা হতো তাহলে শুধু মাথায় আঘাত নয় সম্পূর্ণ শরীরে একাধিক স্পট থাকতো। সে তার ভাইয়ের হত্যার বিচার চায়।

ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. সামছুদ্দিন জানান, সম্ভবত রাতে কোনো অজ্ঞাতনামা গাড়ি থাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে সড়ক দুর্ঘটনার চিহ্ন রয়েছে।

তিনি ধারনা করছেন এটি সড়ক দুর্ঘটনা। তবে নিহত পরিবার যদি মামলা দায়ের করে সেটা তাদের একান্ত নিজস্ব ব্যাপার। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে বুঝতে পারবো এটা পরিকল্পিত হত্যা নাকি সড়ক দুর্ঘটনা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন