সংবাদ সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন ৩০ বছরের কাউন্সিলর
jugantor
সংবাদ সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন ৩০ বছরের কাউন্সিলর

  পিরোজপুর প্রতিনিধি  

২১ জানুয়ারি ২০২১, ২২:৩১:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

৩০ বছর ধরে মাঠে থেকে সাধারণ মানুষের সেবা করেছেন মিনারা বেগম। তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। এ বছরও তিনি প্রচুর ভোট পেয়েছেন। তবে নির্বাচিত হতে পারেননি। অবৈধ টাকা, প্রচারণায় বাধা প্রদান এবং পেশি শক্তি ব্যবহার করে তাকে হারানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

সদ্যসমাপ্ত দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত পিরোজপুর পৌরসভা নির্বাচনে সংরক্ষিত ২নং ওয়ার্ডে (৪,৫ ও ৬ সাধারণ ওয়ার্ড) পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থী মিনারা বেগম বৃহস্পতিবার দুপুরে পিরোজপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে আবেগাপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেলেন।

তিনি দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ছয় বার পিরোজপুর পৌরসভার কাউন্সিলর ছিলেন। এ বছরও তিনি পিরোজপুর পৌরসভার ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড থেকে সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন।

লিখিত বক্তব্যে মিনারা অভিযোগ করেন, তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তাকে এবং তার কর্মীদের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে। নির্বাচনে বিজয়ী জবাফুল প্রতীকের প্রার্থী ঈশিতা বেগম হ্যাপী প্রচুর পরিমানে অবৈধ অর্থ ব্যয় করে পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের দুইটি কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের যোগসাজশে অনিয়ম করে তাকে নির্বাচনে পরাজিত করেছেন।

এছাড়া ওই কেন্দ্রগুলোতে তার এজেন্টদের বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতি দিয়ে তাদেরকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও, কোনো প্রতিকার পাননি। এমনকি ভাইজোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে প্রদানকৃত রেজাল্ট শিটের ফলাফলে প্রিজাইডিং অফিসার প্রভাষক মো. হাবিবুল্লাহ কোনো স্বাক্ষর করেননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ ব্যাপারে ঈশিতা বেগম হ্যাপিকে মোবাইলে কল দিলে তার ফোনটি নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে প্রিজাইডিং অফিসারকে পাওয়া না গেলেও এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন অফিসার মো. খান আবি শাহানুর যুগান্তরকে জানান, পরাজিত প্রার্থী মিনারা বেগম আমার কাছে আসেন। তাকে আমি প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর সংযুক্ত রেজাল্ট শিট দেখালে তিনি কোনো মন্তব্য না করে চলে যান।

নির্বাচন অফিসার আরও জানান, যে কেন্দ্র নিয়ে ওই প্রার্থীর অভিযোগ সে কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষরিত একটি রেজাল্ট শিট কেন্দ্রের ওয়ালে সেঁটে দেয়া হয়েছে, যা সবাই দেখেছে। পরাজিত প্রার্থীর দাবি- জনগণ তাকে ঠিকই ভোট দিয়েছেন, তবে প্রচারণায় বাধা প্রদান, প্রচুর অর্থ ও পেশী শক্তির মাধ্যমে তাকে নির্বাচনে পরাজিত করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন ৩০ বছরের কাউন্সিলর

 পিরোজপুর প্রতিনিধি 
২১ জানুয়ারি ২০২১, ১০:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

৩০ বছর ধরে মাঠে থেকে সাধারণ মানুষের সেবা করেছেন মিনারা বেগম। তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। এ বছরও তিনি প্রচুর ভোট পেয়েছেন। তবে নির্বাচিত হতে পারেননি। অবৈধ টাকা, প্রচারণায় বাধা প্রদান এবং পেশি শক্তি ব্যবহার করে তাকে হারানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

সদ্যসমাপ্ত দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত পিরোজপুর পৌরসভা নির্বাচনে সংরক্ষিত ২নং ওয়ার্ডে (৪,৫ ও ৬ সাধারণ ওয়ার্ড) পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থী মিনারা বেগম বৃহস্পতিবার দুপুরে পিরোজপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে আবেগাপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেলেন।

তিনি দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ছয় বার পিরোজপুর পৌরসভার কাউন্সিলর ছিলেন। এ বছরও তিনি পিরোজপুর পৌরসভার ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড থেকে সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন।

লিখিত বক্তব্যে মিনারা অভিযোগ করেন, তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তাকে এবং তার কর্মীদের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে। নির্বাচনে বিজয়ী জবাফুল প্রতীকের প্রার্থী ঈশিতা বেগম হ্যাপী প্রচুর পরিমানে অবৈধ অর্থ ব্যয় করে পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের দুইটি কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের যোগসাজশে অনিয়ম করে তাকে নির্বাচনে পরাজিত করেছেন।

এছাড়া ওই কেন্দ্রগুলোতে তার এজেন্টদের বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতি দিয়ে তাদেরকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও, কোনো প্রতিকার পাননি। এমনকি ভাইজোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে প্রদানকৃত রেজাল্ট শিটের ফলাফলে প্রিজাইডিং অফিসার প্রভাষক মো. হাবিবুল্লাহ কোনো স্বাক্ষর করেননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ ব্যাপারে ঈশিতা বেগম হ্যাপিকে মোবাইলে কল দিলে তার ফোনটি নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে প্রিজাইডিং অফিসারকে পাওয়া না গেলেও এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন অফিসার মো. খান আবি শাহানুর যুগান্তরকে জানান, পরাজিত প্রার্থী মিনারা বেগম আমার কাছে আসেন। তাকে আমি প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর সংযুক্ত রেজাল্ট শিট দেখালে তিনি কোনো মন্তব্য না করে চলে যান।

নির্বাচন অফিসার আরও জানান, যে কেন্দ্র নিয়ে ওই প্রার্থীর অভিযোগ সে কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষরিত একটি রেজাল্ট শিট কেন্দ্রের ওয়ালে সেঁটে দেয়া হয়েছে, যা সবাই দেখেছে। পরাজিত প্রার্থীর দাবি- জনগণ তাকে ঠিকই ভোট দিয়েছেন, তবে প্রচারণায় বাধা প্রদান, প্রচুর অর্থ ও পেশী শক্তির মাধ্যমে তাকে নির্বাচনে পরাজিত করা হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন