তৈলাক্ত কলাগাছে উঠার খেলায় হাজারো মানুষের ঢল
jugantor
তৈলাক্ত কলাগাছে উঠার খেলায় হাজারো মানুষের ঢল

  কিশোরগঞ্জ ব্যুরো  

২২ জানুয়ারি ২০২১, ২২:৩৫:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

কিশোরগঞ্জের হিজলীয়া গ্রামে ঐতিহ্যবাহী কাবাডি এবং তৈলাক্ত কলাগাছে উঠা খেলা দেখতে শুক্রবার বিকালে ঢল নেমেছিল বিভিন্ন বয়সের হাজারো নারী-পুরুষের। কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের হিজলীয়া গ্রামে।

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী এ প্রাণের খেলার আয়োজনে করোনা আতঙ্কে দীর্ঘদিন ধরে নির্মল বিনোদনহীন অবস্থায় থাকা বিভিন্ন অঞ্চলের শত-শত নারী-পুরুষের এমন ঢল নামে।

উন্মুক্ত তৈলাক্ত কলাগাছে উঠা খেলায় ২৫ প্রতিযোগী অংশ নেন। আর লাল ও সবুজ দল নামে গ্রামের সেরা খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠিত দুটি দলের ২০ জন কাবাডি খেলায় অংশ নেন। কাবাডি খেলায় সবুজ দলকে হারিয়ে লাল দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

অপরদিকে স্বল্পতম সময়ে তৈলাক্ত কলাগাছে উঠা খেলায় সাদ্দাম হোসেন প্রথম, ফজলে রাব্বি দ্বিতীয় এবং মো. রহমত উল্লাহ তৃতীয় হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

খেলা শেষে কাবাডি খেলায় বিজয়ী ও বিজিত দলের ২০ খেলোয়াড়ের প্রত্যেকের এবং তৈলাক্ত কলাগাছে উঠা প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীর হাতে পুরষ্কার হিসেবে একটি করে রাইস কুকার দেয়া হয়।

খেলায় পাকুন্দিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম রেণু প্রধান অতিথি, চরফরাদী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সাদ্দাম হোসেন ও পাকুন্দিয়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মো. নজরুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

তৈলাক্ত কলাগাছে উঠার খেলায় হাজারো মানুষের ঢল

 কিশোরগঞ্জ ব্যুরো 
২২ জানুয়ারি ২০২১, ১০:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কিশোরগঞ্জের হিজলীয়া গ্রামে ঐতিহ্যবাহী  কাবাডি এবং তৈলাক্ত কলাগাছে উঠা খেলা দেখতে শুক্রবার বিকালে ঢল নেমেছিল বিভিন্ন বয়সের হাজারো নারী-পুরুষের। কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের হিজলীয়া গ্রামে।

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী এ প্রাণের খেলার আয়োজনে করোনা আতঙ্কে দীর্ঘদিন ধরে নির্মল বিনোদনহীন অবস্থায় থাকা বিভিন্ন অঞ্চলের শত-শত নারী-পুরুষের এমন ঢল নামে।

উন্মুক্ত তৈলাক্ত কলাগাছে উঠা খেলায় ২৫ প্রতিযোগী অংশ নেন। আর লাল ও সবুজ দল নামে গ্রামের সেরা খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠিত দুটি দলের ২০ জন কাবাডি খেলায় অংশ নেন। কাবাডি খেলায় সবুজ দলকে হারিয়ে লাল দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। 

অপরদিকে স্বল্পতম সময়ে তৈলাক্ত কলাগাছে উঠা খেলায় সাদ্দাম হোসেন প্রথম, ফজলে রাব্বি দ্বিতীয় এবং মো. রহমত উল্লাহ তৃতীয় হওয়ার গৌরব অর্জন করে।                     

খেলা শেষে কাবাডি খেলায় বিজয়ী ও বিজিত দলের ২০ খেলোয়াড়ের প্রত্যেকের এবং তৈলাক্ত কলাগাছে উঠা প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীর হাতে পুরষ্কার হিসেবে একটি করে রাইস কুকার দেয়া হয়। 

খেলায় পাকুন্দিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম রেণু প্রধান অতিথি, চরফরাদী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সাদ্দাম হোসেন ও পাকুন্দিয়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মো. নজরুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন