৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধ করল পুলিশ
jugantor
৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধ করল পুলিশ

  কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  

২৪ জানুয়ারি ২০২১, ২২:২৩:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

বাল্যবিয়ে

বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে অভিযোগ করার পর নেত্রকোনার কেন্দুয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি বিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন।

রোববার বিকালে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহনেওয়াজের নির্দেশে উপপরিদর্শক (এসআই) নোমান সাদেকীন এ বাল্যবিয়ে বন্ধ করেন।

এসআই নোমান সাদেকীন জানান, রোববার কেন্দুয়া উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের বালুচর গ্রামের রাজন মিয়ার মাদরাসা পড়ুয়া মেয়ের (১৪) সাথে একই উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের মাসকা মধ্যপাড়া গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে সাকিব মিয়ার (২১) বাল্যবিয়ের আয়োজন করে পরিবার। বিষয়টি স্থানীয়রা জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে এবং কেন্দুয়া থানায় মোবাইল ফোনে অভিযোগ করলে পুলিশ অবগত হয়।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বর ও কনে উভয়পক্ষের লোকজনকে বাল্যবিয়ের কুফলসহ আইনগতভাবে তা অপরাধ- এসব বিষয় বুঝিয়ে বিয়েটি বন্ধ করে দেয়া হয় বলে এসআই নোমান সাদেকীন জানান।

এ বিষয়ে রাত সাড়ে ৭টার দিকে কেন্দুয়া থানার ওসি কাজী শাহ নেওয়াজের সাথে কথা হলে তিনি এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, প্রথমে স্থানীয়রা থানায় মোবাইলে ফোন করে বাল্যবিয়ে আয়োজনের অভিযোগ করেন এবং পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বর থেকেও অভিযোগ পাই। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে বিয়েটি বন্ধ করা হয়েছে। এছাড়া উপজেলার যেকোনো এলাকায় বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে কেন্দুয়া থানা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে বলেও জানান ওসি।

৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধ করল পুলিশ

 কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি 
২৪ জানুয়ারি ২০২১, ১০:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বাল্যবিয়ে
বাল্যবিয়ে

বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে অভিযোগ করার পর নেত্রকোনার কেন্দুয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি বিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন।

রোববার বিকালে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহনেওয়াজের নির্দেশে উপপরিদর্শক (এসআই) নোমান সাদেকীন এ বাল্যবিয়ে বন্ধ করেন।

এসআই নোমান সাদেকীন জানান, রোববার কেন্দুয়া উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের বালুচর গ্রামের রাজন মিয়ার মাদরাসা পড়ুয়া মেয়ের (১৪) সাথে একই উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের মাসকা মধ্যপাড়া গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে সাকিব মিয়ার (২১) বাল্যবিয়ের আয়োজন করে পরিবার। বিষয়টি স্থানীয়রা জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে এবং কেন্দুয়া থানায় মোবাইল ফোনে অভিযোগ করলে পুলিশ অবগত হয়।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বর ও কনে উভয়পক্ষের লোকজনকে বাল্যবিয়ের কুফলসহ আইনগতভাবে তা অপরাধ- এসব বিষয় বুঝিয়ে বিয়েটি বন্ধ করে দেয়া হয় বলে এসআই নোমান সাদেকীন জানান।

এ বিষয়ে রাত সাড়ে ৭টার দিকে কেন্দুয়া থানার ওসি কাজী শাহ নেওয়াজের সাথে কথা হলে তিনি এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, প্রথমে স্থানীয়রা থানায় মোবাইলে ফোন করে বাল্যবিয়ে আয়োজনের অভিযোগ করেন এবং পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বর থেকেও অভিযোগ পাই। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে বিয়েটি বন্ধ করা হয়েছে। এছাড়া উপজেলার যেকোনো এলাকায় বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে কেন্দুয়া থানা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে বলেও জানান ওসি।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন