ফল প্রত্যাখ্যান, পুনরায় নির্বাচনের দাবি নবীগঞ্জ যুবলীগের
jugantor
ফল প্রত্যাখ্যান, পুনরায় নির্বাচনের দাবি নবীগঞ্জ যুবলীগের

  নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৪ জানুয়ারি ২০২১, ২২:৩৫:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে যুবলীগের আহবায়ক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম

উপজেলা যুবলীগের এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে যুবলীগের আহবায়ক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম বলেন, ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নবীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও নবীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক গোলাম রসুল রাহেল চৌধুরী নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, পৌর নির্বাচনে যখন নৌকার গণজাগরণ, চারিদিকে শুধু নৌকার জয়গান উঠে- ঠিক তখনই পৌরসভা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে সূক্ষ্ম কারচুপি ও গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী গোলাম রসুল রাহেল চৌধুরীকে পরাজিত ঘোষণা করা হয়।

এছাড়াও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বিএনপির প্রার্থীর আত্মীয়স্বজনকে পোলিং প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেয়। ফলে তারা সূক্ষ্ম কারচুপি ও সুপরিকল্পিতভাবে নহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের ফলাফল পরিবর্তন করে বিএনপি প্রার্থীকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী করা হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ নবীগঞ্জ উপজেলা শাখা নবীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করল।

সেই সাথে অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে জনগণের ভোটের রায় প্রতিষ্ঠার স্বার্থে নহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্রে পুনরায় নির্বাচন দেয়ার দাবি জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ গুল আহমদ কাজল,লোকমান আহমদ খান প্রমুখ।

এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি। এক প্রশ্নের জবাবে বলেন,নহরপুর কেন্দ্রে নৌকার ৯৯২ ভোট এবং ধানের শীষের ৬৬৯ ভোট ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে নৌকার এজেন্টের কাছে ফলাফল শিট না দিয়ে তড়িঘড়ি করে প্রিসাইডিং অফিসার সঙ্গীয় লোকদের নিয়ে উপজেলা নির্বাচন কন্টোল রুমে এসে ফলাফল উল্টে দেন।

ফল প্রত্যাখ্যান, পুনরায় নির্বাচনের দাবি নবীগঞ্জ যুবলীগের

 নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৪ জানুয়ারি ২০২১, ১০:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে যুবলীগের আহবায়ক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে যুবলীগের আহবায়ক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম

উপজেলা যুবলীগের এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে যুবলীগের আহবায়ক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম বলেন, ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নবীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও নবীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক গোলাম রসুল রাহেল চৌধুরী নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, পৌর নির্বাচনে যখন নৌকার গণজাগরণ, চারিদিকে শুধু নৌকার জয়গান উঠে- ঠিক তখনই পৌরসভা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে সূক্ষ্ম কারচুপি ও গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী গোলাম রসুল রাহেল চৌধুরীকে পরাজিত ঘোষণা করা হয়।

এছাড়াও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বিএনপির প্রার্থীর আত্মীয়স্বজনকে পোলিং প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেয়। ফলে তারা সূক্ষ্ম কারচুপি ও সুপরিকল্পিতভাবে নহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের ফলাফল পরিবর্তন করে বিএনপি প্রার্থীকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী করা হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ নবীগঞ্জ উপজেলা শাখা নবীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করল।

সেই সাথে অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে জনগণের ভোটের রায় প্রতিষ্ঠার স্বার্থে নহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্রে পুনরায় নির্বাচন দেয়ার দাবি জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ গুল আহমদ কাজল,লোকমান আহমদ খান প্রমুখ।

এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি। এক প্রশ্নের জবাবে বলেন,নহরপুর কেন্দ্রে নৌকার ৯৯২ ভোট এবং ধানের শীষের ৬৬৯ ভোট ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে নৌকার এজেন্টের কাছে ফলাফল শিট না দিয়ে তড়িঘড়ি করে প্রিসাইডিং অফিসার সঙ্গীয় লোকদের নিয়ে উপজেলা নির্বাচন কন্টোল রুমে এসে ফলাফল উল্টে দেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন