শিশুকে ৩ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে একজন, অপরজন পাহারা দেয়
jugantor
শিশুকে ৩ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে একজন, অপরজন পাহারা দেয়

  ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি  

২৪ জানুয়ারি ২০২১, ২২:৪০:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার ধামরাইয়ে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের পর তিন দিন আটকে রেখে ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষক ও তার সহযোগী গ্রেফতার হয়েছে। এদের একজন ধর্ষণ করেছে আর অপরজন বাইরে দাঁড়িয়ে থেকে পাহারা দিয়ে সহায়তা করেছে।

রোববার বিকালে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেছে। এ ব্যাপারে ধামরাই থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার কান্দিরপাড় এলাকার এক রিকশাওয়ালা ঢাকার ধামরাই পৌরশহরের আইনগন মহল্লায় একটি ভাড়া করা বাড়িতে বসবাস করেন। পঞ্চম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত তার মেয়েকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দেয় পৌরশহরের মোকামটোলা মহল্লার চিত্তরঞ্জন সূত্রধরের বখাটে ছেলে সাগর কুমার সূত্রধর (২৩) ও রঞ্জন সূত্রধরের বখাটে ছেলে বিকাশ কুমার সূত্রধর।

তাদের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তারা ওই স্কুলছাত্রীর প্রতি ক্ষুব্ধ হয়। এরই জের ধরে শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে আইনগন রাস্তা দিয়ে বাসায় ফেরার পথে শিশুটির মুখ বেঁধে অটোরিকশায় করে নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়। পরে রাত ৯টার দিকে গোপনে সাগর কুমার সূত্রধরের নিজ বাড়িতে নিয়ে একটি কামরায় আটকে রেখে তিন দিন যাবত ইচ্ছার বিরুদ্ধে ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে। এ ধর্ষণের কাজে সহায়তাকারী বিকাশ কুমার সূত্রধর বাইরে দাঁড়িয়ে থেকে পাহারা দেয়।

বাড়ি না ফেরায় ওই স্কুলছাত্রীর পরিবারের লোকজন চিন্তিত হয়ে পড়ে। তারা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে বিষয়টি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও থানা পুলিশকে অবহিত করেন। ওই স্কুলছাত্রী কৌশলে রোববার বেলা ১১টার দিকে কোনোমতে বাড়ি ফিরেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে সুস্থ হয়ে ঘটনার বর্ণনা দেয়।

ব্যাপারটি ধামরাই থানার ওসি মো. আতিকুর রহমানকে জানানো হলে তিনি তাৎক্ষণিক মামলা গ্রহণ ও আসামিদের গ্রেফতারের নির্দেশ দেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই ধর্ষণকারী সাগর কুমার দাস ও সহায়তাকারী বিকাশ কুমার দাসকে গ্রেফতার করে।

এ ব্যাপারে ধর্ষিতা ওই স্কুলছাত্রীর পিতা বলেন, সংসারের চরম অভাব-অনটনের জন্য নিজের পৈতৃক ভিটেমাটি ফেলে ঢাকার ধামরাইয়ে চলে আসি। রিকশা চালিয়ে কোনোমতে সংসার চালাই। এর মধ্যে আমার কী বড় সর্বনাশ হলো। আমি আমার মেয়ের সর্বনাশকারীদের ফাঁসি চাই।

ধামরাই থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মামলা নেয়া হয়েছে। আসামি দুইজনকেই গ্রেফতার করেছি।

শিশুকে ৩ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে একজন, অপরজন পাহারা দেয়

 ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি 
২৪ জানুয়ারি ২০২১, ১০:৪০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার ধামরাইয়ে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের পর তিন দিন আটকে রেখে ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষক ও তার সহযোগী গ্রেফতার হয়েছে। এদের একজন ধর্ষণ করেছে আর অপরজন বাইরে দাঁড়িয়ে থেকে পাহারা দিয়ে সহায়তা করেছে।

রোববার বিকালে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেছে। এ ব্যাপারে ধামরাই থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার কান্দিরপাড় এলাকার এক রিকশাওয়ালা ঢাকার ধামরাই পৌরশহরের আইনগন মহল্লায় একটি ভাড়া করা বাড়িতে বসবাস করেন। পঞ্চম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত তার মেয়েকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দেয় পৌরশহরের মোকামটোলা মহল্লার চিত্তরঞ্জন সূত্রধরের বখাটে ছেলে সাগর কুমার সূত্রধর (২৩) ও রঞ্জন সূত্রধরের বখাটে ছেলে বিকাশ কুমার সূত্রধর।
 
তাদের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তারা ওই স্কুলছাত্রীর প্রতি ক্ষুব্ধ হয়। এরই জের ধরে শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে আইনগন রাস্তা দিয়ে বাসায় ফেরার পথে শিশুটির মুখ বেঁধে অটোরিকশায় করে নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়। পরে রাত ৯টার দিকে গোপনে সাগর কুমার সূত্রধরের নিজ বাড়িতে নিয়ে একটি কামরায় আটকে রেখে তিন দিন যাবত ইচ্ছার বিরুদ্ধে ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে। এ ধর্ষণের কাজে সহায়তাকারী বিকাশ কুমার সূত্রধর বাইরে দাঁড়িয়ে থেকে পাহারা দেয়।

বাড়ি না ফেরায় ওই স্কুলছাত্রীর পরিবারের লোকজন চিন্তিত হয়ে পড়ে। তারা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে বিষয়টি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও থানা পুলিশকে অবহিত করেন। ওই স্কুলছাত্রী কৌশলে রোববার বেলা ১১টার দিকে কোনোমতে বাড়ি ফিরেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে সুস্থ হয়ে ঘটনার বর্ণনা দেয়।

ব্যাপারটি ধামরাই থানার ওসি মো. আতিকুর রহমানকে জানানো হলে তিনি তাৎক্ষণিক মামলা গ্রহণ ও আসামিদের গ্রেফতারের নির্দেশ দেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই ধর্ষণকারী সাগর কুমার দাস ও সহায়তাকারী বিকাশ কুমার দাসকে গ্রেফতার করে।

এ ব্যাপারে ধর্ষিতা ওই স্কুলছাত্রীর পিতা বলেন, সংসারের চরম অভাব-অনটনের জন্য নিজের পৈতৃক ভিটেমাটি ফেলে ঢাকার ধামরাইয়ে চলে আসি। রিকশা চালিয়ে কোনোমতে সংসার চালাই। এর মধ্যে আমার কী বড় সর্বনাশ হলো। আমি আমার মেয়ের সর্বনাশকারীদের ফাঁসি চাই।

ধামরাই থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মামলা নেয়া হয়েছে। আসামি দুইজনকেই গ্রেফতার করেছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন