নবী হোসেন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড
jugantor
নবী হোসেন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড

  কিশোরগঞ্জ ব্যুরো  

২৫ জানুয়ারি ২০২১, ১৬:৪৮:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানার চাঞ্চল্যকর পরিবহন ব্যবসায়ী নবী হোসেন হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে দুই লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। এ মামলার অন্য দুজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত ১-এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহিম জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় প্রদান করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিজেশ্বর গ্রামের কাজী মনির মাস্টারের ছেলে কাজী নজরুল ইসলাম ও একই এলাকার মৃত মোহন পাঠানের মেয়ে সুমনা বেগম ওরফে শিলা। এদের মধ্যে কাজী নজরুল ইসলাম উপস্থিত থাকলেও সুমনা বেগম ওরফে শিলা পলাতক রয়েছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা যায়, প্রথম স্ত্রী রেখে কয়েক বছর আগে সুমনা বেগম ওরফে শিলাকে বিয়ে করেন নবী। ভৈরব শহরেই বাসা ভাড়া করে তাকে রাখেন নবী। সেখানে নবীর বাল্যবন্ধু নজরুলের সঙ্গে সুমনা পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। নজরুল তার মোবাইল ফোনে তাদের কিছু অন্তরঙ্গ মুহূর্তের দৃশ্য ভিডিও করে রাখেন।

পরে নবীকে সেই ভিডিও দেখানোর হুমকি দিয়ে সুমনার সঙ্গে মেলামেশা চালিয়ে যাচ্ছিলেন নজরুল। তা ছাড়া সুমনাকে ভরণপোষণের টাকাও দিচ্ছিলেন না নবী। এসব কারণে নজরুলকে নিয়ে নবীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন সুমনা।

২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর রাতে নবীকে বাসায় ডেকে আনেন সুমনা। তার পর রাত ২টার দিকে নজরুল ঘরে ঢুকে চাপাতির আঘাতে নবীকে সংজ্ঞাহীন করেন। পরে দুই সহযোগীকে নিয়ে গলা কেটে নবী হোসেনকে হত্যা করে হাত, পা, মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ছয়টি ভাগ করে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে ফেলে দেন।

এ ঘটনায় নিহতের প্রথম স্ত্রী বিলকিস বেগম বাদী হয়ে মামলা করলে ২৫ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিজ গ্রাম বিজেশ্বরে পালিয়ে যান নজরুল ও সুমনা। সেখান থেকে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবু সাঈদ ইমাম রায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, জামিনে বেরিয়ে মামলার ১নং আসামি সুমনা বেগম ওরফে শিলা পালিয়ে যান।

নবী হোসেন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড

 কিশোরগঞ্জ ব্যুরো 
২৫ জানুয়ারি ২০২১, ০৪:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানার চাঞ্চল্যকর পরিবহন ব্যবসায়ী নবী হোসেন হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে দুই লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। এ মামলার অন্য দুজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। 

সোমবার বেলা ১১টার দিকে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত ১-এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহিম জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় প্রদান করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিজেশ্বর গ্রামের কাজী মনির মাস্টারের ছেলে কাজী নজরুল ইসলাম ও একই এলাকার মৃত মোহন পাঠানের মেয়ে সুমনা বেগম ওরফে শিলা। এদের মধ্যে কাজী নজরুল ইসলাম উপস্থিত থাকলেও সুমনা বেগম ওরফে শিলা পলাতক রয়েছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা যায়, প্রথম স্ত্রী রেখে কয়েক বছর আগে সুমনা বেগম ওরফে শিলাকে বিয়ে করেন নবী। ভৈরব শহরেই বাসা ভাড়া করে তাকে রাখেন নবী। সেখানে নবীর বাল্যবন্ধু নজরুলের সঙ্গে সুমনা পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। নজরুল তার মোবাইল ফোনে তাদের কিছু অন্তরঙ্গ মুহূর্তের দৃশ্য ভিডিও করে রাখেন।

পরে নবীকে সেই ভিডিও দেখানোর হুমকি দিয়ে সুমনার সঙ্গে মেলামেশা চালিয়ে যাচ্ছিলেন নজরুল। তা ছাড়া সুমনাকে ভরণপোষণের টাকাও দিচ্ছিলেন না নবী। এসব কারণে নজরুলকে নিয়ে নবীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন সুমনা। 

২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর রাতে নবীকে বাসায় ডেকে আনেন সুমনা। তার পর রাত ২টার দিকে নজরুল ঘরে ঢুকে চাপাতির আঘাতে নবীকে সংজ্ঞাহীন করেন। পরে দুই সহযোগীকে নিয়ে গলা কেটে নবী হোসেনকে হত্যা করে হাত, পা, মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ছয়টি ভাগ করে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে ফেলে দেন।

এ ঘটনায় নিহতের প্রথম স্ত্রী বিলকিস বেগম বাদী হয়ে মামলা করলে ২৫ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিজ গ্রাম বিজেশ্বরে পালিয়ে যান নজরুল ও সুমনা। সেখান থেকে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবু সাঈদ ইমাম রায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, জামিনে বেরিয়ে মামলার ১নং আসামি সুমনা বেগম ওরফে শিলা পালিয়ে যান।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন