ধর্ষণকাণ্ডে যুবকের যাবজ্জীবন, গর্ভের সন্তান বড় হবে আসামির পরিচয়ে
jugantor
ধর্ষণকাণ্ডে যুবকের যাবজ্জীবন, গর্ভের সন্তান বড় হবে আসামির পরিচয়ে

  যুগান্তর প্রতিবেদন, বরগুনা  

২৫ জানুয়ারি ২০২১, ২২:২৫:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণ করার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আবুল বাশারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশু আসামির পরিচয়ে বড় হওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আবুল বাশার (২৫) বরগুনা সদর উপজেলার আয়লাপাতাকাটা ইউনিয়নের বধুঠাকুরানী গ্রামের আবদুল হালিম মিয়ার ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল।

জানা যায়, মামলার বাদী ও ভিকটিম ওই আদালতে ২০০৯ সালের ৩ নভেম্বর আবুল বাশারের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০০৯ সালের ২৫ আগস্ট থেকে ২০০৯ সালের ১ নভেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময় আবুল বাশার তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে। ধর্ষণের ফলে ভিকটিম গর্ভবতী হয়। বাশার ভিকটিমকে বিয়ে করতে রাজি না হলে আদালতে মামলা করে। মামলা চলাকালীন ভিকটিম একটি পুত্রসন্তানের মা হন।

আদালত রায়ে উল্লেখ করেন, ধর্ষণের ফলে ১০ বছর আগে ভিকটিমের একটি পুত্রসন্তান জন্ম নেয়। সিয়াম নামের ছেলেটি এখন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। সন্তানটি বাশারের পরিচয়ে বড় হবে। অর্থদণ্ডের দুই লাখ টাকা রাষ্ট্র আদায় করে ভিকটিমকে প্রদান করবে। এছাড়া শিশুটির লেখাপড়া ও ভরণ-পোষণের দায়িত্ব সরকার বহন করবে।

রায় ঘোষণার সময় বাদী তার শিশুসন্তান নিয়ে আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষে এপিপি আশ্রাফুল আলম যুগান্তরকে বলেন, বাদীপক্ষ রায়ে সন্তুষ্ট।

বাদী আদালত প্রাঙ্গণে যুগান্তরকে বলেন, বাশার আমাকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অসংখ্যবার ধর্ষণ করেছে। অথচ বাশার আমাকে বিয়ে করেনি। আসামির সন্তান এখন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। আমার ছেলেকে স্কুলে ভর্তির সময় তার বাবার নাম ঠিকই আবুল বাশার দেওয়া হয়েছে। আমি এখন পর্যন্ত বিয়ে করিনি।

আসামি আবুল বাশার আদালতের বারান্দায় যুগান্তরকে বলেন, এ রায়ের বিরুদ্ধে আমি হাইকোর্টে আপিল করব। আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী মো. নিজাম উদ্দিন।

ধর্ষণকাণ্ডে যুবকের যাবজ্জীবন, গর্ভের সন্তান বড় হবে আসামির পরিচয়ে

 যুগান্তর প্রতিবেদন, বরগুনা 
২৫ জানুয়ারি ২০২১, ১০:২৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণ করার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আবুল বাশারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশু আসামির পরিচয়ে বড় হওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আবুল বাশার (২৫) বরগুনা সদর উপজেলার আয়লাপাতাকাটা ইউনিয়নের বধুঠাকুরানী গ্রামের আবদুল হালিম মিয়ার ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল।

জানা যায়, মামলার বাদী ও ভিকটিম ওই আদালতে ২০০৯ সালের ৩ নভেম্বর আবুল বাশারের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০০৯ সালের ২৫ আগস্ট থেকে ২০০৯ সালের ১ নভেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময় আবুল বাশার তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে। ধর্ষণের ফলে ভিকটিম গর্ভবতী হয়। বাশার ভিকটিমকে বিয়ে করতে রাজি না হলে আদালতে মামলা করে। মামলা চলাকালীন ভিকটিম একটি পুত্রসন্তানের মা হন।

আদালত রায়ে উল্লেখ করেন, ধর্ষণের ফলে ১০ বছর আগে ভিকটিমের একটি পুত্রসন্তান জন্ম নেয়। সিয়াম নামের ছেলেটি এখন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। সন্তানটি বাশারের পরিচয়ে বড় হবে। অর্থদণ্ডের দুই লাখ টাকা রাষ্ট্র আদায় করে ভিকটিমকে প্রদান করবে। এছাড়া শিশুটির লেখাপড়া ও ভরণ-পোষণের দায়িত্ব সরকার বহন করবে।

রায় ঘোষণার সময় বাদী তার শিশুসন্তান নিয়ে আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষে এপিপি আশ্রাফুল আলম যুগান্তরকে বলেন, বাদীপক্ষ রায়ে সন্তুষ্ট।

বাদী আদালত প্রাঙ্গণে যুগান্তরকে বলেন, বাশার আমাকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অসংখ্যবার ধর্ষণ করেছে। অথচ বাশার আমাকে বিয়ে করেনি। আসামির সন্তান এখন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। আমার ছেলেকে স্কুলে ভর্তির সময় তার বাবার নাম ঠিকই আবুল বাশার দেওয়া হয়েছে। আমি এখন পর্যন্ত বিয়ে করিনি।

আসামি আবুল বাশার আদালতের বারান্দায় যুগান্তরকে বলেন, এ রায়ের বিরুদ্ধে আমি হাইকোর্টে আপিল করব। আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী মো. নিজাম উদ্দিন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন