ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সেতুই একমাত্র ভরসা
jugantor
ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সেতুই একমাত্র ভরসা

  আব্দুল আজিজ মজনু, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম)  

২৫ জানুয়ারি ২০২১, ২২:৫৪:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

৫০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬ ফুট প্রস্থের কাঠের সেতুটিই একমাত্র ভরসা সীমান্তবাসীর।

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর সীমান্তঘেঁষা নীলকমল নদের উপর ৫০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬ ফুট প্রস্থের কাঠের সেতুটিই একমাত্র ভরসা সীমান্তবাসীর। সেতুটির রেলিং না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন শিক্ষার্থীসহ শত শত মানুষ পারাপার হচ্ছেন।


সরেজমিন দেখা গেছে, ফুলবাড়ী ইউনিয়নের নকরজান সীমান্তের প্রায় ৫শ' এলাকাবাসীকে কাঠের সেতুটি মূল ভুখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এখানে একটি কংক্রিটের সেতুর দাবি তাদের দীর্ঘদিনের।
সেতুটি লাগোয়া একপাশে আন্তর্জাতিক পিলার ৯৪০/৩ ও অপর পাশে ৯৪১/৪ এস রয়েছে। প্রবেশদ্বারটি প্রায় ৫০ গজ। একটি কলসের মতো ভূখণ্ড। নকরজান সীমান্ত গ্রামটির উত্তর, পশ্চিম ও পূর্বে ভারতের কাঁটাতারের বেড়া। দক্ষিণে নীলকমল নদ। প্রায়ই বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যরা টহল দিতে আসেন এখানে। নদীটি কখনো ভারতে আবার কখনো বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। নদীটি ছোট আকারের হলেও বর্ষার সময় পানিতে ভরে থাকে। প্রচুর স্রোতও হয় ওই সময়।


স্থানীয় কৃষক আশরাফুল হক (৪৭) জানান, এই সেতু দিয়ে শুধু তারা চলাচল করেন না। সীমান্তের কাঁটাতারের বাইরে থাকা ভারতীয় অধিবাসিরাও এই সেতু ব্যবহার করেন। সেতুটি বাংলাদেশ-ভারত সম্প্রীতির একটি উদাহরণ বলে তিনি জানান।


ভারতীয় সীমান্ত গ্রাম সেউটি-২ এলাকার কৃষক আব্দুস সামাদ (৬২) জানান, আমরা কাঁটাতারের গেট দিয়ে ভারতের মূল ভুখণ্ডে সবসময় যাতায়াত করতে পারি না। বাংলাদেশি সীমান্ত গ্রাম নকরজানের সব মানুষ আমাদের সুপরিচিত ও অনেকে আবার আত্মীয়স্বজন। আমরাও কাঁঠের সেতুটি ব্যবহার করে বাংলাদেশে হাটবাজারে আসি। কেনাকাটাও করি। তিনিও নদীটিতে একটি কংক্রিটের সেতুর দাবি করেন।
ফুলবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদ-হারুন জানান, নীলকমল নদীর উপর কংক্রিটের সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল অনেকবার। কিন্তু ভারতীয় বিএসএফের বাধার মুখে তা সম্ভব হয়নি। সেতু নির্মাণের বিষয়টি দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বিষয়।

ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সেতুই একমাত্র ভরসা

 আব্দুল আজিজ মজনু, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) 
২৫ জানুয়ারি ২০২১, ১০:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
৫০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬ ফুট প্রস্থের কাঠের সেতুটিই একমাত্র ভরসা সীমান্তবাসীর।
৫০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬ ফুট প্রস্থের কাঠের সেতুটিই একমাত্র ভরসা সীমান্তবাসীর।

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর সীমান্তঘেঁষা নীলকমল নদের উপর ৫০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬ ফুট প্রস্থের কাঠের সেতুটিই একমাত্র ভরসা সীমান্তবাসীর। সেতুটির রেলিং না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন শিক্ষার্থীসহ শত শত মানুষ পারাপার হচ্ছেন।


সরেজমিন দেখা গেছে, ফুলবাড়ী ইউনিয়নের নকরজান সীমান্তের প্রায় ৫শ' এলাকাবাসীকে কাঠের সেতুটি মূল ভুখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এখানে একটি কংক্রিটের সেতুর দাবি তাদের দীর্ঘদিনের। 
সেতুটি লাগোয়া একপাশে আন্তর্জাতিক পিলার ৯৪০/৩ ও অপর পাশে ৯৪১/৪ এস রয়েছে। প্রবেশদ্বারটি প্রায় ৫০ গজ। একটি কলসের মতো ভূখণ্ড। নকরজান সীমান্ত গ্রামটির উত্তর, পশ্চিম ও পূর্বে ভারতের কাঁটাতারের বেড়া। দক্ষিণে নীলকমল নদ। প্রায়ই বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যরা টহল দিতে আসেন এখানে। নদীটি কখনো ভারতে আবার কখনো বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। নদীটি ছোট আকারের হলেও বর্ষার সময় পানিতে ভরে থাকে। প্রচুর স্রোতও হয় ওই সময়। 


স্থানীয় কৃষক আশরাফুল হক (৪৭) জানান, এই সেতু দিয়ে শুধু তারা চলাচল করেন না। সীমান্তের কাঁটাতারের বাইরে থাকা ভারতীয় অধিবাসিরাও এই সেতু ব্যবহার করেন। সেতুটি বাংলাদেশ-ভারত সম্প্রীতির একটি উদাহরণ বলে তিনি জানান।


ভারতীয় সীমান্ত গ্রাম সেউটি-২ এলাকার কৃষক আব্দুস সামাদ (৬২) জানান, আমরা কাঁটাতারের গেট দিয়ে ভারতের মূল ভুখণ্ডে সবসময় যাতায়াত করতে পারি না। বাংলাদেশি সীমান্ত গ্রাম নকরজানের সব মানুষ আমাদের সুপরিচিত ও অনেকে আবার আত্মীয়স্বজন। আমরাও কাঁঠের সেতুটি ব্যবহার করে বাংলাদেশে হাটবাজারে আসি। কেনাকাটাও করি। তিনিও নদীটিতে একটি কংক্রিটের সেতুর দাবি করেন। 
ফুলবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদ-হারুন জানান, নীলকমল নদীর উপর কংক্রিটের সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল অনেকবার। কিন্তু ভারতীয় বিএসএফের বাধার মুখে তা সম্ভব হয়নি। সেতু নির্মাণের বিষয়টি দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বিষয়।  
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন