একরাম চৌধুরীকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবি কাদের মির্জার
jugantor
একরাম চৌধুরীকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবি কাদের মির্জার

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

২৬ জানুয়ারি ২০২১, ১৩:৫৭:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

একরাম চৌধুরীকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবি কাদের মির্জার

নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী একরামকে বহিষ্কারের দাবি করেছেন বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।

সোমবার রাত ৮টায় বসুরহাট বাজারের রুপালি চত্বরে এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন।

তিনি বলেন, ওবায়দুল কাদের সাহেব আপনি কি হতে চান। আপনি বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন। আপনার এলাকায় ত্যাগী কর্মীরা ঘরে শুয়ে থাকতে পারে না, তাদের গুলি খেতে হয়, তারা হাসপাতালের বেডে শুয়ে কাতরাচ্ছে। আর আপনি সেখানে বসে কি করছেন? চুপ করে বসে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

তিনি আরও বলেন, শুনতে খারাপ লাগবে, কি করবেন আপনি? জেলে দেবেন? সেটার অভ্যাস আমাদের অনেক আগের আছে। আপনার থেকে বেশি জেল খেটেছি। মেরে ফেলবেন, কবরের জায়গা দেখিয়ে দিয়েছি। আপনাকে ভালোবাসি, এখনও আপনি আমার রাজনৈতিক আদর্শ। এখনও কোম্পানীগঞ্জের নেতাকর্মীরা আপনাকে শ্রদ্ধা করে। শনিবারের পর থেকে আর এই শ্রদ্ধা থাকবে না। স্পষ্ট ভাষায় বললাম– কী বোঝাতে চান আপনি।

একটা দুশ্চরিত্র মাদক সম্রাটকে আপনি আশ্রয় দিচ্ছেন, প্রশ্রয় দিচ্ছেন। কেউ না থাকলে আমি আবদুল কাদের মির্জা রাস্তায় একা থাকব, প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গ করব।

একরাম চৌধুরীকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবি কাদের মির্জার

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
২৬ জানুয়ারি ২০২১, ০১:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
একরাম চৌধুরীকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবি কাদের মির্জার
ফাইল ছবি

নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী একরামকে বহিষ্কারের দাবি করেছেন বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।

সোমবার রাত ৮টায় বসুরহাট বাজারের রুপালি চত্বরে এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন।

তিনি বলেন, ওবায়দুল কাদের সাহেব আপনি কি হতে চান। আপনি বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন। আপনার এলাকায় ত্যাগী কর্মীরা ঘরে শুয়ে থাকতে পারে না, তাদের গুলি খেতে হয়, তারা হাসপাতালের বেডে শুয়ে কাতরাচ্ছে। আর আপনি সেখানে বসে কি করছেন? চুপ করে বসে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

তিনি আরও বলেন, শুনতে খারাপ লাগবে, কি করবেন আপনি? জেলে দেবেন? সেটার অভ্যাস আমাদের অনেক আগের আছে। আপনার থেকে বেশি জেল খেটেছি। মেরে ফেলবেন, কবরের জায়গা দেখিয়ে দিয়েছি। আপনাকে ভালোবাসি, এখনও আপনি আমার রাজনৈতিক আদর্শ। এখনও কোম্পানীগঞ্জের নেতাকর্মীরা আপনাকে শ্রদ্ধা করে। শনিবারের পর থেকে আর এই শ্রদ্ধা থাকবে না। স্পষ্ট ভাষায় বললাম– কী বোঝাতে চান আপনি।

একটা দুশ্চরিত্র মাদক সম্রাটকে আপনি আশ্রয় দিচ্ছেন, প্রশ্রয় দিচ্ছেন। কেউ না থাকলে আমি আবদুল কাদের মির্জা রাস্তায় একা থাকব, প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গ করব।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন