চুয়াডাঙ্গায় সাজাপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে
jugantor
চুয়াডাঙ্গায় সাজাপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

  দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি  

২৭ জানুয়ারি ২০২১, ১৫:০৮:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

কারাগার

বৈদেশিক ও কর্মসংস্থান আইনে সাজাপ্রাপ্ত চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মঈন উদ্দীনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হলে তাকে কারাগারে পাঠনোর নির্দেশ দেন আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান।

এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি ওই মামলায় দুই বছরের সাজা ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় মঈন উদ্দীনকে। জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান মঈন উদ্দীন গয়েশপুর গ্রামের ইন্তাজ আলীর ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, দামুড়হুদা উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের সালাউদ্দীনের ছেলে আলমগীর হোসেনকে ভালো বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে ইতালি পাঠানোর প্রস্তাব দেন মঈন। ইতালিতে পাঠানোর নাম করে দুই দফায় ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন চেয়ারম্যান মঈন।

পরে ইতালি না পাঠালে ২০১৯ সালের ৩০ মে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইনে মঈন উদ্দীনকে একমাত্র আসামি করে মামলাটি করেন প্রতারিত আলমগীরের ভাই মিজানুর রহমান।

এর পর থানা থেকে চার্জশিট পাঠানোর পর আদালত তিন সাক্ষীর সাক্ষ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে গত ২৪ জানুয়ারি মঈন উদ্দীনের অনুপস্থিতিতে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

চুয়াডাঙ্গায় সাজাপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

 দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি 
২৭ জানুয়ারি ২০২১, ০৩:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কারাগার
ফাইল ছবি

বৈদেশিক ও কর্মসংস্থান আইনে সাজাপ্রাপ্ত চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মঈন উদ্দীনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হলে তাকে কারাগারে পাঠনোর নির্দেশ দেন আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান।

এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি ওই মামলায় দুই বছরের সাজা ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় মঈন উদ্দীনকে। জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান মঈন উদ্দীন গয়েশপুর গ্রামের ইন্তাজ আলীর ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, দামুড়হুদা উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের সালাউদ্দীনের ছেলে আলমগীর হোসেনকে ভালো বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে ইতালি পাঠানোর প্রস্তাব দেন মঈন। ইতালিতে পাঠানোর নাম করে দুই দফায় ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন চেয়ারম্যান মঈন।

পরে ইতালি না পাঠালে ২০১৯ সালের ৩০ মে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইনে মঈন উদ্দীনকে একমাত্র আসামি করে মামলাটি করেন প্রতারিত আলমগীরের ভাই মিজানুর রহমান।

এর পর থানা থেকে চার্জশিট পাঠানোর পর আদালত তিন সাক্ষীর সাক্ষ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে গত ২৪ জানুয়ারি মঈন উদ্দীনের অনুপস্থিতিতে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন