স্ত্রীকে হত্যার ২২ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
jugantor
স্ত্রীকে হত্যার ২২ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

  বগুড়া ব্যুরো  

২৭ জানুয়ারি ২০২১, ১৮:১২:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার কাহালুতে যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূ উম্মে কুলসুম রুমাকে মারপিট ও শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় স্বামী দেলোয়ার হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি পলাতক থাকায় গ্রেফতারের পর হাইকোর্টের অনুমোদনসাপেক্ষে তার সাজা কার্যকর করা হবে। বগুড়ার দ্বিতীয় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির বুধবার দুপুরে এ রায় দেন।

বগুড়ার দ্বিতীয় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি আশেকুর রহমান সুজন জানান, কাহালু উপজেলার ভিটিসোনাই গ্রামের আলহাজ খোরশেদ আলীর ছেলে দেলোয়ার হোসেন বগুড়া শহরের চকসুত্রাপুর এলাকার আবদুল গফুরের মেয়ে উম্মে কুলসুম রুমাকে বিয়ে করেন।

বিয়ের পর থেকে দেলোয়ার ৫০ হাজার টাকা যৌতুকের জন্য রুমার ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। ১৯৯৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর সকালে এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে রুমাকে মারপিট ও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

এরপর হত্যাকে আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দিতে লাশ ঘরের আড়ার সাথে ঝুঁলিয়ে রাখা হয়। পরে কাহালু থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে এটি হত্যা বলে উল্লেখ করা হয়।

এ ব্যাপারে নিহত রুমার বাবা আবদুল গফুর থানায় দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পরবর্তীতে পুলিশ একমাত্র আসামি দেলোয়ারকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শরিফুল ইসলাম ১৯৯৮ সালের ১৯ জুলাই আদালতে তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। দেলোয়ার হোসেন ২০০০ সালে জামিন পেয়ে আত্মগোপন করেন।

বুধবার আদালত আসামির অনুপস্থিতিতে ফাঁসির রায় ঘোষণা করেন। গ্রেফতারের পর উচ্চ আদালতের অনুমতিসাপেক্ষে তার দণ্ড কার্যকর করতে বলা হয়েছে। আদেশে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে রশিতে ঝুলিয়ে রেখে মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

পলাতক আসামির পক্ষে স্টেট ডিফেন্স অ্যাডভোকেট তাজউদ্দিন মামলা পরিচালনা করেন। তিনি জানান, এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।

স্ত্রীকে হত্যার ২২ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

 বগুড়া ব্যুরো 
২৭ জানুয়ারি ২০২১, ০৬:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার কাহালুতে যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূ উম্মে কুলসুম রুমাকে মারপিট ও শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় স্বামী দেলোয়ার হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। 

তিনি পলাতক থাকায় গ্রেফতারের পর হাইকোর্টের অনুমোদনসাপেক্ষে তার সাজা কার্যকর করা হবে। বগুড়ার দ্বিতীয় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির বুধবার দুপুরে এ রায় দেন।

বগুড়ার দ্বিতীয় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি আশেকুর রহমান সুজন জানান, কাহালু উপজেলার ভিটিসোনাই গ্রামের আলহাজ খোরশেদ আলীর ছেলে দেলোয়ার হোসেন বগুড়া শহরের চকসুত্রাপুর এলাকার আবদুল গফুরের মেয়ে উম্মে কুলসুম রুমাকে বিয়ে করেন।

বিয়ের পর থেকে দেলোয়ার ৫০ হাজার টাকা যৌতুকের জন্য রুমার ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। ১৯৯৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর সকালে এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে রুমাকে মারপিট ও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

এরপর হত্যাকে আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দিতে লাশ ঘরের আড়ার সাথে ঝুঁলিয়ে রাখা হয়। পরে কাহালু থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে এটি হত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। 

এ ব্যাপারে নিহত রুমার বাবা আবদুল গফুর থানায় দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পরবর্তীতে পুলিশ একমাত্র আসামি দেলোয়ারকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শরিফুল ইসলাম ১৯৯৮ সালের ১৯ জুলাই আদালতে তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। দেলোয়ার হোসেন ২০০০ সালে জামিন পেয়ে আত্মগোপন করেন।

বুধবার আদালত আসামির অনুপস্থিতিতে ফাঁসির রায় ঘোষণা করেন। গ্রেফতারের পর উচ্চ আদালতের অনুমতিসাপেক্ষে তার দণ্ড কার্যকর করতে বলা হয়েছে। আদেশে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে রশিতে ঝুলিয়ে রেখে মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। 

পলাতক আসামির পক্ষে স্টেট ডিফেন্স অ্যাডভোকেট তাজউদ্দিন মামলা পরিচালনা করেন। তিনি জানান, এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন