দফায় দফায় সংঘর্ষ, ইভিএম ভাংচুর যেসব ওয়ার্ডে
jugantor
দফায় দফায় সংঘর্ষ, ইভিএম ভাংচুর যেসব ওয়ার্ডে

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

২৭ জানুয়ারি ২০২১, ২০:৫৮:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দফায় দফায় সংঘর্ষ

দিনভর সংঘাত-সংঘর্ষ, ধাওয়া পাল্টাধাওয়া, গোলাগুলি, ইভিএম ভাংচুরসহ নানা ঘটন-অঘটনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) নির্বাচন। শুরু থেকেই বিশেষ করে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে হানাহানির যে আশঙ্কা করা হয়েছিল তার বাস্তব প্রতিফলন ঘটেছে ভোটের মাঠে।

নগরীর ১৪ নম্বর লালখান বাজার ওয়ার্ডে সকাল ৮টা থেকেই দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের এখানে দিনের বেশিরভাগ সময় ব্যস্ত থাকতে হয়।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী আবুল হাসনাত বেলাল ও বিদ্রোহী প্রার্থী এএফ কবির আহমদ চৌধুরী মানিকের অনুসারীদের মধ্যে কেন্দ্র দখল-বেদখল নিয়ে সকাল থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত অন্তত কয়েক দফা ধাওয়া পাল্টাধাওয়া, গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ-বিজিবি ও র্যা ব এখানে লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।

এই ওয়ার্ডে সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে রেড ক্রিসেন্টের একটি দল।

দুপুর ১২টার দিকে সংঘর্ষ থামানোর পর ডিআইজি আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের অনুসারীরা বারবার সংঘর্ষে জড়াচ্ছে। এ কারণে ভোটগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের কঠোর হস্তে দমন করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

দফায় দফায় সংঘর্ষ, ইভিএম ভাংচুর যেসব ওয়ার্ডে

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
২৭ জানুয়ারি ২০২১, ০৮:৫৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দফায় দফায় সংঘর্ষ
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দফায় দফায় সংঘর্ষ। ছবি: স্টার মেইল

দিনভর সংঘাত-সংঘর্ষ, ধাওয়া পাল্টাধাওয়া, গোলাগুলি, ইভিএম ভাংচুরসহ নানা ঘটন-অঘটনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) নির্বাচন। শুরু থেকেই বিশেষ করে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে হানাহানির যে আশঙ্কা করা হয়েছিল তার বাস্তব প্রতিফলন ঘটেছে ভোটের মাঠে।

নগরীর ১৪ নম্বর লালখান বাজার ওয়ার্ডে সকাল ৮টা থেকেই দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের এখানে দিনের বেশিরভাগ সময় ব্যস্ত থাকতে হয়।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী আবুল হাসনাত বেলাল ও বিদ্রোহী প্রার্থী এএফ কবির আহমদ চৌধুরী মানিকের অনুসারীদের মধ্যে কেন্দ্র দখল-বেদখল নিয়ে সকাল থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত অন্তত কয়েক দফা ধাওয়া পাল্টাধাওয়া, গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ-বিজিবি ও র্যা ব এখানে লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।

এই ওয়ার্ডে সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে রেড ক্রিসেন্টের একটি দল।

দুপুর ১২টার দিকে সংঘর্ষ থামানোর পর ডিআইজি আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের অনুসারীরা বারবার সংঘর্ষে জড়াচ্ছে। এ কারণে ভোটগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের কঠোর হস্তে দমন করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন ২০২০

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন