যশোরে শাহাদাৎ হত্যা মামলায় আসামির যাবজ্জীবন
jugantor
যশোরে শাহাদাৎ হত্যা মামলায় আসামির যাবজ্জীবন

  যশোর ব্যুরো  

২৮ জানুয়ারি ২০২১, ১৪:২৭:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরে শাহাদাৎ হত্যা মামলায় আসামির যাবজ্জীবন

যশোর সদরের বাহাদুরপুর গ্রামের শাহাদৎ হোসেন হত্যা মামলায় হারুনার রশীদ নামে এক আসামির যাবজ্জীবন সাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আরেকজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তার নাম জাকির হোসেন।

যশোরের বিশেষ দায়রা জজ ও স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা জজ) আদালতে বিচারক মোহাম্মদ শামসুল হক এ সাজা দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত হারুনার রশীদ বাহাদুরপুর গ্রামের আব্দুল ওহাব মোল্লার ছেলে।

সাজার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট সাজ্জাদ মোস্তফা রাজা।

আদালত সূত্র জানায়, ২০০০ সালের ২৯ আগস্ট রাত ৯টার দিকে শাহাদৎ হোসেন বাহাদুরপুর হাইস্কুলের সামনে একটি চায়ের দোকান থেকে চা পান করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। পথিমধ্যে নাজির মতিউর রহমানের বাড়ির সামনে রাস্তায় পৌঁছলে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে অপরিচিত ব্যক্তিরা তার গতিরোধ করে কোপাতে থাকে।

এ সময় শাহাদৎ হামলাকারীদের একটি দা কেড়ে নিয়ে দৌড় দিয়ে মতিউর রহমানের উঠানে গিয়ে পড়ে যান। মতিউর রহমানের বাড়ির লোকজন স্থানীয়দের সহযোগিতায় শাহাদৎকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক শাহাদৎকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ব্যাপারে নিহত শাহাদতের দুলাভাই যশোর উপশহরের ই-ব্লকের বাসিন্দা ফজলুর রহমান পর দিন কোতোয়ালি থানায় অপরিচিত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে হারুনার রশীদকে পুলিশ আটক করে আদালতে সোপর্দ করে। আদালতে তিনি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

আসামিদের দেওয়া তথ্য ও সাক্ষীদের বক্তব্যে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকায় হারুনার রশীদ ও জাকির হোসেনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই লিয়াকত আলী।

হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ না পাওয়ায় ওই সময় আটক আরমান আলী ও মাহমুদুর রহমানের অব্যাহতির আবেদন করা হয়।

এ মামলার দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামি হারুনার রশীদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত হারুনার রশীদ কারাগারে আছেন।

যশোরে শাহাদাৎ হত্যা মামলায় আসামির যাবজ্জীবন

 যশোর ব্যুরো 
২৮ জানুয়ারি ২০২১, ০২:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
যশোরে শাহাদাৎ হত্যা মামলায় আসামির যাবজ্জীবন
ফাইল ছবি

যশোর সদরের বাহাদুরপুর গ্রামের শাহাদৎ হোসেন হত্যা মামলায় হারুনার রশীদ নামে এক আসামির যাবজ্জীবন সাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আরেকজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তার নাম জাকির হোসেন।

যশোরের বিশেষ দায়রা জজ ও স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা জজ) আদালতে বিচারক মোহাম্মদ শামসুল হক এ সাজা দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত হারুনার রশীদ বাহাদুরপুর গ্রামের আব্দুল ওহাব মোল্লার ছেলে।

সাজার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট সাজ্জাদ মোস্তফা রাজা।

আদালত সূত্র জানায়, ২০০০ সালের ২৯ আগস্ট রাত ৯টার দিকে শাহাদৎ হোসেন বাহাদুরপুর হাইস্কুলের সামনে একটি চায়ের দোকান থেকে চা পান করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। পথিমধ্যে নাজির মতিউর রহমানের বাড়ির সামনে রাস্তায় পৌঁছলে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে অপরিচিত ব্যক্তিরা তার গতিরোধ করে কোপাতে থাকে।

এ সময় শাহাদৎ হামলাকারীদের একটি দা কেড়ে নিয়ে দৌড় দিয়ে মতিউর রহমানের উঠানে গিয়ে পড়ে যান। মতিউর রহমানের বাড়ির লোকজন স্থানীয়দের সহযোগিতায় শাহাদৎকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক শাহাদৎকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ব্যাপারে নিহত শাহাদতের দুলাভাই যশোর উপশহরের ই-ব্লকের বাসিন্দা ফজলুর রহমান পর দিন কোতোয়ালি থানায় অপরিচিত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে হারুনার রশীদকে পুলিশ আটক করে আদালতে সোপর্দ করে। আদালতে তিনি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

আসামিদের দেওয়া তথ্য ও সাক্ষীদের বক্তব্যে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকায় হারুনার রশীদ ও জাকির হোসেনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই লিয়াকত আলী।

হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ না পাওয়ায় ওই সময় আটক আরমান আলী ও মাহমুদুর রহমানের অব্যাহতির আবেদন করা হয়।

এ মামলার দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামি হারুনার রশীদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত হারুনার রশীদ কারাগারে আছেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন