নোম্যান্স ল্যান্ড থেকে সপরিবারে মিয়ানমার ফিরলেন তুমব্রুর জনপ্রতিনিধি

  বান্দরবান প্রতিনিধি ১৬ এপ্রিল ২০১৮, ২১:৫৩ | অনলাইন সংস্করণ

রোহিঙ্গা

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু সীমান্তের কোনাপাড়া নোম্যান্স ল্যান্ডের আশ্রয়কেন্দ্র থেকে সপরিবারে মিয়ানমারে ফিরে গেছেন জনপ্রতিনিধি একতার হোসেন। শনিবার রাতে সবার অগোচরে তিনি নিজ দেশে ফিরে যান।

একতার হোসেন মিয়ানমারের তুমব্রু এলাকার বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান।

ঘুমধুম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ জানান, গত বছরের আগস্টে নির্যাতনের মুখে প্রাণ বাঁচাতে মিয়ানমার থেকে সপরিবারে পালিয়ে এসে নোম্যান্স ল্যান্ডের আশ্রয় নেয় প্রায় ছয় হাজার পরিবার। তাদের মধ্যে একটি পরিবার হচ্ছে মিয়ানমারের তুমব্রুর ইউপি চেয়ারম্যান একতার হোসেনের।

দীর্ঘদিন নোম্যান্স ল্যান্ডের আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করলেও তাদের সঙ্গে মিয়ানমারের ওপারের যোগাযোগ ছিল। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় শনিবার রাতে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষীর সহযোগিতায় তুমব্রু চেয়ারম্যান একতার হোসেন পরিবারের পাঁচ সদস্য নিয়ে ফিরে গেছে।

নোম্যান্স ল্যান্ডের আশ্রয়কেন্দ্রের দলনেতা (মাঝি) নূর হোসেন বলেন, শনিবার দিনেও তাদের ক্যাম্পে দেখা গেছে। কিন্তু রোববার সকাল থেকে তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কোথায় গেছে বলতে পারি না। ধারণা করা হচ্ছে, তারা মিয়ানমারে ফিরে গেছে। কদিন ধরে অনেকে রোহিঙ্গা পরিবার আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে যাওয়ার কথাবার্তা বলছে।

বাংলাদেশের তুমব্রু সাবেক ইউপি মেম্বার মোহাম্মদ ফরিদ জানান, কোনাপাড়া নোম্যান্স ল্যান্ডের আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফিরে যাচ্ছে এ ধরনের খবর শোনা যাচ্ছিল। আশ্রয়কেন্দ্রের রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ওপারের যোগাযোগ এবং যাওয়া-আসা রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরওয়ার কামাল জানান, নোম্যান্স ল্যান্ডের আশ্রয় ক্যাম্পটি মিয়ানমারের সীমানায়। মিয়ানমারের এক জনপ্রতিনিধি পরিবার নিয়ে মিয়ানমারে ফিরে গেছে খবর পেয়েছি। এটি আমাদের জন্য একটি ভালো খবর। ধারণা করা হচ্ছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। তাই রোহিঙ্গারা ফিরছে। তারপরও খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে।

এদিকে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, মিয়ানমারে ফিরে যাওয়া পরিবারের সদস্যদের মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী পরিচয়পত্র আইডি কার্ড দিয়েছেন। আরো কিছু পরিবারও ফিরে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। ফিরে যাওয়া পরিবারকে পরিচয়পত্র দেয়ার ছবিও মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষীর মাধ্যমে বাংলাদেশে পৌঁছেছে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter