উত্তর জনপদে শৈত্যপ্রবাহ, তীব্র শীতে বিপর্যস্ত জীবনযাত্রা
jugantor
উত্তর জনপদে শৈত্যপ্রবাহ, তীব্র শীতে বিপর্যস্ত জীবনযাত্রা

  দিনাজপুর প্রতিনিধি  

৩১ জানুয়ারি ২০২১, ২২:৪৩:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুরসহ দেশের উত্তর জনপদে বইতে শুরু করেছে মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। শৈত্যপ্রবাহ আর হিমেল বাতাসের কারণে অনুভূত হচ্ছে তীব্র শীত। হাড় কাঁপানো কনকনে শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এ জনপদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন জানান, রোববার দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সারা দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এছাড়াও নীলফামারীর সৈয়দপুরে ৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ডিমলায় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, রংপুরে ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দেশের সর্বোত্তরের উপজেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সোমবার দেশের কোথাও কোথাও তাপমাত্রা আরও হ্রাস পেতে পারে এবং সারা দেশের দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এছাড়াও মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘনকুয়াশা পড়তে পারে।

এদিকে হাড় কাঁপানো কনকনে শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দিনাজপুরসহ দেশের উত্তর জনপদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে চরমে। আর তীব্র শীত উপেক্ষা করে জীবিকার তাগিদে কাজের সন্ধানে বের হওয়া নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষ পড়েছে বিপাকে। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে শীতার্ত মানুষ।

অব্যাহত তীব্র শীতের কারণে হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা হাসপাতালে ভিড় করছে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে।

দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল কুদ্দুছ জানান, হাসপাতালে বর্তমানে যেসব রোগী ভর্তি রয়েছে, তার ১০ শতাংশই শীতজনিত রোগে আক্রান্ত।

উত্তর জনপদে শৈত্যপ্রবাহ, তীব্র শীতে বিপর্যস্ত জীবনযাত্রা

 দিনাজপুর প্রতিনিধি 
৩১ জানুয়ারি ২০২১, ১০:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুরসহ দেশের উত্তর জনপদে বইতে শুরু করেছে মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। শৈত্যপ্রবাহ আর হিমেল বাতাসের কারণে অনুভূত হচ্ছে তীব্র শীত। হাড় কাঁপানো কনকনে শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এ জনপদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন জানান, রোববার দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সারা দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এছাড়াও নীলফামারীর সৈয়দপুরে ৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ডিমলায় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, রংপুরে ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দেশের সর্বোত্তরের উপজেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সোমবার দেশের কোথাও কোথাও তাপমাত্রা আরও হ্রাস পেতে পারে এবং সারা দেশের দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এছাড়াও মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘনকুয়াশা পড়তে পারে।

এদিকে হাড় কাঁপানো কনকনে শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দিনাজপুরসহ দেশের উত্তর জনপদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে চরমে। আর তীব্র শীত উপেক্ষা করে জীবিকার তাগিদে কাজের সন্ধানে বের হওয়া নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষ পড়েছে বিপাকে। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে শীতার্ত মানুষ।

অব্যাহত তীব্র শীতের কারণে হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা হাসপাতালে ভিড় করছে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে।

দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল কুদ্দুছ জানান, হাসপাতালে বর্তমানে যেসব রোগী ভর্তি রয়েছে, তার ১০ শতাংশই শীতজনিত রোগে আক্রান্ত।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন