বখাটের উৎপাতে কিশোরীর আত্মহত্যা
jugantor
বখাটের উৎপাতে কিশোরীর আত্মহত্যা

  যুগান্তর প্রতিবেদন, বরগুনা  

৩১ জানুয়ারি ২০২১, ২৩:০৭:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

বখাটের উৎপাতে অপমান সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থী লামিয়া আক্তার রিতি। রোববার সকালে নিজ বাড়িতে আত্মহত্যা করেন তিনি।

রিতি বরগুনা সদর উপজেলার আয়লাপাতাকাটা ইউনিয়নের পাতাকাটা গ্রামের নুর আলমের মেয়ে। রিতি কদমতলা বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান কলেজের ছাত্রী ছিলেন।

জানা যায়, বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার বাদুরতলা গ্রামের সোবহান মিয়ার ছেলে আফরোজ প্রায় দুই বছর ধরে রিতিকে ফেসবুকে বিরক্ত করে আসছে। পরে রিতির বাবার কাছে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয় আফরোজ। রিতির বাবা আফরোজকে জানিয়ে দেয় তার মেয়ের বয়স ১৭ বছর। এই মুহূর্তে রিতিকে বিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। তারপরও আফরোজ রিতিকে নিয়মিত উৎপাত করতে থাকে।

রিতির বাবা নুরে আলম বলেন, প্রায় দুই বছর আগে আফরোজ রিতিকে স্ত্রী দাবি করে আমাকে, আমার স্ত্রী আসমা ও রিতিকে আসামি করে পাথরঘাটা আদালতে একটি মামলা দায়ের করে হয়রানি করে আসছে। মামলাটি এখনও চলমান। হলফনামায় বিয়ে দেখিয়ে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শনিবার ভাইরাল করে।

তিনি বলেন, রিতি এগুলো দেখে মনের কষ্টে দুঃখে-অপমানে ক্ষোভে অভিমানে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় আমার বসতঘরে বসে আত্মহত্যা করে। মুমূর্ষু অবস্থায় রিতিকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসি। চিকিৎসক জরুরিভিত্তিতে বরিশাল প্রেরণ করেন রিতিকে। পথিমধ্যে বিকাল ৩টায় রিতি অ্যাম্বুলেন্সেই মারা যান। এ ঘটনার পর থেকে আফরোজের ফোন বন্ধ। তাকে পাওয়া যাচ্ছে না।

বরগুনা থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, বরগুনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। লাশ মর্গে রাখা হয়েছে। সোমবার ময়নাতদন্ত করা হবে। মামলা করতে চাইলে আমরা মামলা নেব।

বখাটের উৎপাতে কিশোরীর আত্মহত্যা

 যুগান্তর প্রতিবেদন, বরগুনা 
৩১ জানুয়ারি ২০২১, ১১:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বখাটের উৎপাতে অপমান সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থী লামিয়া আক্তার রিতি। রোববার সকালে নিজ বাড়িতে আত্মহত্যা করেন তিনি।

রিতি বরগুনা সদর উপজেলার আয়লাপাতাকাটা ইউনিয়নের পাতাকাটা গ্রামের নুর আলমের মেয়ে। রিতি কদমতলা বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান কলেজের ছাত্রী ছিলেন।

জানা যায়, বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার বাদুরতলা গ্রামের সোবহান মিয়ার ছেলে আফরোজ প্রায় দুই বছর ধরে রিতিকে ফেসবুকে বিরক্ত করে আসছে। পরে রিতির বাবার কাছে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয় আফরোজ। রিতির বাবা আফরোজকে জানিয়ে দেয় তার মেয়ের বয়স ১৭ বছর। এই মুহূর্তে রিতিকে বিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। তারপরও আফরোজ রিতিকে নিয়মিত উৎপাত করতে থাকে।

রিতির বাবা নুরে আলম বলেন, প্রায় দুই বছর আগে আফরোজ রিতিকে স্ত্রী দাবি করে আমাকে, আমার স্ত্রী আসমা ও রিতিকে আসামি করে পাথরঘাটা আদালতে একটি মামলা দায়ের করে হয়রানি করে আসছে। মামলাটি এখনও চলমান। হলফনামায় বিয়ে দেখিয়ে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শনিবার ভাইরাল করে।

তিনি বলেন, রিতি এগুলো দেখে মনের কষ্টে দুঃখে-অপমানে ক্ষোভে অভিমানে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় আমার বসতঘরে বসে আত্মহত্যা করে। মুমূর্ষু অবস্থায় রিতিকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসি। চিকিৎসক জরুরিভিত্তিতে বরিশাল প্রেরণ করেন রিতিকে। পথিমধ্যে বিকাল ৩টায় রিতি অ্যাম্বুলেন্সেই মারা যান। এ ঘটনার পর থেকে আফরোজের ফোন বন্ধ। তাকে পাওয়া যাচ্ছে না।

বরগুনা থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, বরগুনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। লাশ মর্গে রাখা হয়েছে। সোমবার ময়নাতদন্ত করা হবে। মামলা করতে চাইলে আমরা মামলা নেব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন