ফোনে ডেকে আদিবাসী ছাত্রীকে লিচুবাগানে নিয়ে গণধর্ষণ
jugantor
ফোনে ডেকে আদিবাসী ছাত্রীকে লিচুবাগানে নিয়ে গণধর্ষণ

  দিনাজপুর প্রতিনিধি  

০১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৯:৪৮:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে প্রেমিক পরিচয় দিয়ে কৌশলে মোবাইল ফোনে ডেকে এনে দশম শ্রেণির এক আদিবাসী ছাত্রীকে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলো-ঘোড়াঘাট উপজেলার বাউপুকুর গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে ছদ্মবেশী প্রেমিক লাবু মিয়া (২৮), একই গ্রামের আহাম্মদ আলীর ছেলে রাজমিস্ত্রি আশরাফুল ইসলাম (৩৫) ও বেলাল হোসেনের ছেলে রাজমিস্ত্রি ওমর ফারুক (২১)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৭ বছর বয়সী ওই আদিবাসী স্কুলছাত্রীর সঙ্গে একই গ্রামের মৃত চুরকা হাসদার ছেলে রাজুর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাদের দুজনের মধ্যে মোবাইলে কথা বলার বিষয়টি জেনে কৌশলে মেয়ের ফোন নম্বরটি সংগ্রহ করে লাবু নামের এক যুবক। পরে লাবু নিজেকে রাজু পরিচয় দিয়ে মেয়েটির সঙ্গে কথা বলতে থাকে। একপর্যায়ে গত শনিবার রাত ৩টার দিকে স্কুলছাত্রীর বাড়ির পাশে আব্দুর রহমানের লিচুবাগানে তাকে দেখা করতে বলে।

বাগানে গিয়ে ওই ছাত্রী প্রেমিক রাজুর পরিবর্তে অন্য এক যুবককে দেখে চিৎকার করে এবং দৌড়ে বাড়িতে পালানোর চেষ্টা করে। পরে লাবুর সঙ্গে বাগানে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া দুই সহযোগী ওমর ফারুক এবং আশরাফুল স্কুলছাত্রীকে আটকে মুখ চেপে ধরে। পরে ওই বাগানেই পালাক্রমে তিনজন মেয়েটিকে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

মেয়েটির মা জানান, সকালে ঘুম থেকে ওঠে ঘরে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে অনেক খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির পাশের লিচু বাগানে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা মেয়েকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসি। পরে মেয়ের মুখে পুরো ঘটনা শুনে মেয়েকে নিয়ে থানায় যান এবং মামলা দায়ের করেন।

ঘোড়াঘাট থানার (ওসি) আজিম উদ্দিন জানান, রোববার রাতে ভিকটিমকে নিয়ে তার মা থানায় এসে তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। পরে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ওই তিন যুবককে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ঘোড়াঘাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।

তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত তিনজনকে সোমবার দিনাজপুরের আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ফোনে ডেকে আদিবাসী ছাত্রীকে লিচুবাগানে নিয়ে গণধর্ষণ

 দিনাজপুর প্রতিনিধি 
০১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৭:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে প্রেমিক পরিচয় দিয়ে কৌশলে মোবাইল ফোনে ডেকে এনে দশম শ্রেণির এক আদিবাসী ছাত্রীকে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলো-ঘোড়াঘাট উপজেলার বাউপুকুর গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে ছদ্মবেশী প্রেমিক লাবু মিয়া (২৮), একই গ্রামের আহাম্মদ আলীর ছেলে রাজমিস্ত্রি আশরাফুল ইসলাম (৩৫) ও বেলাল হোসেনের ছেলে রাজমিস্ত্রি ওমর ফারুক (২১)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৭ বছর বয়সী ওই আদিবাসী স্কুলছাত্রীর সঙ্গে একই গ্রামের মৃত চুরকা হাসদার ছেলে রাজুর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাদের দুজনের মধ্যে মোবাইলে কথা বলার বিষয়টি জেনে কৌশলে মেয়ের ফোন নম্বরটি সংগ্রহ করে লাবু নামের এক যুবক। পরে লাবু নিজেকে রাজু পরিচয় দিয়ে মেয়েটির সঙ্গে কথা বলতে থাকে। একপর্যায়ে গত শনিবার রাত ৩টার দিকে স্কুলছাত্রীর বাড়ির পাশে আব্দুর রহমানের লিচুবাগানে তাকে দেখা করতে বলে।

বাগানে গিয়ে ওই ছাত্রী প্রেমিক রাজুর পরিবর্তে অন্য এক যুবককে দেখে চিৎকার করে এবং দৌড়ে বাড়িতে পালানোর চেষ্টা করে। পরে লাবুর সঙ্গে বাগানে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া দুই সহযোগী ওমর ফারুক এবং আশরাফুল স্কুলছাত্রীকে আটকে মুখ চেপে ধরে। পরে ওই বাগানেই পালাক্রমে তিনজন মেয়েটিকে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

মেয়েটির মা জানান, সকালে ঘুম থেকে ওঠে ঘরে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে অনেক খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির পাশের লিচু বাগানে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা মেয়েকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসি। পরে মেয়ের মুখে পুরো ঘটনা শুনে মেয়েকে নিয়ে থানায় যান এবং মামলা দায়ের করেন।

ঘোড়াঘাট থানার (ওসি) আজিম উদ্দিন জানান, রোববার রাতে ভিকটিমকে নিয়ে তার মা থানায় এসে তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। পরে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ওই তিন যুবককে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ঘোড়াঘাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।

তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত তিনজনকে সোমবার দিনাজপুরের আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন